একাত্তরে মানবতা বিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত মির কাসেম আলির ফাঁসির সাজা কার্যকর হয়েছে। শনিবার রাত ১০টা ৩৫মিনিটে তাকে ফাঁসি দেওয়া হয় বলে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো জানিয়েছে।

এর আগে আজ বিকেলে মির কাসেম আলির পরিবারের বাইশ জন সদস্য তার সঙ্গে দেখা করেন। কাশিমপুর কারাগারের ভেতর তার সঙ্গে সময় কাটান। পরে বাইরে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমকে কাসেম আলির স্ত্রী খন্দকার আয়েশা খাতুন জানান, ছেলের সঙ্গে দেখা হয়নি বলে আক্ষেপ করেছেন তিনি। কাশিমপুর জেলের বাইরে শনিবার সকাল থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ছিল।

একাত্তরে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৬জনের ফাঁসি হল। এদের মধ্যে পাঁচজন জামায়াতে ইসলামি এবং একজন বিএনপি নেতা।

কে মির কাসেম?

  • একাত্তরের কুখ্যাত গুপ্তঘাতক আলবদর বাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান ছিলেন।
  • তারই নেতৃত্বে চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা এলাকায় আলবদর বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্র ডালিম হোটেল স্থাপিত হয়। এই হোটেলেই মুক্তিযুদ্ধের সৈনিকদের এনে আমৃত্যু অত্যাচার করা হয়। যার নেতৃত্ব দিতেন মির কাসেম। আদালত এই হোটেলকে ‘ডেথ ফ্যাক্টারি’ বলেছে।
  • এই নৃশংসতার জন্যই মির কাসেমের পরিচয় হয় ‘বাঙালি খান’।
  • মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি জামায়াতের রাজনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য উদ্যোগী হন। ধীরে ধীরে তিনি জামায়াতের অর্থের অন্যতম জোগানদাতা পরিণত হন।    

যে অপরাধে ফাঁসিকাষ্ঠে মীর কাসেম

যারা ফাঁসি দিচ্ছে তারা জয়ী হবে না: কাসেমপত্নী

এবার কাসেমপত্নীর ‘ধৃষ্টতার’ জবাব: ইমরান

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here