Connect with us

বাংলাদেশ

গুলশানে জঙ্গি হামলার ৪ বছর, অনলাইন প্রচারণায় সক্রিয় জঙ্গি গোষ্ঠী

ঋদি হক: ঢাকা

বহুল আলোচিত গুলশন (Gulshan) জঙ্গি হামলার চার বছর পূর্ণ হল। দুনিয়া জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা এই হামলা হয়েছিল ২০১৬ সালের ১ জুলাই।

সে দিন আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর একদল অস্ত্রধারী জঙ্গি গুলশনের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় (Holey Artisan Bakery) হামলা চালায়। জঙ্গিরা অবস্থানরত দেশি-বিদেশি নাগরিকদের পণবন্দি করে। এর পর একে একে হত্যা করা হয় জাপানি, ইতালিয়ান ও ভারতীয়-সহ দেশ-বিদেশের ২০ অতিথিকে। এঁদের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি, ৭ জন জাপানি, ৯ জন ইতালিয়ান এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। পরে সেনা অভিযানে আইএস-এর পোশাক পরা ৫ জঙ্গি নিহত হয় এবং ১২ ঘণ্টা পর ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অবসান ঘটে।

নিহতদের শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার চিন, জাপান ও আমেরিকার রাষ্ট্রদূত, ঢাকা মহানগর পুলিশ কশিমনার, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ানের (র‌্যাব) ডিজি-সহ বহু বিশিষ্ট বাংলাদেশি ঘটনাস্থলে হাজির হন। তাঁরা জঙ্গি-হামলায় নিহতদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি, DMP) কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (Md. Shafiqul Islam) বলেন, বিশ্বজোড়া করোনা মহামারি পরিস্থিতিতেও জঙ্গি সংগঠনগুলো বসে নেই। তারা অনলাইনে সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছে, নানাবিধ প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ ঘরেই বেশি সময় কাটাচ্ছেন। এ সময় তাঁরা ধর্মীয় সাইটগুলোতে বেশি ভিজিট করছেন। এর সুযোগ নিচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলো। তাদের সদস্যরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট পুলিশের সদস্যরা।

কমিশনার আরও বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সব চেয়ে বড়ো যে জঙ্গি হামলার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ (Bangladesh), সেটি হচ্ছে হলি আর্টিজানের জঙ্গি হামলা। হলি আর্টিজান হামলার পর থেকে একের পর এক জঙ্গি-আস্তানা গুঁড়িয়ে  দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিদের যে সক্ষমতা ছিল, সেটি এখন নেই বললেই চলে। এখন তারা যে সব ইম্প্রভাইজড বোমা বানায়, তার আসল সব এক্সপার্ট পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। তারা জেলে রয়েছে। অনেকে বিভিন্ন অভিযানে নিহত হয়েছে। তাই এখন সে ধরনের সক্ষমতা জঙ্গি সংগঠনগুলোর নেই। হলি আর্টিজান হামলার পরে বাংলাদেশ পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেমন ঢেলে সাজা হয়েছে, একই ভাবে জঙ্গিবাদে যারা জড়িত তাদের সক্ষমতা, ক্ষমতা সম্পর্কেও পুলিশের একটা সুস্পষ্ট ধারণা হয়েছে বলেও দাবি করেন শফিকুল ইসলাম।

২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাস-বিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান হলি আর্টিজান হামলা সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মামলার ৮ আসামির মধ্যে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হল, জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশ, আব্দুস সবুর খান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাদিসুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ এবং মামুনুর রশিদ রিপন। মিজানুর রহমান ওরফে বড়ো মিজান নামের একজনকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, বাংলাদেশে তথাকথিত জিহাদ কায়েমের লক্ষ্যে এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে জেএমবির একাংশ নিয়ে গঠিত হয় নব্য জেএমবি। তারাই গুলশন হলি আর্টিজান বেকারিতে নারকীয় ও দানবীয় হত্যাকাণ্ড ঘটায়। হলি আর্টিজান হামলার মধ্য দিয়ে জঙ্গিবাদের উন্মত্ততা, নিষ্ঠুরতা ও নৃশংসতার জঘন্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এই কলঙ্কজনক হামলার মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চরিত্র হরণের চেষ্টা করা হয়, যাতে বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য পরিচিত বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি এই হামলায় কিছুটা ক্ষুন্ন হয়।

দেশ

ভারতের বিমান দুর্ঘটনায় শোক বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর

প্রিয়জন হারানো শোকসন্তপ্ত পরিবার ও ভারতীয় জনগণের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ঋদি হক: ঢাকা 

কেরলের কোড়িকোড়ে (Kozhikode) সংঘটিত মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় (plane accident) হতাহতের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন (Dr. A K Abdul Momen)। শনিবার ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রী ড. এস জয়শংকরকে (Dr. S Jaishankar) পাঠানো এক বার্তায় বাংলাদেশের জনগণ, সরকার এবং তাঁর নিজের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেন তিনি। প্রিয়জন হারানো শোকসন্তপ্ত পরিবার ও ভারতীয় জনগণের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বিদেশমন্ত্রী তাঁর শোকবার্তায় এই কঠিন সময়ে স্বজনহারাদের শোক সহ্য করার শক্তি ও মনোবল প্রার্থনা করেন এবং দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

অপর দিকে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি. মুরলিধরনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। বিদেশ প্রতিমন্ত্রী বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের ব্যাপারে খোঁজ নেন এবং স্বজনহারা ও ভারতীয় জনগণের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।

টেলিফোনে আলাপকালে দু’ দেশের প্রতিমন্ত্রীরা দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে ভ্রাতৃপ্রতিম দু’দেশের মধ্যে বিরাজমান গভীর সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দুবাই-ফেরত ১৯০ জন যাত্রী নিয়ে কেরলের কোড়িকোড় বিমানবন্দরে ভারী বর্ষণের মধ্যে অবতরণকালে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি ফ্লাইট। এতে বিমানটির দু’ জন পাইলটসহ অন্তত ১৮ জন নিহত হন। কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাকবলিত বিমানের বেশির ভাগ আরোহীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। গুরুতর আহত আরোহীদের চিকিৎসা চলছে।

Continue Reading

বাংলাদেশ

‘বন্ধু তিন দিন তোর বাড়িতে গেলাম…’-এর সুরকার আলাউদ্দিন আলী আর নেই

ঋদি হক: ঢাকা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে বহু বার সম্মানিত, গৌতম ঘোষ পরিচালিত ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী (Alauddin Ali) আর নেই। কিংবদন্তি এই সংগীত পরিচালক (music composer) রবিবার শেষ বিকালে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। কন্যা আলিফ আলাউদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শ্বাসকষ্ট নিয়ে গুরুতর অবস্থায় শনিবার ভোরে ঢাকার মহাখালি ইউনিভার্সাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ভর্তির পর থেকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। হাজারো চেষ্টায় তাঁর অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। অবশেষে রবিবার বিকালে পরপারে পাড়ি জমান তিনি। ২০১৫ সালে আলাউদ্দিন আলীর ক্যান্সার ধরা পড়ে। দেশের বাইরেও চিকিৎসা করা হয়েছে। কিন্তু পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি।

জন্ম ও বেড়ে ওঠা

১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বাঁশবাড়ি গ্রামে তার জন্ম। বাবা ওস্তাদ জাদব আলী। মায়ের নাম জোহরা খাতুন। শৈশবকালেই পরিবারের সঙ্গে ঢাকার মতিঝিলের এজিবি কলোনিতে চলে আসেন আলাউদ্দিন আলী। তিন ভাই ও দুই বোনের সঙ্গে সেই কলোনিতেই বড়ো হন এই গুণী শিল্পী। সংগীতে প্রথম হাতেখড়ি ছোট চাচা সাদেক আলীর কাছে।

লোকজ ও ধ্রুপদি গানের পরিমণ্ডলে গড়ে ওঠা আলাউদ্দীন আলী প্রায় চার দশক ধরে নিজস্ব বৈচিত্র্যপূর্ণ সুরধারা সৃষ্টি করেছিলেন বাংলা সংগীতে। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের বহু স্বনামধন্য শিল্পী তাঁর সুরে গান করে করেছেন।

তাঁর সুরারোপিত গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘বন্ধু তিন দিন তোর বাড়িতে গেলাম দেখা পাইলাম না’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসত, যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’, ‘ভালোবাসা যত বড়ো জীবন তত বড়ো নয়’, ‘দুঃখ ভালোবেসে প্রেমের খেলা খেলতে হয়’, ‘এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই’, ‘সূর্যোদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি, ও আমার বাংলাদেশ’, ‘এমনও তো প্রেম হয়, চোখের জলে কথা কয়’, ‘হয় যদি বদনাম হোক আরও’, ‘প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ’ ইত্যাদি।    

চলচ্চিত্রে আগমন 

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ – কালজয়ী এই গানের সুরকার আলতাফ মাহমুদ। একাত্তরে আলতাফ মাহমুদকে রাজাকার-আলবদরদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ধরে নিয়ে হত্যা করে। এই আলতাফ মাহমুদের সহযোগী হিসেবে ১৯৬৮ সালে একজন বাদ্যযন্ত্র শিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রজগতে পা রাখেন আলাউদ্দিন আলী। পরবর্তী কালে প্রখ্যাত সুরকার আনোয়ার পারভেজের সঙ্গে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।

সংগীত পরিচালক হিসেবে তাঁর অভিষেক ঘটে ১৯৭৫ সালে। এর পর ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৯), ‘সুন্দরী’ (১৯৮০), ‘কসাই’ এবং ‘যোগাযোগ’ চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ গীতিকারের পুরস্কার অর্জন করেন।

খ্যাতিমান চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ পরিচালিত ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন। আলাউদ্দিন আলীর সুর করা গানের সংখ্যা ৫ হাজারেরও বেশি। তিনি ছিলেন একাধারে সুরকার, সংগীত পরিচালক, বেহালাবাদক ও গীতিকার।

Continue Reading

দেশ

বাংলাদেশের উন্নয়ন মানেই ভারতের উন্নয়ন, বললেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন

মেহেরপুরে ‘মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ’ পরিদর্শন শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ঋদি হক: ঢাকা

“‘ভারত-বাংলাদেশে সম্পর্ক রক্তের ঋণ’, এ কথা নতুন করে বলার প্রয়োজন পড়ে না। আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশের (Bangladesh) বিজয় মানে ভারতের (India) বিজয়। আর বাংলাদেশের উন্নয়ন মানেই ভারতের উন্নয়ন।” মেহেরপুরে (Meherpur) ‘মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ’ পরিদর্শন শেষে এমন মন্তব্য করেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন (Dr. A K Abdul Momen)।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মেহেরপুরের আম্রকাননে ‘বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত’ হয়েছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এটিকে মুজিবনগর নাম দেওয়া হয়। স্বাধীনতার সূর্য-সন্তানদের শ্রদ্ধার নির্দশন হিসেবে মুজিবনগরে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। শনিবার সেই স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী (Bangladesh foreign minister)।

“মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় থেকেই ভারতের সঙ্গে নাড়ির সম্পর্ক আমাদের। এই সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার নয়”, এ কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী। ভারতকে নিয়েই বাংলাদেশ এই উৎসব পালন করবে, কেননা বাংলাদেশের বিজয় মানে ভারতের বিজয়। আবার ভারতের বিজয় মানে বাংলাদেশের বিজয়।

বিদেশমন্ত্রী ড. মোমেন উল্লেখ করেন, “ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রক্তের সম্পর্ক। আর চিনের সঙ্গে অর্থনৈতিক। ভারত-চিনের মধ্যে গণ্ডগোল নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই।”

বিদেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে প্রায় এক হাজারের বেশি পণ্য শুল্কমুক্ত করার সুবিধা দিয়েছে চিন। তাতে কিন্তু ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে কোনো বিতর্ক তৈরি হয়নি। কেউ কেউ এটাকে নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন।

ড. মোমেন বলেন, “ভারতের সঙ্গে সমুদ্র, সীমান্ত, নিরাপত্তা-সহ আমাদের বড়ো ধরনের সব সমস্যা মিটে গেছে। ছোটখাটো কিছু সমস্যা ঝুলে রয়েছে। তা-ও ঠিক হয়ে যাবে।”

করোনা-টিকা আবিষ্কারে বাংলাদেশ যুক্ত হতে পারেনি, এমন মন্তব্য করে বিদেশমন্ত্রী বলেছেন, টিকা আবিষ্কারে ভারত এবং পাকিস্তান, দু’টি দেশই অন্য দেশের সঙ্গে যৌথ ভাবে গবেষণামূলক কাজ শুরু করেছে। সেখানে কারও সঙ্গে কাজে যুক্ত হতে না পারাকে দু:খজনক বলে উল্লেখ করেন ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি জানান, টিকা পেতে ইউরোপকে অনেক টাকা দিয়ে রাখা হয়েছে।

বিদেশমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। পাঁচ খুনি এখনও জীবিত। তার মধ্যে দু’ জনের সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা আমেরিকা এবং কানাডায় রয়েছে। তবে দুই খুনির একজনকে অন্তত দেশে আনার জোর প্রক্রিয়া চলছে। যাদের আনা সম্ভব হচ্ছে না, তাদের বাসার সামনে মাসে অন্তত  এক বার হলেও লোকজন নিয়ে অবস্থান করতে  দূতাবাসগুলোকে বলে দেওয়া হয়েছে, যাতে খুনিরা তাদের কৃতকর্মের জন্য জনগণের কাছে ধিকৃত হয়।

বিদেশমন্ত্রী ড. মোমেন সস্ত্রীক শুক্রবার রাতে মেহেরপুরে পৌঁছোন। শনিবার ‘মুজিবনগর (Mujibnagar) স্মৃতিসৌধ’ পরিদর্শন শেষে ঢাকা রওনা হয়ে যান তাঁরা।

Continue Reading
Advertisement
Advertisement

রবিবারের খবর অনলাইন

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 days ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা4 days ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা4 days ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা1 week ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা2 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা2 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা3 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা3 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

laptop laptop
কেনাকাটা4 weeks ago

ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ২৫ হাজার টাকার মধ্যে এই ৫টি ল্যাপটপ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : কোভিভ ১৯ অতিমারির প্রকোপে বিশ্ব জুড়ে চলছে লকডাউন ও ওয়ার্ক ফ্রম হোম। অনেকেই অফিস থেকে ল্যাপটপ পেয়েছেন।...

নজরে

Click To Expand