Taslima Nasreen

ওয়েবডেস্ক: “সে শুধু জানে দেহের বিনিময়ে/ খাদ্য চাই খাদ্য চাই/যে চায় সে পায়/ মাধবী মাধবী/ নয় ফুল নয় লতা/মাধবী মাধবী/ সে… নষ্ট নারী”- কয়েক দশক আগে বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী আয়ুব বাচ্চুর লেখা এই গানের লাইনের বয়স বাড়লেও, পরিস্থিতির কোনো ইতিবাচক উন্নতি হয়নি। এই সমস্যা শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বেই আদিমতম দেহ ব্যবসায় পণ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে নারী। এমনটাও দেখা যাচ্ছে, খাদ্যের জোগাড় করতে গিয়ে লোলুপ সমাজের কাছে নিজের সর্বস্ব বিকিয়ে দেওয়ার পরও তাঁদের বেঁধে ফেলা হচ্ছে আইনি গেরোয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ  দেহব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এটাই কি সমস্যা সমাধানের এক মাত্র পথ? তেমনটা প্রশ্নই তুললেন সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন।

তসলিমা নিজের টুইটারে লেখেন, “পতিতাবৃত্তিতে যুক্ত নারীকে গ্রেফতার নয়, তাঁদের খদ্দেরদের গ্রেফতার করা হোক। যে পণ্যের চাহিদা থাকে না, তার তো সরবরাহও থাকবে না। আসলে যৌনতা কেনা অপরাধ, নিজের শরীর যিনি বিক্রি করছেন, তাঁকে অপরাধী বলা চলে না”।

উল্লেখ্য, “প্রেমকে কেন অসামাজিক বলা হয়?” শীর্ষক একটি সদ্য প্রকাশিত গঠনমূলক সামাজিক নিবন্ধেও তসলিমা লিখেছেন, “পার্কে কোনো তরুণের সঙ্গে আসা কোনো তরুণীর মধ্যে কেউ যদি পতিতা হয়েও থাকে, তাহলেই বা তা অন্যায় হবে কেন। পতিতার ওপর জোর তো করছে না কেউ, পতিতাকে চুক্তির টাকা পয়সা না দিয়ে ঠকাচ্ছে না তো কেউ। কোনও মেয়েই এ রকম কোনও অভিযোগ করেনি”।


পড়তে পারেন: সমাজকর্মী গ্রেফতার: গৃহবন্দির মেয়াদ বাড়িয়ে পুণে পুলিশকে ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন