অনির্বাণ ভট্টাচার্য। এই অভিনেতাকে নিয়ে পরিচালকদের আগ্রহ বেড়েই চলেছে। বেশ কিছু দিনের চেষ্টার পর তাঁকে পাওয়া গেল। গল্প করলেন রাকা রায়

প্রশ্ন: তোমাকে পাওয়া তো কঠিন কাজ।

উত্তর: (হেসে) আসলে ক’দিন খুব ব্যস্ত ছিলাম। কলকাতায় একটা ছোট্টো বাড়ি নিয়েছি। সেটা গোছানোতে ব্যস্ত ছিলাম। আর একটা বিষয় হল আমি ভুলে যাই (হাসি)।

প্রশ্ন: সিনেমা, ওয়েব সঙ্গে থিয়েটার – সব সামলাচ্ছ কী করে?

উত্তর: যা কাজ পাচ্ছি সেটা মন দিয়ে করার চেষ্টা করছি।

প্রশ্ন: আলিনগরের গোলোক ধাঁধা-তে কি তুমি ডিটেকটিভ?

উত্তর: আরে নাহ্‌, একদম না। আমি এখানে ইতিহাসের ছাত্র। বলতে পার নায়ক হিসেবে প্রথম ছবি।

প্রশ্ন: কেন, ধনঞ্জয়-তেও তো তুমি প্রধান চরিত্রে ছিলে?

উত্তর: না। ওখানে সেই অর্থে নায়ক ছিল মিমি। আমি না। ওটা একটি চরিত্র ছিল।

প্রশ্ন: তুমি তো এখন বহু পরিচালকের প্রথম পছন্দ!

উত্তর: তেমন কিছুই না। তবে কাজ আসছে। এখন কলকাতায় একটা থাকার জায়গাও হল।

প্রশ্ন: ব্যোমকেশ সিরিজ করছ। লোক পছন্দ করছে।

উত্তর: চেষ্টা করি সব চরিত্র মন দিয়ে বাস্তবায়িত করতে।

প্রশ্ন: তোমাকে ফোন করলেই বলো, কঠিন একটা পাঠ করছি।

উত্তর: হ্যাঁ। কারণ আমার কাছে সব পাঠই খুব কঠিন লাগে।

প্রশ্ন: সিনেমার অনির্বাণ, থিয়েটারের অনির্বাণ কতটা আলাদা।

উত্তর: একই আছি। শুধু আর্থিক সচ্ছলতা বেড়েছে। দর্শকদের সংখ্যা বেড়েছে। আমি আগেও অভিনেতা ছিলাম, এখনও তাই।

প্রশ্ন: আলিনগরের গোলোকধাঁধা-তে ইতিহাসের ছাত্র। বাস্তবের পড়াশোনায় ইতিহাসে কেমন ছিলে?

উত্তর: দু’টো জিনিস ভয় পেতাম। নাম আর সাল মনে রাখা। বাকিটা গল্পের মতো। একটা কথা না বলে পারছি না।সবাই জানুক।

প্রশ্ন:  কী??

উত্তর: আমি একটি গ্রামের স্কুলের ছাত্র। আমাদের মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম প্রশ্ন ছিল দাদু মিয়া কে ছিল? (চোখ বড়ো বড়ো করে)। এই উত্তর কেউ জানত না। ভুল প্রশ্ন ছিল। আমরা ভেবেছিলাম পাস করব না। রায়ট বেঁধে যাওয়ার শামিল।

প্রশ্ন: ওয়েব সিরিজ কতটা আলাদা সিনেমার থেকে?

উত্তর: দেখো, ওয়েব সিরিজে অনেক স্বাধীন ভাবে এক্সপেরিমেন্ট করতে পারছি। এটাই বলব।

প্রশ্ন: কোন ধরনের চরিত্র করতে বেশি ভালো লাগে?

উত্তর: যে চরিত্রগুলো সময়ের সঙ্গে পালটায়। মানে যে চরিত্রগুলো অভিনয় করতে আমাকে ভাবায়, সেগুলো করতেই মজা পাই।

প্রশ্ন: তুমি তো অবজার্ভ করতে ভালোবাস।

উত্তর: ওটা যে দিন বন্ধ করে দেব, সে দিন আমিও শেষ হয়ে যাব।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here