ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: ওড়িশায় আছড়ে পড়ার পর গত শুক্রবার রাতেই পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছেছিল ঘূর্ণিঝড় ফণী। এখান থেকে ওই দিন রাতেই ফণীর গন্তব্য বাংলাদেশ। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে ফণীর তাণ্ডবে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৪ জনের।

বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার ভোরে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করেছে ফণী। তবে এটি এখন আর অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় নেই। বরং কিছুটা দুর্বল হয়েই বাংলাদেশে ঢুকেছে। কিন্তু তার পরেও ফণীর আঘাতে শনিবার অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানাযন, ভয়াল ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ-এই বিপদ সংকেতের আওতায় রয়েছে।

সে দেশের প্রশাসনিক সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে লন্ডনে। সেখান থেকেই ফণী মোকাবিলার তদারকি করছেন তিনি।

[ আরও পড়ুন: ফণীর দাপটে এড়ানো গেল না মৃত্যু, পূর্ব বর্ধমানে মৃত ১ ]

অন্য দিকে আবহাওয়া অফিস থেকে সর্বশেষ যে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে বৃষ্টিপাতেরও খবর পাওয়া গিয়েছে বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here