Connect with us

পরিবেশ

টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে গাছ রোপণ, ঢাকার যুবকের আন্দোলন সাড়া ফেলেছে বাংলাদেশে

ওয়েবডেস্ক : জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করার উপায় কী? প্রথমেই যে উত্তরটা চলে আসে তা হল গাছ রোপন। একেই হাতিয়ার করে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছে ঢাকার যুবক জুবায়ের আল মাহমুদ। ‘এক দিনের টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে গাছ রোপন’ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তিনি। সাড়া পড়েছে বেশ ভালো। বাংলাদেশের বহু স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে প্রায় নিয়ম করে।

২০১৫ সালে জুবায়ের এই আন্দোলন শুরু করেন। গত চার বছরে সারা দেশের ৭৫০টি স্কুলের কয়েক লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নিয়েছে এই আন্দোলনে। এখন পর্যন্ত সাড়ে তিন লাখ গাছ রোপন করা সম্ভব হয়েছে।

সোমবার এমনই এক অনুষ্ঠানে রাজশাহির বাঘা ও চারঘাট উপজেলার শিক্ষার্থীরা নিজেদের টিফিনের পয়সায় এক লক্ষ পাঁচ হাজার গাছ রোপন করেছে।

২০১১ সালে আলোর মিছিল নামে একটি সংগঠন তৈরি করেন জুবায়ের। পাঠ্য বইয়ের বাইরে ছাত্রী-ছাত্রদের মধ্যে অন্য বই পাঠে আগ্রহী করে তোলাই ছিল এর উদ্দেশ্য। জুবায়ের কথায় এই উদ্যোগ হল, ‘সৃজনশীল মানুষ গড়ার আন্দোলন।’ এই শরিক হয়েছে রাজশাহি ও নাটরের তিনটি উপজেলার ৪১টি বিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী।

তিনি জানিয়েছে, ‘আমরা ১৮টি বিদ্যালয়ে পাঠাগার তৈরি দি এবং সরবরাহ করি বই।’ এই বই তিনি সংগ্রহ করেছেন বন্ধুদের টাকায়।

পেশায় তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদক। গাছ লাগানোর এই উদ্যোগের পাশাপাশি জারি রয়েছে তাঁর বই ছাড়ানোর আন্দোলন।

সিএফসি গ্যাস যা থেকেই এই ওজনস্তরে ফুটো, তার বিরুদ্ধেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গাছ লাগানোর আন্দোলন। সেই আন্দোলনের অর্থ সংগ্রহ করেন জনসাধারণের কাছ থেকে। তহবিল সংগ্রহের বক্সটার নাম দিয়েছেন ‘সিএফসি ফাইটার বক্স’। এই বক্সে জমা অর্থ দিয়ে গাছ কেনা হয়।

২০১৯ সালের মধ্য সারা বাংলাদেশে ১০বৃক্ষ রোপণে স্বপ্ন দেখেন জুবায়ের।

সূত্র ও ছবি প্রথম আলো

পরিবেশ

পর্যটকদের গুলিতে মরার জন্য সাউথ আফ্রিকায় ১২ হাজার সিংহ প্রতিপালিত হচ্ছে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সাউথ আফ্রিকার পর্যটনশিল্প নিয়ে এক মর্মান্তিক ঘটনা প্রকাশ করলেন বিখ্যাত ব্যবসায়ী ও মানবদরদী লর্ড অ্যাশক্রফট্‌। শুধুমাত্র পর্যটকরা গুলি করে মারবে বলে কী ভাবে ১২ হাজার সিংহকে সেখানে প্রতিপালন করা হচ্ছে, সে ঘটনাই তাঁর বই এবং তাঁর ফিল্মে প্রকাশ করেছেন তিনি।

‘ল্যাড বাইবেল’-এর এক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, হাড় নিয়ে ব্যবসা করা বা শিকার করে ট্রফি জেতার উদ্দেশ্যে হত্যা করার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকায় (South Africa) কী ভাবে এই প্রাণী বড়ো করা হয়, লর্ড অ্যাশক্রফট্‌ (Lord Ashcroft) তাঁর বই ‘আনফেয়ার গেম: অ্যান এক্সপোজ অব সাউথ আফ্রিকা’স ক্যাপটিভ-ব্রেড লায়ন ইন্ডাস্ট্রি’-তে (Unfair Game: An Expose Of South Africa’s Captive-bred Lion Industry) তা প্রকাশ করে দিয়েছেন।

ওই বইয়ের অংশবিশেষ প্রকাশ করেছে দ্য ডেলি মেল। ওই বইয়ে মানবদরদী অ্যাশক্রফট্‌ বর্ণনা করেছেন, কী ভাবে বন্দি অবস্থায় প্রতিপালিত সিংহগুলির অপব্যবহার করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়।

“প্রতি বছর হাজার হাজার সিংহ খামারে প্রতিপালন করা হয়। জন্মের দু’ এক দিনের মধ্যেই সিংহশাবকগুলোকে তাদের মায়ের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়। আর তাদের পর্যটন শিল্পে বোড়ে হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তার পর ‘শিকারের’ নামে হত্যা করা হয় অথবা তাদের হাড় ও শরীরের নানা অংশের জন্য কেটে ফেলা হয়। এশিয়ার তথাকথিত ওষুধ-বাজারে সিংহের হাড় আর শরীরের অংশের নাকি ব্যাপক চাহিদা। যত দিন তারা বেঁচে থাকে তত দিন তাদের খুব কম খাবারদাবার দেওয়া হয়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গাদাগাদি করে রেখে দেওয়া হয় আর খদ্দেরদের খুশি করতে না পারলে বেধড়ক মারধর করা হয়” – তাঁর বইয়ে লিখছেন অ্যাশক্রফট্‌।

বইয়ে আরও লেখা হয়েছে, “দক্ষিণ আফ্রিকায় সকলের চোখের সামনেই এই নোংরা ব্যবসাটি ক্রমশ ছড়িয়ে পড়েছে। পশুজগতের এই রাজকীয় প্রাণীটির উপর যে কী পরিমাণ অত্যাচার চলছে তা কল্পনা করা যায় না।”

‘অপারেশন সিমবা’ (Operation Simba) ও ‘অপারেশন চ্যাসটাইজ’ (Operation Chastise) নামে দু’টি অভিযান গোপনে দু’ বছর ধরে চালিয়ে এই জঘন্য ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে পেরেছেন লর্ড অ্যাশক্রফট্‌।

অভিযান চলাকালীন অ্যাশক্রফটের টিম দেখেছে কী ভাবে সিংহশাবকগুলোকে বড়ো করা হয় এবং কী ভাবে হত্যা করা হয়।

একটি ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, কী ভাবে একজন লজ-মালিক একটা গাছে বসা সিংহীকে হত্যা করল এবং তার পর যন্ত্রণায় ছটফট করা আরও একটি সিংহীকে মেরে ফেলল।

লর্ড অ্যাশক্রফট্‌ দাবি করেছেন, সাউথ আফ্রিকায় যে ভাবে ‘লায়ন ফার্মিং’ চলে তাতে যে কোনো মুহূর্তে করোনাভাইরাসের মতো আরও একটি অতিমারি ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Continue Reading

দেশ

গিরের সিংহ নিয়ে ‘দু’টি খুব ভালো খবর’ শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: গির অরণ্যে (Gir Forest) সিংহের সংখ্যা বেড়েছে। বেড়েছে তাদের বসবাসের এলাকাও। এই সুসংবাদ শুনিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।

বুধবার সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “দু’টি খুব ভালো খবর। গুজরাতের গির অরণ্যে বাস করা রাজসিক এশিয়াটিক সিংহের সংখ্যা ২৯ শতাংশ বেড়েছে। আর ভৌগোলিকগত দিক থেকে তাদের ছড়িয়ে থাকার এলাকাও বেড়েছে ৩৬ শতাংশ।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাতেই গির অরণ্য অবস্থিত। বিশ্বে এশিয়াটিক সিংহের একমাত্র ও শেষ আবাসভূমি হল এই অরণ্য। রাজ্যের বন দফতর জানিয়েছে, গিরে সিংহের সংখ্যা প্রায় ২৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬৭৪।

প্রাণীজগতের যে সদস্যটি এক সময়ে বিলুপ্ত হওয়ার মুখে চলে গিয়েছিল, সেই প্রাণীটির সংখ্যা বৃদ্ধিতে যাঁদের উদ্যোগ রয়েছে তাঁদের এবং সামগ্রিক ভাবে গুজরাতের জনগণকে প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

গিরের সিংহের ৪টি ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “যাঁদের প্রচেষ্টায় এই অনবদ্য কৃতিত্ব অর্জন করা সম্ভব হয়েছে তাঁদের সকলকে এবং গুজরাতের জনগণকে সম্মান জানাই।”

গুজরাত সরকার যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তা থেকে জানা যাচ্ছে, বর্তমানে ৬৭৪টি এশিয়াটিক সিংহ গির অরণ্যে বাস করে। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সিংহের গণনা হয়। শেষ গণনা হয়েছিল ২০১৫ সালের মে মাসে। সেই গণনায় সিংহের সংখ্যা ছিল ৫২৩।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে লকডাউনের জন্য এ বছর মে মাসে সিংহগণনা সম্ভব হয়নি। তার পরিবর্তে ৫ ও ৬ জুন রাতে সিংহগণনা করা হয়। সেই সময় পূর্ণিমা ছিল।

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পুনম অবলোকন-এ (পূর্ণিমায় গণনাকাজ)’ দেখা গিয়েছে, সিংহের সংখ্যা ৬৭৪ হয়েছে, ২৮.৮৭% বৃদ্ধি। আজ পর্যন্ত এটাই সিংহের সংখ্যাবৃদ্ধির সর্বোচ্চ হার।

Continue Reading

দেশ

দশ দিন ধরে গ্যাস লিক হচ্ছে অসমের তেলকূপে, ভয়াবহ পরিবেশ-বিপর্যয়ের আশঙ্কা

তিনসুকিয়া: দশ দিন ধরে সমানে প্রাকৃতিক গ্যাস লিক করে যাচ্ছে অসমের (Assam) একটি তেলকূপ থেকে। কী ভাবে গ্যাস লিক রোখা হবে, তা নিয়ে এখনও ধন্দে রয়েছেন আধিকারিকরা। এই গ্যাস লিকের ফলে আশেপাশের এলাকায় প্রচুর মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

গত মাসেই বিশাখাপত্তনমে ভয়াবহ গ্যাস লিকের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় ১১ জনের। এখনও সেই ঘটনার রেশ কাটেনি। এরই মধ্যে অসমের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। যদিও এখনও এই ঘটনাটি বিশেষ গুরুত্ব পায়নি অধিকাংশ সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।  

গুয়াহাটি থেকে ৪৫০ কিমি দূরে তিনসুকিয়া (Tinsukia) জেলার বাঘজন গ্রামে‌ অবস্থিত এই তৈলকূপটি ‘অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড’-এর মালিকানাধীন। দশ দিন আগে থেকে এই তেলকূপ থেকে গ্যাস লিক করতে শুরু করে।

এখনও পর্যন্ত এই তেলকূপের কাছাকাছি বসবাসকারী অন্তত ৬০০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কারও মৃত্যু না হলেও এই ঘটনায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দুর্গত প্রত্যেক পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে ওআইএল।

এই ঘটনায় যে শুধু মানুষ দুর্গত হয়েছেন তা কিন্তু নয়, ব্যাপক প্রভাব পড়েছে পরিবেশে। দশ দিন ধরে লাগাতার গ‍্যাস লিকের ফলে মাগুরি বিল (Maguri Bil) জলাভূমিতে ভেসে বেড়ানো গঙ্গাশুশুকের মোড়ক লেগেছে। ডিব্রু-সৈখিয়া জাতীয় উদ্যানে (Dibru-Saikhowa National Park) থাকা বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখিরও জীবন বিপন্ন।

চাষের জমিতে বিষাক্ত গ্যাস ঢুকে গিয়ে নষ্ট করেছে ফসল। মাথায় হাত কৃষকদের। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কাছেই থাকা চা-বাগানগুলিতেও।

অসম সরকারের অনুরোধে সাড়া দিয়ে এই লিক সারানোর জন্য বিশেষজ্ঞদের পাঠানো হয়। কিন্তু কবে এই গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করা যাবে, সে ব্যাপারে কিছুই বলতে পারছে না অয়েল ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, দিন দশেক আগে এই তেলকূপের চাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কমে যায়। এর পরই অপরিশোধিত তেলের ব‍্যাপক বিস্ফোরণ ঘটে। তখন থেকেই গ্যাস লিক শুরু হয়ে যায়।

এ দিকে দশ দিন পরেও গ্যাস লিক বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দা দিপলপ চুটিয়া বলেন, “এখনই অনেক জলজ প্রাণী মারা গিয়েছে। জাতীয় উদ্যানের প্রাণীদের জীবনও বিপন্ন। বিলুপ্তপ্রায় হুলক গিবনগুলো কেমন আছে কিছুই বুঝতে পারছি না।”

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে স্থানীয় পরিবেশবিদ নিরন্ত গোহেন বলেন, “কী ভাবে গ্যাস লিক শুরু হল, তার সঠিক তদন্তের দাবি করছি। এই গ্যাস লিকের কারণে পরিবেশ যে কী রকম ক্ষতি হচ্ছে তা ধারণাও করা যাচ্ছে না।”

সব মিলিয়ে এই গ্যাস লিককে কেন্দ্র করে তিনসুকিয়ার জেলার পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

Continue Reading
Advertisement
দেশ3 hours ago

কোভিড থেকে সুস্থ হলেন এক শতায়ু দিল্লিবাসী, যিনি স্প্যানিশ ফ্লু-এর সাক্ষী

earthquake
দেশ8 hours ago

কেঁপেই চলেছে দেশের মাটি, এ বার ফের কচ্ছে, মিজোরামে

রাজ্য8 hours ago

রাজ্যে এক দিনে আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড! তবে সক্রিয় রোগীর চেয়ে অনেক এগিয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা

দেশ9 hours ago

গাজিয়াবাদের কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ৭

দেশ10 hours ago

২০২১-এর আগে নয় করোনা ভ্যাকসিন? প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও সময়সীমা মুছে দিল বিজ্ঞানমন্ত্রক!

দেশ11 hours ago

কোভিড-১৯: ২১টি রাজ্যে সুস্থতার হার জাতীয় হারের তুলনায় বেশি

বিনোদন11 hours ago

করোনা আবহে কী ভাবে হল ‘বিবাহ বার্ষিকী’র শুটিং? দেখে নিন অভিনেত্রী দর্শনা বণিকের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার

দেশ12 hours ago

রাষ্ট্রপতি ভবনে নরেন্দ্র মোদী-রামনাথ কোবিন্দ বৈঠক

দেশ19 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৪৮৫০, সুস্থ ৯৩৮১

কলকাতা2 days ago

কলকাতায় অতিসংক্রমিত ১৬টি অঞ্চলকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়ার প্রস্তুতি

দেশ3 days ago

‘সবার টিকা লাগবে না, আর পাঁচটা রোগের মতোই চলে যাবে করোনা’, আশ্বাস অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীর

দেশ3 days ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড, সুস্থতাতেও রেকর্ড

wfh
ঘরদোর2 days ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

রাজ্য3 days ago

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ রুটে বেসরকারি ট্রেন, ভাড়া বাড়বে কি?

thunderstorm
রাজ্য3 days ago

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

fat
শরীরস্বাস্থ্য2 days ago

কোমরের পেছনের মেদ কমান এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে

কেনাকাটা

কেনাকাটা13 hours ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা5 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

কেনাকাটা1 week ago

১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

খবর অনলাইন ডেস্ক : বাইরে বেরোচ্ছেন। মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্ক...

নজরে