Connect with us

বাংলাদেশ

IMCAB: বাসুদেব ধর, মাছুম বিল্লাহ, আমিনুল হক যথাক্রমে ইমক্যাব-এর সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: বাংলাদেশে কর্মরত ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ’-এর (ইমক্যাব) নির্বাচনে বাসুদেব ধর (দৈনিক স্টেটসম্যান) সভাপতি, মাছুম বিল্লাহ (দৈনিক যুগশঙ্খ/ইস্টার্ন ক্রনিকল) সাধারণ সম্পাদক এবং আমিনুল হক (উত্তরবঙ্গ সংবাদ/নিউজভ্যানগার্ড টিভি/খবর অনলাইন) কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সংগঠনের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও সংগঠনের উপদেষ্টা হারুন হাবীব।

Loading videos...

নির্বাচিত অন্যরা হচ্ছেন, সহ-সভাপতি লায়েকুজ্জামান (দৈনিক দিন দর্পণ, কলকাতা), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর আফরোজ জামান (ইউএনআই), সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আলী (দৈনিক আমার অসম) এবং নির্বাহী সদস্য কুদ্দুস আফ্রাদ (আনন্দবাজার পত্রিকা), দীপ আজাদ (টাইমস নাও টিভি), রাজীব খান (জি আকাশ মিডিয়া) ও মনজুর আহমেদ অনিক (দৈনিক আজকের ফরিয়াদ, আগরতলা)। এ ছাড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ (দৈনিক দেশের কথা) পদাধিকার বলে নির্বাহী কমিটির সদস্য থাকবেন।

প্রসঙ্গত, ইমক্যাব নির্বাচনের (২০২১-২০২২) ভোট গ্রহণের নির্ধারিত তারিখ ছিল ৮ এপ্রিল। গত ৩ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন। গত ৫ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন। তবে সব পদেই একটি করে মনোনয়নপত্র জমা পড়ায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

সকাল ১১ টায় সংগঠনের সভাপতি বাসুদেব ধরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট উত্থাপন করেন বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ। এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষের রিপোর্ট উত্থাপন করেন বিদায়ী কোষাধ্যক্ষ মাছুম বিল্লাহ। আলোচনায় যোগ দেন উপদেষ্টা হারুন হাবীব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপ আজাদ, মীর আফরোজ জামান, আমিনুল হক ভুঁইয়া, আবু আলী, মনজুর আহমেদ অনিক, জাকির হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুন: ICCR Scholarship: ভারতে উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আবেদন আহ্বান

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বাংলাদেশ

Mujibnagar Day: ঠিক ৫০ বছর আগের ১৭ এপ্রিল যিনি গার্ড অব অনার দিয়েছিলেন সেই মাহবুব উদ্দিন বীর বিক্রমের স্মৃতিচারণ

মাহবুব উদ্দিন বলেন, “একাত্তরে সাধারণ মানুষ, আদিবাসী-সহ সকলে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ ভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। আর সেই যুদ্ধ ছিল বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার যুদ্ধ।”

Published

on

বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার দেন মাহবুব উদ্দিন।

ঋদি হক: ঢাকা

আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন মেহেরপুর বৈদ্যনাথতলায় বাংলাদেশের স্বাধীন সরকার গঠিত হয়। সে দিন কলকাতা থেকে গাড়ি-বহর নিয়ে এসে বৈদ্যনাথতলায় শপথ নেন অস্থায়ী সরকারের সদস্যরা। আর এই শপথগ্রহণের মধ্য দিয়েই বিশ্ব জানতে পারে বাংলাদেশের নাম।

Loading videos...

করোনা মহামারিতেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে পালন করা হবে আজকের দিনটি। সকালে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হোসেন।

১৭ এপ্রিল ১৯৭১

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক পুলিশ অফিসার। ২৩-২৪ বছরের টগবগে যুবক। তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশ প্রশাসক (এসডিপিও)। অস্থায়ী সরকারকে প্রথম গার্ড অব অনার দেন তিনিই।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি। সে দিন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। মাথার ওপরে পত পত করে উড়ছে লালসবুজে খচিত বাংলাদেশের পতাকা। সেই পতাকায় সেই টগবগে যুবক দেখতে পান বঙ্গবন্ধুর মুখ। এর পর গার্ড অব অনার দেন তিনি। গর্জে ওঠে তাঁর কন্ঠ। খালি গলার কমান্ডে কেঁপে ওঠে বৈদ্যনাথতলার আকাশ-বাতাস। তিনি, মাহবুব উদ্দিন আহমেদ।

এক ঐশ্বরিক শক্তি ভর করে তাঁর মাঝে। বুটজুতোয় মাটি কাঁপিয়ে চলে গার্ড অব অনার। হাজারো মানুষের ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে বৈদ্যনাথতলার চতুর্দিক প্রকম্পিত। তার মধ্যেই মাহবুব উদ্দিনের কমান্ড আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। বিনা মাইকে এমনই কমান্ডের শক্তি কোথা থেকে এল তা আজও তাঁর অজানা। আসলে কারণ তখন তাঁর মনে, তাঁর প্রাণে একটাই ছবি – বঙ্গবন্ধুর মুখ।

মুজিবনগর সরকার-প্রধানের সালাম গ্রহণের ভাস্কর্য।

স্মৃতির পথ বেয়ে চলে গেলেন পঞ্চাশ বছর আগের মেহেরপুরে। এক যুবক পুলিশ অফিসার। নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন, কী ভাবে সম্ভব হয়েছিল ‘সে দিনের কমান্ড’? কোথায় যেন হারিয়ে গেলেন তিনি।

তাঁর গুলশান অফিসে বসে কথা হচ্ছিল।

তার পর? বলুন।

ফের স্মৃতির জানলা খুলে ধরেন প্রায় ৭৪ বছর বয়সি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বললেন, “তোমাকে আরও একটি কথা বলা হয়নি। তা হচ্ছে, ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরে বাংলাদেশ সরকার গঠিত হবার পর দিন ১৮ এপ্রিল কলকাতার পার্ক সার্কাসে সার্কাস অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন হাইকমিশন অফিসে প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।”

সেটাই ছিল বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন। যার উদ্যোগ নিয়েছিলেন হাইকমিশনের অন্যতম কর্মকর্তা হোসেন আলী। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু তাঁকে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত করেন। বাংলাদেশের সেই পতাকা উত্তোলনকালেও গার্ড অব অনার-এর দায়িত্ব পালন করেন মাহবুব উদ্দিন। বললেন, “জানো, এই দু’টো ঐতিহাসিক ঘটনা আজও আমার স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে। মনে হচ্ছে, সে দিনের ঘটনা।”

১৭ এপ্রিল কলকাতার থিয়েটার রোড থেকে সে দিন গাড়ি-বহর নিয়ে প্রথম বাংলাদেশ সরকারের সদস্য হিসাবে শপথ নিতে বৈদ্যানাথতলায় এসেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহম্মদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং কামরুজ্জামান-সহ অন্যরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন দেশি-বিদেশি বেশ কিছু সাংবাদিকও।

নদিয়ার কৃষ্ণনগর দিয়ে এসে বাংলাদেশ সীমান্ত। সেখান থেকে বর্তমান মুজিবনগরের দূরত্ব খুব একটা বেশি নয়। এই ধরো সর্বোচ্চ মাইল দু’য়েক বা তার কম হতে পারে, বললেন মাহবুব উদ্দিন।

মাহবুব উদ্দিন বললেন, “এ বারে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২৬-২৭ মার্চ বাংলাদেশ সফর করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদী মুজিবনগর-কৃষ্ণনগরের মধ্যে স্বাধীনতা সড়কটির উদ্বোধন করেন। করোনার কারণে সেখানে যাওয়া হয়ে ওঠেনি। নতুবা আমি তো অবশ্যই যেতাম।”

স্বাধীনতা সড়কের বাংলাদেশ অংশটি এখন ডাবল লেন করা হয়েছে। নদিয়া ও আশেপাশের মানুষ এখন খুব সহজেই মুজিবনগর আসতে পারবেন এবং জাদুঘর থেকে শুরু করে পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করতে পারবেন।

আচ্ছা, মুজিবনগর সরকার বা বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে, আগে থেকে এমন কোনো তথ্য আপনি জানতেন?

মাহবুবউদ্দিনের কথায়, “তোমাকে তো আগেই জানিয়েছি, আমি তখন তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমায় পুলিশ প্রশাসক (এসডিপিও)। ১৭ এপ্রিল সকালবেলায় খবর পেলাম আমাকে বৈদ্যনাথতলায় যেতে হবে। কারণ সেখানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ নেবে।

“নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে পৌঁছুলাম বৈদ্যনাথতলায়। তাতে খুব একটা সময় লাগেনি। মুক্তাঞ্চল বৈদ্যনাথতলা। সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম একটি ছোটো আকারের মঞ্চ। তার উপরে কয়েকটি পুরোনো চেয়ার ও একটি ছোটো টেবিল।

“মঞ্চের এক কোনায় একটা সরু বাশ পোঁতা। মঞ্চ ঘিরে স্থানীয় মানুষের ভিড়। মঞ্চের পাশে প্রহরায় ভারতীয় কমান্ডো বাহিনীর ক’ জন সদস্য। একটু দূরে একটা হারমোনিয়ামে চলছিল জাতীয় সংগীতের রিহার্সেল। হারমোনিয়াম থেকে শুরু করে সব কিছুই সংগ্রহ করা। বেলা তখন ১১টা হবে। গাড়িবহর নিয়ে কলকাতা থেকে নেতৃবৃন্দ বৈদ্যনাথতলায় উপস্থিত হলেন।

“কিছুক্ষণের মধ্যে মঞ্চে আসন নিলেন তাঁরা। এর পর ঘোষণা দেওয়া হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপরাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী, এম কামরুজ্জামান স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং কর্নেল আতাউল গণি ওসমানী প্রধান সেনাপতি।

“অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন টাঙাইলের জননেতা আব্দুল মান্নান, এমএনএ। পরিচয়পর্বের পর শপথবাক্য পাঠ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী, এমএনএ।”

এর পর, এর পর কী হলো বলুন?

স্মৃতির অতলে ডুব দিলেন মাহবুব উদ্দিন। তিনি মাঝে মাঝে কেঁপে উঠছিলেন। বোঝা যাচ্ছিল তার মধ্যে একটা উত্তেজনা কাজ করছে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার, বঙ্গন্ধুর মুখ, গণহত্যা ইত্যাদি তাঁর চোখের সামনে ভেসে উঠছে। এ বারে সোজা হয়ে বসলেন বীরযোদ্ধা।

“জানো এর পরই আমার পালা। এটিকে জীবনের মাহেন্দ্রক্ষণই বলব। একটা জাতির ইতিহাসের অংশ হতে যাচ্ছি। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার-প্রধানকে আমার নেতৃত্বে গার্ড অব অনার প্রদান করা হল। আমি তৃপ্ত হলাম।

“জীবনে আর কোনো দিন এমন করে গর্জে ওঠে কমান্ড দেওয়ার সুযোগও পাব কিনা সন্দেহ। যখন গার্ড অব অনার দিচ্ছিলাম, তখন ক্যামেরার অসংখ্য ফ্লাশ জ্বলে উঠছিল। সেই সঙ্গে হাজারো মানুষের ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস কেঁপে উঠছিল।

“গার্ড অব অনার বিষয়ে তোমাকে একটা কথা বলা হয়নি। গার্ড অব অনার-এর দায়িত্ব পালনের কথা ছিল তৎকালীন ইপিআর (বর্তমান বিজিবি) সেক্টর কমান্ডার মেজর আবু ওসমান চৌধুরীর। অজ্ঞাত কারণে তিনি সেখানে উপস্থিত হতে পারেননি। এ সময় হন্তদন্ত হয়ে বন্ধু তৌফিক-ই-এলাহী (বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা) এসে বলল, ‘ওসমান ভাই তো আসার কথা ছিল। কিন্তু উনি তো এলেন না। এখন কী করি? গার্ড অব অনার কী করে দেওয়া যায় চিন্তা করো’।

“আমি তাঁকে আশ্বস্ত করে বললাম, তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে বহু গার্ড অব অনার দিয়েছি এবং নিয়েছি। সব ঠিক করে নেবো। এর পর আমি তৎক্ষণিক গার্ড অব অনার-এর ব্যবস্থা করি।”

সেটা কী ভাবে সম্ভব হল?

মাহবুব উদ্দিন বলে চলেন, “আমার সঙ্গে তিন-চারজন পুলিশ কনস্টেবল ছিল। আর আশপাশ থেকে কয়েক জন আনসার এনে কয়েক মিনিটের প্রশিক্ষণ দিলাম। তার পর বলাম আমি প্রস্তুত। এর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মঞ্চে এসে দাঁড়ালেন। পেছনে প্রধান সেনাপতি কর্নেল আতাউল গণি ওসমানী। মঞ্চের বাঁ দিকে মাটিতে দাঁড়িয়ে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহম্মদ। অন্য সবাই মঞ্চের পাশে অপেক্ষা করছেন।

“এ অবস্থায় আমার নেতৃত্বে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে সামরিক কায়দায় গার্ড অব অনার প্রদান করলাম। প্রেজেন্ট আর্মস করে সৈনিকেরা যখন তাদের রাইফেল ঊর্ধ্বমুখী করে দাঁড়াল তখন আমি হাত তুলে তাঁকে স্যালুট দিলাম। তিনি স্যালুট গ্রহণ করলেন।

“আর সঙ্গে সঙ্গে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ গানটি বেজে উঠল। এর পর মঞ্চের পাশে সরু বাঁশটিতে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

“বাতাসে পতাকাটা পতপত করে উড়ছে। সেই পতাকায় দেখতে পেলাম বঙ্গবন্ধুর মুখ। পতাকা উত্তোলনের পর মঞ্চে দাঁড়ালেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। জাতীয় সংগীত শেষে কমান্ড দিয়ে সালাম শেষ হল। রাইফেলধারীদের অস্ত্র নেমে এল ঘাড়ে। আমিও হাত নামালাম। কুইক মার্চ করে সামনে এগিয়ে গেলাম দু’ কদম। তার পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানিয়ে বললাম, ‘স্যার, আমাদের দল আপনার পরিদর্শনের অপেক্ষায়।’

“তিনি ধীর পদক্ষেপে মঞ্চ থেকে নেমে এলেন। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে গার্ড অব অনার পরিদর্শন করলাম। অবশেষে তিনি আবার মঞ্চে ফিরে গেলেন। আমি সৈনিকদের সামনে দাঁড়িয়ে আবার তাঁকে সালাম জানিয়ে বললাম, ‘আমি এখন সৈনিকদের নিয়ে বেরিয়ে যেতে চাই।’ তিনি অনুমতি দিলেন।

“এর পর আমি মার্চপাস্ট করে মঞ্চের সামনে থেকে সরে গেলাম। এ সময় উপস্থিত হাজারো মানুষের কণ্ঠ এক সঙ্গে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে বৈদ্যনাথতলার আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। সে এক অভূতপূর্ব মুর্হূত। অনুধাবন করা যায়। ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

“পরবর্তীতে মঞ্চে আসেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ। তিনি কয়েক জনকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ঘোষণা দিলেন, আজ থেকে বৈদ্যনাথতলার নাম হবে ‘মুজিবনগর’। আর এ মুজিবনগরই হবে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী। এখান থেকেই সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

“তাজউদ্দিন আহমদের ঐতিহাসিক ঘোষণায়ই বৈদ্যনাথতলা ‘মুজিবনগর’ নামে স্বীকৃতি পেল। আর এই মুজিবনগর সরকার গঠনের মধ্য দিয়েই গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে স্বাধীন বাংলার অস্তিত্বের কথা।”

মাহবুব উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম

১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করেন। এর পর ১৯৬৭ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে সারদা পুলিশ একাডেমিতে যোগদান করেন। তৎকালীন যশোর জেলার অধীনে ঝিনাইদহ ছিল একটি মহকুমা। ১৯৭১ সালে ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশ প্রশাসক (এসডিপিও) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পূর্বেই তিনি অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন কুষ্টিয়া এবং ঝিনাইদহের জনযুদ্ধে স্থানীয় জনতাকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পরাভূত করেন এবং তাদের সমস্ত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র সংগ্রহ করেন। এ ছাড়া ১০ ও ১২ এপ্রিল মান্দারতলায় পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন। এর পর ১৩ এপ্রিল বারোবাজারে পাকবাহিনীকে প্রতিরোধে অংশ নেন।

২০ সেপ্টেম্বর পাকবাহিনীর বৈকারী ঘাঁটির উপর আক্রমণ চালাতে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ব্যারাকপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হন। আহত এক যোদ্ধা রণাঙ্গনের পরিবর্তে হাসপাতালে, কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না। তিনি যে মাতৃভূমিকে মুক্ত করার এক লড়াকু সৈনিক। হাসপাতালের বিছানা তাঁকে মানায় না। বিছানায় ছটপট করতে থাকেন। অসামান্য দৃঢ় মনোবলের এই যোদ্ধা কখন ফিরে যাবেন রণাঙ্গনে! যেখানে মায়ের আঁচল তাঁকে আটকে রাখতে পারেনি, সেখানে হাসপাতালের বিছানায় আটকা পড়ে মাঝে মাঝেই খেপে উঠছিলেন মাহবুব উদ্দিন।

এর পর ২৬ দিনের মাথায় অর্থাৎ ১৬ অক্টোবর ফের রণাঙ্গনে ফিরে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য কৃতিত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করে।

উপসংহারে যে কথা বললেন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উক্তি টেনে বলেন, “বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমি বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতার একটা বীজ পুঁতে রেখে গেলাম। এই বীজ যে দিন উৎপাটন করা হবে, সে দিন বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যাবে’। আমাদের সেই স্বপ্নের পথে এগোতে হবে। একাত্তরে সাধারণ মানুষ, আদিবাসী-সহ সকলে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ ভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। আর সেই যুদ্ধ ছিল বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার যুদ্ধ।”

কথা শেষ

এ বার বিদায়ের পালা। উঠে দাঁড়ালাম। তিনিও আশীর্বাদ করলেন, বললেন, “ভালো থেকো আর দেশের জন্য কাজ করো”। তাঁর উপদেশ মাথায় নিয়ে মনে মনে তাঁকে গার্ড অব অনার দিয়ে বেরিয়ে আসতে আসতে বললাম, “বিদায় বীর যোদ্ধা এবং ইতিহাসের সাক্ষী মাহবুব উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম”।

Continue Reading

বাংলাদেশ

Bangladesh Corona Update: একদিনে শতাধিক মৃত্যুর রেকর্ড, আক্রান্তের শীর্ষে যুবকরা হলেও মৃত্যুর দিক দিয়ে বয়স্ক মানুষ

এ বারে ১৪ থেকে এক সপ্তাহের জন্য সার্বিক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার।

Published

on

ঋদি হক: ঢাকা

করোনা প্রার্দুভাবের ৪০৫তম দিনে বাংলাদেশে একদিনে সর্বোচ্চ ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৮২ জন। ১৮ হাজার ৯০৬টি নমুনা পরীক্ষায় ৪ হাজার ৪১৭ জন করোনা-আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছে। দৈনিক সংক্রমণের হার ২৩.৩৬ শতাংশ। আজ পর্যন্ত মোট নমুনাপরীক্ষা হয়েছে ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৮টি। মোট পরীক্ষার নিরিখে শনাক্তের হার ১৩.৮৬ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৭ লাখ ১ হাজার ৭৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৬৯৪ জন। মোট সুস্থতার সংখ্যা ৬ লাখ ২ হাজার ৯০৮ জন। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতর এ সব তথ্য জানিয়েছে।

Loading videos...

মৃত ১০১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে মারা গিয়েছেন ৫৯ জন। বাদবাকিদের মধ্যে চট্টগ্রাম ২০ জন, রংপুরে ৬ জন, খুলনায় ৫ জন, বরিশালে ৪ জন, রাজশাহী ও ময়মনসিংহে ৩ জন করে এবং সিলেটে ১ জন মারা গিয়েছেন। এ পর্যন্ত মৃত ১০ হাজার ১৮২ জনের মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৫৬৬ জন এবং নারী ২ হাজার ৬১৬ জন। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

বয়সভিত্তিক হিসাব

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর, IEDCR) ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বয়সভিত্তিক যে বিশ্লেষণ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে আক্রান্তদের ৫৪.৭০ শতাংশের বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, সংখ্যার হিসাবে যা ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩৪ জন। এর মধ্যে ২৭.৬০ শতাংশের (১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৫) বয়স ২১ থেকে ৩০ বছর এবং ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সির সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৫৯ জন, শতাংশের হিসাবে যা ২৭.১০ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত আক্রান্তর সংখ্যা ৭ লাখ। তার মধ্যে প্রায় ৪ লাখই যুবক। তাদের বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। আর মৃত ১০ হাজার ৮১ জনের মধ্যে ৮ হাজারের বেশি মানুষের বয়স পঞ্চাশ বছরের ওপরে।

এ অবস্থায় নতুন তথ্য হচ্ছে, বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্তদের বেশির ভাগই যুবক। মৃত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই বয়স্ক মানুষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়ির বাইরে যুবকদের চলাচল বেশি। তাই আক্রান্তর সংখ্যাও বেশি। শারীরিক জটিলতার কারণে বয়স্ক মানুষের মৃত্যুর হার বেশি।

গত বছর ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর ক্ষেত্রে অধিকাংশই ছিল বয়স্ক মানুষ। স্বাস্থ্য অধিদফতরেরর তথ্যে তা-ই বলছে। কিন্তু এরই মধ্যে এক বছর অতিক্রম করেছে মহামারিকাল।

সংক্রমণ হার কমতেই লাগামহীন চলাফেরা

চলতি বছরের শুরুতে করোনার সংক্রমণ হার ২% এর কাছাকাছি চলে আসে। আর তখনই শুরু হয় মানুষের লাগামহীন চলাফেরা। বাংলাদেশের কক্সবাজার, কুয়াকাটা, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, সিলেট-সহ এমন কোনো পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র ছিল না, যেখানে মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল না। কক্সবাজারে পর্যটকের এতটাই চাপ ছিল যে, থাকার জায়গা না পেয়ে খোলা আকাশ এবং গাছতলায় রাত কাটাতে হয়েছে।

মার্চ মাসের প্রথম দিকে করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। প্রতি দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে শনাক্তর হার। রাস্তায় শোনা যায় অ্যাম্বুলেন্সের পিলে চমকানো সাইরেন। হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল। কোথাও মিলছে না একটি বিছানা।

এমন নাজুক পরিস্থিতিতে লকডাউনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। প্রাথমিক অবস্থায় ৫ থেকে ১১ এপ্রিল এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এই চেষ্টা ভেসতে যায়। গণপরিবহণ ও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও প্রাইভেট কার-সহ সকল প্রকারের যানবাহন রাস্তায় দাপিয়ে বেড়ায়। কার্যত এক সপ্তাহের লকডাউন ব্যর্থ হয়ে যায়।

এ বারে ১৪ থেকে এক সপ্তাহের জন্য সার্বিক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। লকডাউনে রাস্তায় চলাচলের জন্য মুভমেন্ট পাস প্রয়োজন হচ্ছে। রাস্তায় কেউ চলতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ছেন। মুভমেন্ট পাস দেখাতে ব্যর্থদের জরিমানা করে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: Bengal Corona Update: প্রতি একশো টেস্টে পজিটিভ হচ্ছেন ১৭ জন, কলকাতায় আক্রান্ত ১৮৪৪

Continue Reading

বাংলাদেশ

Bangladesh: বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর প্রয়াণ

তাঁদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

Published

on

অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান ও আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: সাবেক আইনমন্ত্রী এবং সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল মতিন খসরু (Abdul Matin khasru) এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান (Shamsuzzaman Khan) প্রয়াত হলেন। তাঁদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান কিছুদিন ধরে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বুধবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Loading videos...

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাঁর শোকবার্তায় বলেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যাঙ্গনে শামসুজ্জামান খানের অবদান বাংলাদেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। প্রয়াতের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান রাষ্ট্রপতি।

পৃথক শোকবার্তায় অধ্যাপক শামসুজ্জামান খানের মৃত্যুতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত এই গবেষক ও লেখক বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সাহিত্যকে অনন্য গবেষণাকর্মের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন যা ভবিষ্যতেও গবেষণাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়া চীন – এই বইগুলোর সম্পাদনা ও প্রকাশে যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছেন। শামসুজ্জামান খান কর্মগুণে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করে ও তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গত বছর ১৪ মে বাংলা একাডেমির তৎকালীন সভাপতি অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

আব্দুল মতিন খসরু

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু বুধবার প্রয়াত হন। সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৬ মার্চ সকালে সিএমএইচে ভর্তি হন। ২৫ মার্চ রাতে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থায় উন্নতি হওয়ায় ৩১ মার্চ কেবিনে দেওয়া হয়। গত ১ এপ্রিল করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু হঠাৎ করে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ৬ এপ্রিল তাঁকে ফের আইসিইউতে নেওয়া হয়। তার পর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আরও পড়ুন: Bangladesh Lockdown: দেশ জুড়ে কঠোর লকডাউন, পথে পথে তল্লাশি চৌকি, মুভমেন্ট পাশ ছাড়া চলাচল বন্ধ

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
election commission of india
রাজ্য29 mins ago

Bengal Polls 2021: প্রার্থীর মৃত্যুতে জঙ্গিপুর আসনে ভোট স্থগিত রাখল নির্বাচন কমিশন

ধর্মকর্ম57 mins ago

অন্নপূর্ণাপুজো: ব্যারাকপুর অন্নপূর্ণা মন্দিরে এ বার শারীরিক দূরত্ববিধি মেনেই পুজো

Lalu Prasad Yadav
দেশ1 hour ago

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় জামিন পেলেন লালুপ্রসাদ যাদব

Sonu Sood
বিনোদন1 hour ago

ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার পর কোভিড আক্রান্ত অভিনেতা সোনু সুদ

রাজ্য2 hours ago

Bengal Polls 2021: শীতলকুচির পর এ বার দেগঙ্গা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ

দেশ2 hours ago

ট্রেন হোক বা স্টেশন, মাস্ক না পরলে বড়োসড়ো জরিমানা ঘোষণা রেলের

রাজ্য3 hours ago

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শীতলকুচি অডিয়ো ক্লিপ-কাণ্ডে নয়া মোড়, নির্বাচন কমিশনে বিজেপি

দেশ3 hours ago

Red Fort Violence: জামিন পেলেন দীপ সিধু

রাজ্য4 hours ago

Bengal Polls Live: ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়ল ৬২.৪০ শতাংশ

রাজ্য2 days ago

স্বাগত ১৪২৮, জীর্ণ, পুরাতন সব ভেসে যাক, শুভ হোক নববর্ষ

পয়লা বৈশাখ
কলকাতা2 days ago

মাস্ক থাকলেও কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বরে শারীরিক দুরত্ব চুলোয়, গা ঘেষাঘেঁষি করে হল ভক্ত সমাগম

ক্রিকেট3 days ago

IPL 2021: আরসিবির হয়ে জ্বলে উঠলেন বাংলার শাহবাজ, তীরে এসে তরী ডোবাল হায়দরাবাদ

কোচবিহার2 days ago

Bengal Polls 2021: শীতলকুচির গুলিচালনার ভিডিও প্রকাশ্যে, সত্য সামনে এল, দাবি তৃণমূলের

গাড়ি ও বাইক2 days ago

Bajaj Chetak electric scooter: শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পরেই বুকিং বন্ধ! কেন?

দেশ3 days ago

ফের লকডাউনের আশঙ্কায় ভীত-সন্ত্রস্ত অভিবাসী শ্রমিকরা, কন্ট্রোল রুমে ফোনের পর ফোন ঝাড়খণ্ডে

রাজ্য2 days ago

Bengal Polls 2021: ভয়াবহ কোভিড সংক্রমণের মধ্যে কী ভাবে ভোট, শুক্রবার জরুরি সর্বদল বৈঠক ডাকল কমিশন

ভোটকাহন

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 weeks ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা3 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা3 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা3 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা3 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা3 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে