NCR, Assam
ছবি ও তথ্য: নিউজ১৮ থেকে

ওয়েবডেস্ক: অসমের খসড়া নাগরিকপঞ্জি প্রকাশের পর দেশজোড়া চাঞ্চল্যের রেশ ছুঁয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলকেও। কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির নেতারা যখন প্রকাশ্যেই তালিকা থেকে বর্জিত প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি হিসাবে চিহ্নিত করছেন, তখন কী ভাবেই বা নীরব থাকতে পারে প্রতিবেশী দেশ!

বুধবার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান নিউজ১৮-কে টেলিফোনে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “ভারতের নাগরিকপঞ্জি থেকে যাঁদের নাম পড়েছে তাঁদের যেন বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়া না হয়, তেমনটাই আশা করব”।

Bangladesh Home Minister Asaduzzaman Khan
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: ইন্টারনেট থেকে

তিনি জোরের সঙ্গেই বলেন, অনুপ্রবেশকারী হিসাবে যাদের তুলে ধরা হচ্ছে, “তাঁরা যে সবাই বাংলাদেশি তেমনটা মোটেই নয়। আমি মনে করি না তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া প্রত্যেকে বাংলাদেশি। কারণ, এর নেপথ্যে কোনো যুক্তিযুক্ত প্রমাণ নেই”।

আরও পড়ুন: ‘গৃহযুদ্ধ’! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদে ঢুকতেই আক্রমণাত্মক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়

ইতিহাসে ফিরে দেখে আসাদুজ্জামান বলেন, “এটা ঠিক ১৯৭১-এ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় বেশ কিছু বাংলাদেশি এ দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন। পরে তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্থায়ী হয়ে গিয়েছেন। ফলে ভারতের ওই বিশাল সংখ্যক মানুষকে বাংলাদেশের বলে চালানো এক কথায় অর্থহীন। তবে যদি ওই দাবিকে প্রতিষ্ঠা করতে কোনো দৃঢ় তথ্যপ্রমাণ হাজির করা হয় এবং তা যথার্থ হিসাবে প্রমাণিত হয়, তা হলে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়া নিতে অসুবিধা নেই। কিন্তু এর জন্য দরকার কথোপথনের এবং তথ্যপ্রমাণের”।

আরও পড়ুন: অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই: নাগরিকপঞ্জি প্রসঙ্গে ও-পার বাংলার মন্ত্রী

বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্কে এই ইস্যু কোনো প্রভাব ফেলবে না বলেই আসাদুজ্জামান মনে করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here