bangladesh jamat e islami
জামাত প্রধান মৌলানা মতিউর রহমন নিজামি।

ঢাকা: সামনের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামাত-এ-ইসলামির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিল বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন। এই ঘোষণার ফলে চরম বিপাকে পড়ে গেল ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলটি। কমিশন সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামাতের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা হাইকোর্ট। তার পাঁচ বছর পরে এই নির্দেশ মেনে পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন।

এর ফলে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আর কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না জামাত। কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যে হেতু এই রেজিস্ট্রেশন বাতিলের বিরুদ্ধে জামাতের তরফ থেকে একটি আবেদন জমা ছিল, তাই এই বিষয়ে এত দিন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ করেনি কমিশন।

আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ বছর করল ঢাকা হাইকোর্ট

হেলালুদ্দিন আহমেদ বলেন, “হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়া গিয়েছে। ওই রায় কার্যকর করতেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছ।” গত সপ্তাহে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি সংগ্রহ করে নির্বাচন কমিশনের আইন শাখা। ওই রায়ের ভিত্তিতেই জামাতের নিবন্ধন বাতিল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক দল হিসেবে জামাতের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার আবেদন করে ২০০৯ সালে রিট দাখিল করেন তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী-সহ ২৫ ব্যক্তি। চার বছর শুনানি চলার পরে ২০১৩ সালে বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামাতের রেজিস্ট্রেশন অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।

তার পাঁচ বছর পর সেই রায় মোতাবেক কাজ করল নির্বাচন কমিশন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here