ওয়েবডেস্ক: দুশো বছর পেরিয়ে আজও সমান জনপ্রিয় চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের ভিড় এবং উৎসাহ চোখে পড়ার মতো।

পুরী রথযাত্রার অনুকরণেই সাগর-পাহাড়ে ঘেরা বাংলাদেশের এই শহরে ১৮ শতকে শুরু হয় শুরু হয় রথযাত্রা উৎসব। শহরের নন্দনকাননে পাহাড়শীর্ষে স্থাপিত তুলসীধামে মদনমোহন নরসিংহ গোপাল জীউর মন্দিরে জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রার নিয়মিত পূজার্চনা হয়।

১৮ শতকে এই রথযাত্রার সূচনা করেন তুলসীধামের তৎকালীন মোহন্ত শিবকল্পতরু শ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরী মহারাজ। তাঁর প্রয়াণের পর শ্রীমৎ স্বামী অচ্যুতানন্দ পুরী মহারাজ এবং পরবর্তীতে ঋষিপুত্র শ্রীমৎ স্বামী নারায়ণ পুরী মহারাজ সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। কালক্রমে এটি চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় রথযাত্রার রূপ নিয়েছে।

আরও পড়ুন রথযাত্রার মধ্যে দিয়েই প্রাণ ফিরে পেল ফণী-বিধ্বস্ত পুরী

এই রথযাত্রায় এক সঙ্গে যোগ দেয় শহরের বিভিন্ন মঠ-মন্দির ছাড়াও আশপাশের উপজেলার রথগুলিও। এর পর এক সঙ্গে বিভিন্ন মন্দির পরিক্রমা করে রথগুলো। তুলসীধামের রথ ছাড়াও এই কেন্দ্রীয় রথ উৎসবে যোগ দেয় শ্রীকৃষ্ণায়ন, মনোহরখালী, টেকপাড়া, সদরঘাট মাইজপাড়া-সহ শহরের বিভিন্ন অঞ্চলের রথ।

রথযাত্রা উপলক্ষ্যে তুলসীধামে দিনব্যাপী আয়োজন করা হয় নানা রকম ধর্মীয় অনুষ্ঠান। চলে নামকীর্তন, অঞ্জলি, প্রার্থনা ও ভোগবিতরণ। দিনব্যাপী বিতরণ করা হয় মহাপ্রসাদ। রথের পরিক্রমায় যোগ দেয় লাখো ভক্ত।

এর পাশাপাশি আলাদা ভাবে রথযাত্রা পালন করে ইস্কনও। ১৯৯৮ সালে ইস্কন প্রথম বার রথ বের করে চট্টগ্রামে। সব মিলিয়ে এ বারও রথযাত্রা উপলক্ষ্যে সাজো সাজো রব চট্টগ্রামে। ভিড় করতে শুরু করেছেন অসংখ্য মানুষ।

সৌজন্য বাংলানিউজ২৪

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here