Connect with us

বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু বিশ্বে শান্তির পায়রা উড়িয়ে ছিলেন, শেখ হাসিনা তা সংস্কৃতিতে পরিণত করেছেন

ধর্মনিরপেক্ষতাকে মনেপ্রাণে লালন করতেন বঙ্গবন্ধু। পৃথিবীর যে প্রান্তেই গিয়েছেন, সেখানেই ধর্মনিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের অধিবেশনে বাংলা ভাষায় ভাষণ দিয়ে বঙ্গবন্ধু নজির গড়েন, জানান দেন তিনি বঙ্গের বন্ধু, বাংলাদেশ তাঁর দেশ।

Published

on

Bangladesh foreign minister Dr.-A-K-Abdul-Momen
বক্তৃতা করছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

ঋদি হক: ঢাকা

১৯৭১-এ ন’ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ (Bangladesh)। স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বদেশে ফেরেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু (Bangabandhu) শেখ মুজিবুর রহমান (Sheikh Mujibur Rahman)। এর পর প্রথমেই হাত দেন সংবিধান প্রণয়নের কাজে। ৭২-এর সংবিধানের চার মূলনীতি পুনর্বহাল (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা) হয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষতাকে মনেপ্রাণে লালন করতেন বঙ্গবন্ধু। পৃথিবীর যে প্রান্তেই গিয়েছেন, সেখানেই ধর্মনিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের অধিবেশনে বাংলা ভাষায় ভাষণ দিয়ে বঙ্গবন্ধু নজির গড়েন, জানান দেন তিনি বঙ্গের বন্ধু, বাংলাদেশ তাঁর দেশ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী (Bangladesh PM) শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) বিশ্বে শান্তির সংস্কৃতি চালু করেছেন এবং ১৯৩টি দেশ তা গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (Barishal University) দর্শন বিভাগ আয়োজিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে এ সব কথা বলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী (Bangladesh foreign minister) ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন (Dr. A K Abdul Momen)।

শান্তির সংস্কৃতির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল মানুষে মানুষে শ্রদ্ধাবোধ বাড়ানো – এ কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে রাষ্ট্রপুঞ্জের শান্তিরক্ষী মিশনে বহু বছর প্রথম স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

Loading videos...

ড. মোমেনের কথায়, “বঙ্গবন্ধুর বিদেশনীতি ছিল ‘কারো সঙ্গে শত্রুতা নয়, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব’, যা আমরা প্রতিপালন করে চলেছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু কোনো ব্লকে না গিয়ে দেশের স্বার্থে স্বাধীন বিদেশনীতি চালু করেন। মুক্তিযুদ্ধে যারা আমাদের বিরোধিতা করেছে, দেশবাসীর মঙ্গল ও উন্নয়নের কথা চিন্তা করে স্বাধীনতা লাভের পর তাদের প্রতিও অনুকম্পার হাত বাড়িয়ে দিয়ে নজির গড়েছিলেন তিনি।”

বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, “বঙ্গবন্ধুর অন্যতম দর্শন ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। দলমত নির্বিশেষে মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ছিল তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের একটি বড়ো দিক। বঙ্গবন্ধু সব সময় মানুষকে সব চেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছেন ও ভালোবেসেছেন এবং আমরা তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করছি।”

ড. মোমেন বলেন, শোষিত মানুষের পক্ষে তিনি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছেন। ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা-সহ সকল আন্দোলন তিনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে করেছেন। বঙ্গবন্ধু শুধু সোনার বাংলার স্বপ্নই দেখেননি, তিনি সেই স্বপ্ন মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন হল আজকের বাংলাদেশ।

ড.মোমেন আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ায় স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু কৃষির ওপর জোর দেন। স্বাধীনতার পর পরই তিনি ২৬ হাজার স্কুল সরকারিকরণের পাশাপাশি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন। দেশের উন্নয়নের জন্য স্বাধীনতার পর পরই তিনি ৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন।

ওই আলোচনাসভায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন, দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী শোয়েবুর রহমান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন এবং সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামনিস্ট অজয় দাশগুপ্তও বক্তৃতা করেন।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে রাষ্ট্রপুঞ্জে ফের প্রস্তাব গৃহীত

দেশ

আখাউড়া-আগরতলা আন্তর্জাতিক রেলসংযোগ কলকাতার দূরত্ব কমাবে ১০০০ কিলোমিটার

কলকতা-আগরতলার দূরত্ব দাঁড়াবে মাত্র ৫৫০ কিলোমিটার। ই রেলপথ ব্যবহার করে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টায় কলকাতা পৌঁছোনো সম্ভব হবে।

Published

on

গত সেপ্টেম্বরে প্রকল্প কাজের অগ্রগতি দেখতে এসে কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

ঋদি হক: চট্টগ্রাম থেকে ফিরে

কলকাতা (Kolkata) থেকে রেলপথে আগরতলার (Agartala) দূরত্ব প্রায় ১৫৫০ কিলোমিটার। শিয়ালদহ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে আগরতলা পৌঁছোতে সময় লাগে ৩৮ ঘণ্টা। আখাউড়া-আগরতলা রেলপথটি (Akhaura-Agartala rail link) চালু হলে কলকতা-আগরতলার দূরত্ব ১০০০ কিলোমিটার কমে গিয়ে দাঁড়াবে মাত্র ৫৫০ কিলোমিটার। সে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক এই রেলপথ ব্যবহার করে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টায় কলকাতা পৌঁছোনো সম্ভব হবে। এর ফলে সময় ও অর্থ দু’টোই সাশ্রয় হবে।

২০১৮ সালের শেষাশেষি সম্ভাবনাময় আখাউড়া-আগরতলা রেলপথে হুইসেল বাজার কথা ছিল। যে কোনো শুভ কাজের সঙ্গে ওৎ পেতে থাকে আশঙ্কাও। তেমনটিই ঘটেছে এই রেলপথটির বেলায়ও। নানা জটিলতায় প্রকল্প কাজ পিছিয়ে যায় বছর দু’য়েক। শেষ পর্যন্ত সব বাধা কাটিয়ে ২০২১ সালের জুন মাসেই আসছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বাংলাদেশ ও ভারতের পতাকা উড়িয়ে দু’ দেশের মধ্যে রেল সংযোগের সূচনা হবে, যার সুফলভোগী হবেন উভয় দেশের মানুষ।

Loading videos...
আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

২০১৬ সালে ত্রিপুরার (Tripura) রাজধানী আগরতলায় দু’ দেশের রেলপথ মন্ত্রকের মধ্যে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণচুক্তি সম্পন্ন হয়। ওই বছরেরই ৩১ জুলাই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে ২০১৮ সালেই তা শেষ হওয়ার কথা ছিল।

ভারতের প্রন্তিক রাজ্য ত্রিপুরা তথা উত্তরপূর্ব ভারতের সঙ্গে সহজ সংযোগের কথা ভাবনায় ছিল নয়াদিল্লির। সেই ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কলকাতা থেকে বাংলাদেশ (Bangladesh) হয়ে ত্রিপুরার আগরতলা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক রেলসংযোগে আগ্রহী হয় ভারত (India)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণ চুক্তি সই হয়।

৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪০ কোটি ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৫০১ টাকা। ব্যয়ের পুরোটাই বহন করছে ভারত। ডুয়েলগেজের রেলপথটির বাংলাদেশ অংশের দূরত্ব প্রথম দিকে কিছুটা বাড়তি থাকলেও তা ছেঁটে  দিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭ কিলোমিটার।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পুর্ব ও পশ্চিম দু’টো অঞ্চল রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের কার্যালয় রাজশাহী এবং পুর্বাঞ্চলের কার্যালয় চট্টগ্রাম। আখাউড়া-আগরতলা রেলসংযোগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে পুর্বাঞ্চল। বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রকের পূর্বাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক সরদার সাহাদত আলী ‘খবর অনলাইন’কেবলেন, আখাউড়া-আগরতলা রেলসংযোগটি চালু হলে উভয় দেশের মানুষ যেমন সুফল ভোগ করবে, তেমনি দু’ দেশের বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ হবে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য পরিবহন সহজ হবে।

রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন সেপ্টেম্বরে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে অন্য যাঁরা ছিলেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রকল্প পরিচালক সুবক্তগীন, ভারতীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান টেক্সম্যাকো রেলওয়ে প্রজেক্টের এজিএম ভাস্কর বকশি।

আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ প্রকল্পের পরিচালক মো. সুবক্তগীন ‘খবর অনলাইন’কে বলেন, আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে তাঁদের কাজ সম্পন্ন হবে। করোনাভাইরাস ও বর্ষার জটিলতায় নির্মাণকাজ প্রায় কয়েক মাস পিছিয়ে যায়। ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেক্সম্যাকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড প্রকল্প কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

করোনার প্রাদুর্ভাবের সময় প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট অনেকেই কর্মস্থল থেকে চলে যান। সেই সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই বন্ধ থাকে প্রকল্পের কাজ। যদিও চলতি বছরেই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। এখন ২০২১ সালের মে মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মো. সুবক্তগীন আশা করেন, আগামী বছরের জুন মাসেই আন্তর্জাতিক রেলসংযোগটি চালু হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়ন ও গবেষণা পরিষদের সভাপতি কমোডর (অব) জুবায়ের আহমদ বলেন, সড়ক, রেলপথ এবং জলপথে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ নতুন মাত্রা পেয়েছে। সব চেয়ে বড়ো কথা হচ্ছে, যোগাযোগ সংস্কৃতির উত্থানের কারণে বাণিজ্যের সুবিধাভোগী হচ্ছে উভয় দেশ।

তিনি বলেন, “আমরা সব সময় একটি কথা স্মরণ করিয়ে আসছি, তা হল সকল সম্ভাবনার সঙ্গে কিন্তু সমস্যাও মাথা উচু করে দাঁড়াতে চায়। আজ দু’ দেশের সম্পর্কে, বিশেষ করে যোগাযোগ ক্ষেত্রে যে উত্থান ঘটেছে তা ধরে রাখতে হলে নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরে জোর দিতে হবে।”

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথের কাজ শুরু হচ্ছে শিগগিরই, দাউদকান্দি-সোনামুড়া জলপথ খননে হাত লাগাবে বাংলাদেশ

Continue Reading

দেশ

ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথের কাজ শুরু হচ্ছে শিগগিরই, দাউদকান্দি-সোনামুড়া জলপথ খননে হাত লাগাবে বাংলাদেশ

তা ছাড়া চট্টগ্রাম থেকে রামগড়-সাব্রুম মৈত্রী সেতু পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করা হবে।

Published

on

Feni Railway Station

ঋদি হক: চট্টগ্রাম থেকে

উত্তর-পূর্ব ভারতের (North East India) ত্রিপুরার (Tripura) বিলোনিয়া থেকে ফেনী রেলপথ (Belonia-Feni Rail Connectivity) নির্মাণে হাত লাগাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। মাত্র ২৭ কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হলেই সরাসরি পণ্যবাহী ট্রেন যাতায়াত শুরু করবে উত্তর-পূর্ব ভারতে। তার ফলে সড়ক পথের চেয়ে তুলনায় কম খরচে পণ্য পরিবাহিত হবে।

তা ছাড়া চট্টগ্রাম থেকে রামগড়-সাব্রুম মৈত্রী সেতু পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করা হবে। তাতে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারত তার উত্তরপূর্ব প্রান্তিক রাজ্যগুলোতে পণ্য পাঠাতে পারবে সাশ্রয়ী মূল্যে।

Loading videos...

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ তথা বিআইডব্লিউটিএ-র (BIWTA)  সূত্র বলছে, অচিরেই দাউদকান্দি-সোনামুড়া (Daudkandi-Sonamura) জলপথটিতে খনন কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে এই প্রকল্পের আর্থিক বাজেট পাশ হয়ে গিয়েছে।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরটি মূলত প্রাকৃতিক। ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে এর স্থিতিশীলতা এসেছে। এর আগে অনেক সুবিধাভোগী বন্দরটি ব্যবহার করলেও উন্নয়নের কাজে তেমন একটা হাত লাগায়নি।

তবে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেষ্টায় বন্দরের পরিস্থিতি পালটাতে শুরু করে। শেখ হাসিনার হাত ধরে এই বন্দরটি অর্থনৈতিক ভাবে মজবুত হয় এবং ক্রমশ আলোচনায় উঠে আসে। তিনিই ধারাবাহিক দেশ পরিচালনার পাশাপাশি কানেক্টিভিটির ওপর জোর দিয়েছেন। বিশ্বায়নের পথে হাঁটতে হলে কানেক্টিভিটি তথা সংযোগসাধনের বিকল্প নেই। সংযোগসাধনই সভ্যতার প্রতীক।

চট্টগ্রাম বে-টার্মিনাল।

এরই মধ্যে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর এবং চট্টগ্রাম নগর-সংলগ্ন সাগর উপকূলে নির্মিত হচ্ছে বে-টার্মিনাল (Chattagram Bay Terminal), যার অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দরের কাছাকাছি। এই দু’টো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে কেন্দ্র করে সড়ক ও রেলপথ উন্নয়নের কাজ চলছে। 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান তথা প্রসাশক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সাগরতীর বরাবর বিশাল চওড়া কংক্রিটের দৃষ্টিনন্দন সড়কটি প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। চার লেনের এই সড়কটি যুক্ত হবে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে।

তিনি আরও জানালেন, চট্টগ্রাম থেকে রেলপথ যুক্ত হবে খাগড়াছড়ির রামগড়ে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু পর্যন্ত, যার দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। রামগড় সেতু প্রান্ত থেকে বাংলাদেশের বারইয়ারহাট পর্যন্ত সড়কটি প্রশস্ত করার কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।

মেরিনড্রাইভ থেকে সীতাকুণ্ডর আংশিক পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কমপক্ষে ৩০/৪০ মেট্রিক টন পণ্যবাহী বড়ো আকারের ট্রেলর ত্রিপুরা-সহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে যাতায়াত করবে। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই সড়ক প্রশস্ত করার কাজে হাত লাগানো হয়েছে। 

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর এবং বে-টার্মিনাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হবে বাংলাদেশ।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান তথা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম সুজন।

রামগড়-সাব্রুম মৈত্রী সেতু এবং ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথের ওপর জোর দিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান তথা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম সুজন। তিনি বলেন, অতি দ্রুত এই কাজগুলো তাঁরা সম্পন্ন করতে চান। তাঁর ভাষায়, “‘থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে…’। আমরা সব কিছু উন্মুক্ত করে দিয়েছি। আমাদের চাওয়া কেবল উন্নয়ন। আর সুবিধা না দিলে তো কেউ আমাদের এখানে আসবেন না।”

পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন বিশাল এলাকা নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে  বে-টার্মিনাল নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। পতেঙ্গায় সাগরে দেখা গেল শ’ শ’ পণ্যবাহী জাহাজ খালাসের অপেক্ষায়। বন্দর থেকে নির্দেশনা এলেই এ সব জাহাজে পাইলট আসবে এবং জাহাজ নিয়ে বন্দরের নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছোবে।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের পাশে পণ্য খালাসের অপেক্ষায় শ শ জাহাজ।

মূলত ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ এবং রামগড়-সাব্রুম মৈত্রী সেতুর কাজ শুরু হয়ে যাবে ২০২১ সালে। তখন দিনে দিনে পণ্যবাহী ট্রেলর ও ট্রেন পৌঁছে যাবে ত্রিপুরা, অসম ও আশপাশের রাজ্যগুলোয়।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর উত্তরপূর্ব ভারতের কাছে আশীর্বাদ, সুবিধা পাবে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা-হলদিয়াও

Continue Reading

বাংলাদেশ

সুপারব্র্যান্ডের স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশের ওয়ালটন

বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ল্যাপটপ, মোবাইল, ইলেক্ট্রনিক্স-এর খুচরো যন্ত্রাংশ রফতানি করছে ওয়ালটন। সেই তালিকায় প্রতিবেশী দেশ ভারতও রয়েছে।

Published

on

ওয়ালটন

ঋদি হক: ঢাকা

প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন ঘটেছে বাংলাদেশের। কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের ইতিহাসে সকল ক্ষেত্রে এতটা সাফল্য স্পর্শ করার বিষয়ে বিশদে জানা নেই। ২০৩০ সালে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি ব্র্যান্ডের একটি হবে ওয়ালটন (Walton Group)। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

এই প্রতিষ্ঠানের সূচনা ১৯৭৭ সাল, টাঙ্গাইলের অধিবাসী এস এম নজরুল ইসলামের হাত ধরে। স্বল্পমূল্যে দেশে তৈরি পণ্য সাধারণের হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান এবং দেশের আমদানি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ভাবনা থেকেই গাজীপুরে কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নজরুল ইসলাম। এখানে ইলেক্ট্রনিক্স-এর নানা পণ্য উৎপাদন করে ‘আমাদের পণ্য’ স্লোগান দিয়ে বাজারজাত করা শুরু হয়। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

Loading videos...

বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ল্যাপটপ, মোবাইল, ইলেক্ট্রনিক্স-এর খুচরো যন্ত্রাংশ রফতানি করছে ওয়ালটন। সেই তালিকায় প্রতিবেশী দেশ ভারতও রয়েছে। বর্তমানে ওয়ালটনের কর্মীসংখ্যা ২০ হাজারের বেশি। ওয়ালটন সূত্রের খবর, তাদের উৎপাদিত পণ্যের তালিকায় রয়েছে, কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্স, অটোমোবাইল, মোবাইল ফোন, হোম অ্যাপ্লায়েন্স ইত্যাদি।

ওয়ালটন গ্রুপের উৎপাদিত পণ্য ওয়ালটন নামে বাজারজাত করা হয়। ওয়ালটন মোটর্স, ওয়ালটন (মোবাইল) ও ওয়ালটন ইলেক্ট্রনিক্স হচ্ছে এই গ্রুপের অধীনস্থ তিনটি শাখা। ওয়ালটন ইলেক্ট্রনিক পণ্য, যানবাহন ও টেলিযোগাযোগের পণ্যগুলো উৎপাদন করে থাকে। বাংলাদেশের বৃহত্তম কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং অর্থনীতিতে এর শক্তিশালী প্রভাবের পাশাপাশি সর্বোচ্চ করদাতা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি ওয়ালটন। রেফ্রিজেরেটর উৎপাদনের সব চেয়ে বড়ো প্রতিষ্ঠান, বাজারে যার সর্বোচ্চ বাজার শেয়ার রয়েছে।

আন্তর্জাতিক ভাবে কর্মের স্বীকৃতিও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। একের পর এক সাফল্যের পালক যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশি মাল্টিন্যাশনাল ব্র্যান্ড ওয়ালটনের মুকুটে। মিলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বহু স্বীকৃতি। এরই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ পালকটি হল সুপারব্র্যান্ডের স্বীকৃতি। লন্ডনভিত্তিক বহুজাতিক সংস্থা সুপারব্র্যান্ডস (Superbrands) ২০২০ ও ২০২১ সালের জন্য ওয়ালটনকে ‘সুপারব্র্যান্ড’ সম্মাননায় ভূষিত করেছে।

এক জমকালো ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ১৯ নভেম্বর এ বারের সুপারব্র্যান্ডগুলোর নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য সুপারব্র্যান্ডের বিশেষ প্রকাশনাও উন্মোচন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।

সুপারব্র্যান্ডস বিশ্বের সর্বত্র ব্র্যান্ডের বিচারক সংস্থা। ১৯৯৪ সাল থেকে সংস্থাটি বিশ্বের ৯০টি দেশে ব্র্যান্ডিংয়ের কাজ করছে। সুপারব্র্যান্ডস দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডগুলোর জন্য সর্ববৃহৎ সাফল্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। সুপারব্র্যান্ডস প্রকাশনায় প্রতিটি ব্র্যান্ডের সুপারব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে ওঠার পেছনের গল্প প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন স্বতন্ত্র ব্যাকগ্রাউন্ড এবং স্বেচ্ছাসেবী বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত বিচারকমণ্ডলীর গঠিত ‘ব্র্যান্ড কাউন্সিল’ বাংলাদেশের ২০২০-২০২১ সালের সুপারব্র্যান্ডগুলো নির্বাচিত করেন। এ বারের সুপারব্র্যান্ডের মর্যাদা পাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান পেয়েছে নির্মাণ, ভোগ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ, জ্বালানি, ওষুধ কারখানা, বিমা, প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স, যানবাহন নির্মাণ, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যম-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের ৪০টি কোম্পানি।

সুপারব্র্যান্ডসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের (Bangladesh Brand Forum) জেনারেল ম্যানেজার ও এক্সিকিউটিভ এডিটর সাজিদ মাহবুব ওয়ালটনের জন্য ট্রফি ও সনদ তুলে দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (Walton Hi-tech Industries Limited) ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদের হাতে।

এই উপলক্ষ্যে গোলাম মুর্শেদ বলেন, ওয়ালটন এখন সুপারব্র্যান্ড। এর আগে গত বছর ষষ্ঠ বারের মতো সর্বশ্রেষ্ঠ ব্র্যান্ডের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ওয়ালটন। নিয়মিত মিলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অসংখ্য পুরস্কার, সম্মাননা ও স্বীকৃতি। দেশের অগুণতি ক্রেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীর আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থনের ফলে ওয়ালটনের এই অর্জন। সাধারণ বিনিয়োগকারী, ক্রেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে ছুটে চলেছে ওয়ালটন।

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
ফুটবল2 mins ago

রাত ১০টায় বিপুল হাততালি, রাজপুত্রকে আবেগপ্রবণ বিদায় জানাতে তৈরি হচ্ছে আর্জেন্তিনা

ফুটবল39 mins ago

ফকল্যান্ড যুদ্ধে হারের প্রতিশোধ নিল ‘ঈশ্বরের হাত’

দেশ59 mins ago

ধর্মঘট আপডেট: জায়গায় জায়গায় পথ ও রেল অবরোধ বাম-কংগ্রেস কর্মীদের, ব্যাহত জনজীবন, বিক্ষিপ্ত অশান্তি

কেনাকাটা1 hour ago

শীতের নতুন কিছু আইটেম, দাম নাগালের মধ্যে

শরীরস্বাস্থ্য2 hours ago

করোনাকালে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য হু-র স্বাস্থ্য সতর্কতা

winter 2020
রাজ্য2 hours ago

‘নীবর’-এর কারণে পারদ বেড়ে ১৮-তে, শীত ফিরতে পারে রবিবার থেকে

দেশ2 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৪৪৪৮৯, সুস্থ ৩৬৩৬৭

ফুটবল2 hours ago

দিয়েগো মারাদোনার পূর্ণাবয়াব স্ট্যাচু বসাচ্ছে গোয়া সরকার

দেশ2 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৪৪৪৮৯, সুস্থ ৩৬৩৬৭

বিনোদন3 days ago

মাদক মামলায় জামিন পেলেন ভারতী সিংহ ও হর্ষ লিম্বাচিয়া

ফুটবল2 days ago

পিকে-চুণী স্মরণে ডার্বি শুরুর আগে নীরবতা পালন হোক, আইএসএল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাল ইস্টবেঙ্গল

ফুটবল2 days ago

পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে প্রথম ম্যাচে ৩ পয়েন্ট ঘরে তুলল হায়দরাবাদ

দেশ19 hours ago

সংক্রমণে লাগাম টানতে ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন বিধিনিষেধ, নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

দেশ2 days ago

দুর্ভাগ্য! ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে, বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

Allahabad High Court
দেশ2 days ago

‘প্রিয়ঙ্কা-সালামাতকে আমরা হিন্দু-মুসলিম হিসেবে দেখি না,” ঐতিহাসিক রায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের

বিদেশ3 days ago

অক্সফোর্ডের কোভিড-টিকা ৯০ শতাংশ কার্যকর হতে পারে, বলল অ্যাস্ট্রাজেনেকা

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 hour ago

শীতের নতুন কিছু আইটেম, দাম নাগালের মধ্যে

খবর অনলাইন ডেস্ক: শীত এসে গিয়েছে। সোয়েটার জ্যাকেট কেনার দরকার। কিন্তু বাইরে বেরিয়ে কিনতে যাওয়া মানেই বাড়ি এসে এই ঠান্ডায়...

কেনাকাটা1 day ago

ঘর সাজানোর জন্য সস্তার নজরকাড়া আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক: ঘরকে একঘেয়ে দেখতে অনেকেরই ভালো লাগে না। তাই আসবারপত্র ঘুরিয়ে ফিরে রেখে ঘরের ভোলবদলের চেষ্টা অনেকেই করেন।...

কেনাকাটা5 days ago

লিভিংরুমকে নতুন করে দেবে এই দ্রব্যগুলি

খবর অনলাইন ডেস্ক: ঘরের একঘেয়েমি কাটাতে ও সৌন্দর্য বাড়াতে ডিজাইনার আলোর জুড়ি মেলা ভার। অ্যামাজন থেকে তেমনই কয়েকটি হাল ফ্যাশনের...

কেনাকাটা1 week ago

কয়েকটি প্রয়োজনীয় জিনিস, দাম একদম নাগালের মধ্যে

খবর অনলাইন ডেস্ক: কাজের সময় হাতের কাছে এই জিনিসগুলি থাকলে অনেক খাটুনি কমে যায়। কাজও অনেক কম সময়ের মধ্যে করে...

কেনাকাটা3 weeks ago

দীপাবলি-ভাইফোঁটাতে উপহার কী দেবেন? দেখতে পারেন এই নতুন আইটেমগুলি

খবর অনলাইন ডেস্ক : সামনেই কালীপুজো, ভাইফোঁটা। প্রিয় জন বা ভাইবোনকে উপহার দিতে হবে। কিন্তু কী দেবেন তা ভেবে পাচ্ছেন...

কেনাকাটা4 weeks ago

দীপাবলিতে ঘর সাজাতে লাইট কিনবেন? রইল ১০টি নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আসছে আলোর উৎসব। কালীপুজো। প্রত্যেকেই নিজের বাড়িকে সুন্দর করে সাজায় নানান রকমের আলো দিয়ে। চাহিদার কথা মাথায় রেখে...

কেনাকাটা2 months ago

মেয়েদের কুর্তার নতুন কালেকশন, দাম ২৯৯ থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজো উপলক্ষ্যে নতুন নতুন কুর্তির কালেকশন রয়েছে অ্যামাজনে। দাম মোটামুটি নাগালের মধ্যে। তেমনই কয়েকটি রইল এখানে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা2 months ago

‘এরশা’-র আরও ১০টি শাড়ি, পুজো কালেকশন

খবর অনলাইন ডেস্ক : সামনেই পুজো আর পুজোর জন্য নতুন নতুন শাড়ির সম্ভার নিয়ে হাজর রয়েছে এরশা। এরসার শাড়ি পাওয়া...

কেনাকাটা2 months ago

‘এরশা’-র পুজো কালেকশনের ১০টি সেরা শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো কালেকশনে হ্যান্ডলুম শাড়ির সম্ভার রয়েছে ‘এরশা’-র। রইল তাদের বেশ কয়েকটি শাড়ির কালেকশন অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা2 months ago

পুজো কালেকশনের ৮টি ব্যাগ, দাম ২১৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : এই বছরের পুজো মানে শুধুই পুজো নয়। এ হল নিউ নর্মাল পুজো। অর্থাৎ খালি আনন্দ করলে...

নজরে