বেলজিয়াম – ২                           ইংল্যান্ড – ০

ওয়েবডেস্ক: গ্রুপ পর্যায়ে যে চিত্র ছিল, তৃতীয়-চতুর্থ স্থানাধিকারি ম্যাচেও সেই ছবি ফুটে উঠল বেলজিয়াম-ইংল্যান্ড ম্যাচে। দু’গোলের ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় হল বেলজিয়াম। যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে তাদের সব চেয়ে সেরা পারফরমেন্স। সেমিফাইনাল হেরে মানসিক ভাবে দু’দলই যে কিছুটা ব্যথিত থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। তা সত্ত্বেও সম্মানের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালাল দু’দল। অবশ্য শেষ হাসি বেলজিয়ামের। বিশ্বকাপে কাউন্টার অ্যাটাকে কেন তারা বাকিদের থেকে এগিয়ে ছিল এই ম্যাচেও তা প্রমাণিত।

ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়ে যায় বেলজিয়াম। মাত্র চার মিনিটের মাথায় গোল মুনিয়েরের। অবশ্য পজিশনাল ফুটবলে অনেকটাই এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। তবে ফুটবলে গোলই শেষ কথা বলে। প্রতি-আক্রমণে ফের ব্যবধানে বাড়াতে পারত বেলজিয়াম। কিন্তু ব্যর্থ হন লুকাকু। সেমিফাইনালের মতো এই ম্যাচেও ব্যর্থ ব্রিটিশ অধিনায়ক হ্যারি কেন। সুযোগ পেয়েছিলেন কিন্তু কার্যকর করতে ব্যর্থ হন। অবশ্য ফাইনালে বেশি কিছু অঘটন না ঘটলে ছয় গোল নিয়ে সোনার বুট তাঁর দখলেই যেতে চলেছে। এ দিন অবশ্য লুকাকু যা সুযোগ পেয়েছিলেন তাতে হ্যাটট্রিক করে কেনকে টপকে যেতে পারতেন। অবশ্য তা হয়নি। বিরতিতে যাওয়ার আগে ফের সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি।

অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে কিছুটা আক্রমণে ঝাঁজ বাড়ায় থ্রি-লায়ন্স। প্রতি-আক্রমণে বিপদ বাড়াতে থাকে বেলজিয়ামও। দশ মিনিটের মধ্যে ফের সুযোগ পেয়েছিলেন কেন। এ বারও ব্যর্থ হন তিনি। ফের ব্যর্থ হন লুকাকু, যার জেরে তাঁকে পরিবর্তন করতে বাধ্য হন কোচ মারতিনেজ। সমতা প্রায় পেয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড, কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার কুড়ি মিনিট আগে ডায়ারের অবধারিত গোল বাঁচিয়ে দেন বেলজিয়াম ডিফেন্ডার অলডারওয়াইল্ড। তবে প্রতি-আক্রমণে ক্রমাগত বিপজ্জনক হতে থাকে বেলজিয়াম, অবশেষে ফল পেয়ে যায়। ম্যাচ শেষ হওয়ার মিনিট আটেক আগে দলের দ্বিতীয় গোলে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেন অধিনায়ক হ্যাজার্ড।

ফলে চতুর্থ হয়েই এ বারের মতো ‘বিশ্বকাপ স্টোরি’ শেষ করল ইংল্যান্ড।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন