Connect with us

বাংলাদেশ

বাঙালির হৃদয়ে রক্তক্ষরণ, করোনাবিধি মেনে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

Published

on

ঋদি হক: ঢাকা

রাত ১২টা বাজার মিনিট খানেক পরেই ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শুরু হল। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সালাউদ্দিন ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেই সময় নেপথ্যে পরিবেশিত হচ্ছে সেই কালজয়ী গান, “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি?”

Loading videos...

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিরা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর পর অন্যান্য বিশিষ্টজন একে একে এসে শ্রদ্ধা নিবেদন করে যান।   

এ বারের ২১ ফেব্রুয়ারির ছবিটা একটু আলাদা। কারণ কোভিড ১৯। আমজনতার পা পড়বে না কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে একটা বিশাল অংশের মানুষকে ঘরে বসেই সময় কাটাতে হবে।  

বরাবরের মতো এ বারে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দল বেঁধে যাতায়ত বন্ধ। করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের ভিড় এড়াতে সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এক সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচ জন এবং ব্যক্তিবিশেষের ক্ষেত্রে এক সঙ্গে দু’ জন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিতে পারছেন। এর বেশি প্রবেশে বাধা। পুলিশের তরফে নির্দেশনা মোতাবেক এ বছর অমর একুশের প্রথম প্রহর থেকে এ ভাবেই ফুল দেওয়া চলছে। আর বলাই বাহুল্য মাস্ক পরা ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। শনিবার শহীদ মিনার এলাকা ও আশপাশের সড়কে যানচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শহীদবেদি ফুলে ফুলে ছয়লাপ

এই করোনার কারণেই এ বার রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদবেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সশরীরে হাজির হননি। তাঁদের প্রতিনিধিরা শহীদবেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পরেই সরকার, সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন দেশের দূত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সহ বিভিন্ন সংগঠনের তরফে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধানরা, জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, বিদেশমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, পুলিশের আইজিপি, সংসদে বিরোধী দলের উপনেতা জি এম কাদের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ। শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল উপচে পড়ে।  

বাঙালির মাতৃভাষা বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাষ্ট্রীয় ভাষা করার হীন চক্রান্ত শুরু করে তৎকালীন শাসক। এর প্রতিবাদে গর্জে ওঠে পূর্ববঙ্গের মানুষ। সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে ১৯৫২ সালে আন্দোলন তীব্র হয়। সেই আন্দোলনে সর্ব স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ যেমন ছিল, তেমনি রক্ত ও প্রাণ দিতে হয়েছে অনেককে। প্রতি বারের মতো এ বারের একুশে ফেব্রুয়ারিতেও ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে সব রকম প্রস্তুতিই সম্পন্ন হয়েছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। তবে বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কার্যক্রম পালন করা হচ্ছে।

শহীদ মিনারে বিস্তৃত ব্যবস্থা

শনিবার বিকেল নাগাদ শহীদ মিনার এলাকা ঘুরে দেখা গেল আলপনা আঁকার কাজ শেষ। শহীদ মিনারের তিন দিকে তিনটি ফায়ারসার্ভিসের গাড়ি। সব রকম নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বরাবরের মতো শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বেষ্টনী দেওয়া হয়েছে। র‌্যাব ও ডিএমপির তরফে বসানো হয়েছে ওয়াচটাওয়ার। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে। গোটা এলাকা সিসিটিভির আওতায়। সাধারণকে সতর্ক করতে লাগানো হয়েছে ডিজিটাল সাইনবোর্ড। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ডান পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী মোতাহার হোসেন ভবন সংলগ্ন মাঠে র‌্যাব, ডিএমপি ও ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম বসানো হয়েছে।

কয়েক দিন ধরেই রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের তিন দিকের রাস্তায় আলপনা ও দেওয়াল লিখনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। যে কোনো আন্দোলন, পয়লা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে চারুকলার নাম। যে কোনো শুভ কাজের সঙ্গী তাঁরা। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দক্ষিণ পাশের জরুরি বিভাগের পাশের রাস্তায় বেরোতেই ঘাতক পাকিস্তানি সেনাদের রাইফেল গর্জে ওঠেছিল। সে সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান সালাম, বরকত, রফিক, জাব্বাররা।

ভাষার জন্য রাজপথে প্রাণ দেওয়ার ইতিহাস পৃথিবীর আর কোনো দেশে রয়েছে বলে জানা নেই। বাংলাদেশে ভাষার আবেগ ও দরদ এতটুকু কমেনি বরং বেড়েছে। এখানে ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে চলা অমর ২১শে বইমেলা বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বিশ্বের নানা প্রান্তে ভাষাদিবস পালিত হয়ে আসছে। করোনার মধ্যেও মানুষের উৎসাহে তেমন একটা ভাটা পড়েছে বলে মনে হচ্ছে না। তবে ফি বারের মতো সেই কোলাহল নেই।

মূল বেদীর ঠিক বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবনের দেওয়ালে লাল রং-এ লেখা হয়েছে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, সুকান্ত ভট্টাচার্য, শামসুর রহমান, আবুল ফজল, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, জসীম উদ্দীন, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, মুনীর চৌধুরী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জীবনানন্দ দাস, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, আবুল মনসুর আহমদ, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, অতুলপ্রসাদ সেন, মাইকেল মধুসূদন দত্ত-সহ বিখ্যাত মনীষীদের ভাষা নিয়ে বিভিন্ন উক্তি।

সাভার থেকে স্ত্রীকে এসেছেন মুমিনুল। একটি রফতানি কারখানায় কাজ করেন। জানালেন, এই প্রথম এসেছেন। রবিবার ভিড় বেশি থাকবে। তাই শনিবারই এসেছেন। ঢাকার জুড়াইন থেকে এসেছেন সন্ধ্যা। সঙ্গে মা-ও রয়েছেন। কলেজ পড়ুয়া সন্ধ্যা ভাষা দিবস নিয়ে বেশ গর্বিত।

দেশ

বঙ্গবন্ধুর ফাঁসি আটকাতে ৩০টি দেশে ছুটে গেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী, ভারতের এই ঋণ মনে রেখেছে বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

এক আলোচনাচক্রে বাংলাদেশ ও ভারতের সাধারণ নাগরিকদের সম্পর্কের উপর জোর দেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার।

Published

on

বক্তৃতা করছেন বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী। পাশে ভারতের হাই কমিশনার।

ঋদি হক: ঢাকা

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কযুক্ত সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যত্নবান থাকতে হবে, যাতে দু’ দেশের সম্পর্কে অহেতুক বিরূপ প্রভাব না পড়ে। বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী (Bangladesh Information Minister) তথা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ (Dr. Hasan Mahmud) সংবাদমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ফাঁসি আটকাতে ৩০টি দেশে ছুটে বেড়িয়েছেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। ভারতের নজির গড়া এই ঋণ মনে রেখেছে বাংলাদেশ।

Loading videos...

ভারতীয় হাই কমিশনার (Indian High Commissioner) বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী (Vikram Doraiswami) দু’ দেশের নাগরিকদের সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে বলেন, পরস্পরের সন্দেহ ও সংশয় দূরে রেখে এক সঙ্গে চলার মধ্য দিয়ে দুই দেশই সমৃদ্ধির পথে এগোতে পারবে।

মঙ্গলবার ঢাকায় ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইমক্যাব, IMCAB) আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’ শীর্ষক এক আলোচনাচক্রে এ সব কথা বলেন বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনার।  

বাংলাদেশ ও ভারতের সাধারণ নাগরিকদের সম্পর্কের উপর জোর দেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার। তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্ক টেকসই হওয়ার মূল নীতি ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে আছে। বাংলাদেশ-ভারতের মানুষের আকাঙ্ক্ষার জায়গা এক। এখন আমাদের উচিত সন্দেহ ও সংশয় দূর করে কাজ করা। কারণ সন্দেহ ও অবিশ্বাসের কোনো জায়গা এখানে নেই।”

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন এলে বিএনপি ও কিছু দল  ভারত-বিরোধিতাকে সামনে রেখে প্রচারণা চালায়। যাদের সহযোগিতা ছাড়া এ দেশের স্বাধীনতা সম্ভব ছিল না, তাদের বিরোধিতা করে। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বৈরিতা করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কথা তারা বুঝেও না বোঝার ভান করে। আবার বুঝলেও রাজনীতির স্বার্থে অপরাজনীতি করেন। আলোচনাচক্রে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আলোচনাচক্রে আর যাঁরা ছিলেন

বাংলাদেশে কর্মরত ভারতের সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সংগঠন ‘ইমক্যাব’-এর সভাপতি বাসুদেব ধরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাচক্রে অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন তথ্য উপদেষ্টা ও ‘অবজারভার’ সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রথম নারী সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ।

বিষয়বস্তুর ওপর মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন সিনিয়র সাংবাদিক ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব। আলোচনায় অংশ নেন ‘ইমক্যাব’-এর সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপ আজাদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিদুল হাসান খোকন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় হাই কমিশনের দ্বিতীয় সচিব (ভিসা ও জনকূটনীতি) দীপ্তি আলংঘট, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব আব্দুল জলিল ভুঁইয়া ও ওমর ফারুক, ডিক্যাব সভাপতি পান্থ রহমান, ‘ইমক্যাব’-এর কোষাধ্যক্ষ মাছুম বিল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আফরোজ জামান, নির্বাহী সদস্য আমিনুল হক ভুইয়া ও লায়েকুজ্জামান।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আলোচনাচক্র।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এমন কোনো খবর প্রচার করা উচিত নয়, যাতে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতার কারণে ১৯৭৪ সালে ভারতের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তির কারণেই আমরা ভারতের কাছ থেকে ছিটমহলের অধিকার ফিরে পেয়েছি। অথচ এই চুক্তি নিয়ে একটি মহল বিরূপ প্রচারণা চালিয়েছিল। তবে তাদের অপপ্রচারে দেশের সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেনি।

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণকে ভারতের সহযোগিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত করতে দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকার কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের জেল থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করতে ইন্দিরা গান্ধী বিশ্বব্যাপী জনমত গঠন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে যাতে ফাঁসি দেওয়া না হয়, সে জন্য ৩০টি দেশে তিনি ছুটে গিয়েছেন।

ভারতীয় হাই কমিশনার আরও বলেন 

ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, “পৃথিবী খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমরা যত দ্রুত এগোতে পারব, তত দ্রুতই আমরা এক সঙ্গে সমৃদ্ধি লাভ করতে পারব।”

দুই দেশের সহযোগিতার উপর গুরুত্ব আরোপ করে দোরাইস্বামী বলেন, “আমি দেখেছি, সহযোগিতা বাড়লে উন্নতিও বাড়ে। সুতরাং আমার জন্য যেটা ভালো নয়, সেটা আপনার জন্য যেটা ভালো নয়। আমরা যদি এটা অনুসরণ করি, তা হলে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের আদর্শ অনুসরণ করা হবে।”

অন্যরা কী বললেন  

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের যেমন বৃদ্ধি হয়েছে, তেমনি সে সম্পর্ক ধ্বংসেরও চেষ্টা হয়েছে। জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট করেছেন। প্রতিবেশীদের মধ্যে নানা সমস্যা থাকে। সে সমস্যা আন্তরিকতার সঙ্গে সমাধান করতে হবে।

ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক এখন সব চেয়ে উচ্চ মাত্রায়। তবে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে আরও কাজ করতে হবে। কিছু বিষয় এখনও অমীমাংসিত। তিস্তা চুক্তি নিয়ে হতাশা রয়েছে। সীমান্তে হত্যা হলে দু’ দেশের সম্পর্ক অম্ল-মধুর হয়ে যায়।

মনজরুল আহসান বুলবুল বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু প্রথম ভারত সফরে গিয়ে ইন্দিয়া গান্ধীকে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী ১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে তাঁর সৈন্যদের প্রত্যাহার করেছিলেন। এটি ছিল কূটনৈতিক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের প্রমাণ। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের শ্রদ্ধার ও সম্মানের সম্পর্ক। এটিই আমাদের পথরেখা। এগিয়ে যাওয়ার জায়গা।

আরও পড়ুন: পরপারে পাড়ি জমালেন লেখক-সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ

Continue Reading

বাংলাদেশ

পরপারে পাড়ি জমালেন লেখক-সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ

চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘সুপ্রভাত বাংলাদেশ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন তিনি।

Published

on

ঋদি হক: ঢাকা

সন্ধ্যাতেই খবরটি আছড়ে পড়ে। তখন সবেমাত্র সন্ধ্যার সাঁঝবাতি জ্বালিয়ে আলো ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। সেই সময়ে চলে গেলেন প্রখ্যাত লেখক-সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ (Syed Abul Maksud)। তাঁর মৃত্যুতে বৃদ্ধিজীবী মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে তাঁর।

Loading videos...

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এ দিন বিকেলে তিনি বাড়িতেই অজ্ঞান হয়ে যান। তাঁকে দ্রুত রাজধানীর পান্থপথের স্কোয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছোনোর পর চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন তিনি আগেই মারা গিয়েছেন। সন্ধ্যা সোয়া ৭টা নাগাদ তাঁকে মৃত ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  

চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘সুপ্রভাত বাংলাদেশ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন তিনি। সৈয়দ আবুল মকসুদ বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ঋষিজ পুরস্কার-সহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ-গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে, ‘বাঙালির সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার’, ‘পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্রনাথ’, ‘রবীন্দ্রনাথের ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন’, ‘ঢাকায় বুদ্ধদেব বসু’, যুদ্ধ ও মানুষের মূর্খতা’, ‘সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও সাহিত্য’, ‘মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর জীবন, কর্মকাণ্ড রাজনীতি ও দর্শন’, ‘গান্ধী, নেহরু ও নোয়াখালী’ প্রভৃতি।

সৈয়দ আবুল মকসুদের প্রথম কবিতা সংকলন ‘বিকেলবেলা’ প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘দারা শিকোহ ও অন্যান্য কবিতা’ প্রকাশিত হয় ১৯৮৭ সালে। তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনির মধ্যে রয়েছে ‘জার্মানির জার্নাল’, ‘পারস্যের পত্রাবলি’ ইত্যাদি।

১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জের এলাচিপুরে সৈয়দ আবুল মাহমুদ ও সালেহা বেগম দম্পতির ঘরে জন্ম নেওয়া আবুল মকসুদ ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করেন। পরে তিনি তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি থেকে সাংবাদিকতা বিষয়ে ডিপ্লোমা করেন।

১৯৬৪ সালে এম আনিসুজ্জামান সম্পাদিত সাপ্তাহিক ‘নবযুগ’ পত্রিকায় সাংবাদিকতার মাধ্যমে সৈয়দ আবুল মকসুদ কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ বার্তা সংস্থায় যোগ দেন তিনি। ২০০৮ সালের ২ মার্চ বার্তা সংস্থার সম্পাদকীয় বিভাগের চাকরি ছেড়ে দিলেও জাতীয় দৈনিকগুলোতে সমাজ, রাজনীতি, সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে কলাম লেখা চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।

জীবনের শেষ পর্যন্ত সৃজনশীলতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্রিয় ছিলেন তিনি।

Continue Reading

দেশ

তিন দিনের সফরে ঢাকা পৌঁছোলেন ভারতের বিমানবাহিনী প্রধান

তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রয়েছে।

Published

on

ঋদি হক: ঢাকা

তিন দিনের সফরে ঢাকা পৌঁছেছেন ভারতের বিমানবাহিনী (Indian Air Force) প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভদৌরিয়া (Air Chief Marshal Rakesh Kumar Bhadauria)। সোমবার একটি বিশেষ বিমানে ঢাকার হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছোন তিনি। ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে এই খবর দেওয়া হয়েছে।

Loading videos...

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর (Bangladesh Air Force) প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতের (Air Chief Marshal Masihuzzaman Serniabat) আমন্ত্রণে ঢাকায় এসেছেন এয়ার চিফ মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভদৌরিয়া। তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রয়েছে।

ভারতীয় বিমান বাহিনী প্রধান বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রধান এবং বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সফরকালে তিনি বাংলাদেশের প্রধান বিমানঘাঁটিগুলো পরিদর্শন করবেন।

রাকেশ কুমার সিং ভদৌরিয়া ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। ভারতীয় প্রতিনিধিদল ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

এয়ার চিফ মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভদৌরিয়া ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) ১৮শ এয়ার স্টাফ কোর্সের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। এই সফরে ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধানকে ডিএসসিএসসির ‘মিরপুর হল অফ ফেম’-এ অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধানের সফর দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।

আরও পড়ুন: বাঙালির হৃদয়ে রক্তক্ষরণ, করোনাবিধি মেনে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
রাজ্য26 mins ago

চার রাজ্য থেকে আসা বিমানযাত্রীদের ক্ষেত্রে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বাধ্যতামূলক করল পশ্চিমবঙ্গ

দেশ40 mins ago

বাড়ছে উদ্বেগ! করোনায় নতুন করে আক্রান্ত ১৬ হাজারের বেশি

দেশ1 hour ago

মহারাষ্ট্রে অব্যাহত করোনার দাপট, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত প্রায় ৯ হাজার!

দেশ2 hours ago

আপনার বয়স কি ৪৫ বছরের বেশি? সোমবার থেকে কী ভাবে করোনা ভ্যাকসিন পাবেন

শিল্প-বাণিজ্য2 hours ago

বৃহস্পতিবার স্থির পেট্রোল, ডিজেলের দাম

শিল্প-বাণিজ্য2 hours ago

মাঝরাতে ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম, চলতি মাসে এই নিয়ে তিন বার

ফুটবল11 hours ago

বিপিন সিংয়ের হ্যাটট্রিক, ওড়িশাকে আধ ডজন গোল মুম্বইয়ের

ক্রিকেট13 hours ago

স্টেডিয়ামে অদ্ভুত কিছু বিপত্তির পর অমদাবাদ টেস্টের প্রথম দিন চালকের আসনে ভারত

LPG
প্রযুক্তি14 hours ago

রান্নার গ্যাসের ভরতুকির টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে কি না, কী ভাবে দেখবেন

প্রযুক্তি2 days ago

এ ভাবেই তৈরি করুন সদ্যোজাত শিশুর আধার কার্ড, জানুন কী কী লাগবে

বিনোদন3 days ago

পর্ন ‘লাইভ স্ট্রিমিং’ থেকে আয় কোটি টাকা, অ্যাপের মাধ্যমে চিত্রনাট্য-সহ পরিবেশিত হচ্ছে অশ্লীলতা

রাজ্য2 days ago

দেড় ঘণ্টা পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ছাড়লেন সিবিআই আধিকারিকরা

ফুটবল3 days ago

দশ জনে খেলা হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তের গোলে মান বাঁচাল এটিকে মোহনবাগান

দেশ2 days ago

প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতার হাওয়া নেই, কেরলে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে এখনও জনপ্রিয় পিনারাই বিজয়ন

ফুটবল2 days ago

কোনো রকমে হার বাঁচানো এটিকে মোহনবাগানের খেলায় বেজায় ক্ষুব্ধ আন্তোনিও লোপেজ আবাস

শিল্প-বাণিজ্য3 days ago

পশ্চিমবঙ্গ-সহ ৪ রাজ্যে পেট্রোল, ডিজেলের দামে ছাড়! জানুন কোথায় কমল কত

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 weeks ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা3 weeks ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা1 month ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা1 month ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা1 month ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা1 month ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা1 month ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা1 month ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা1 month ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

কেনাকাটা1 month ago

৯৯ টাকার মধ্যে ব্র্যান্ডেড মেকআপের সামগ্রী

খবর অনলাইন ডেস্ক : ব্র্যান্ডেড সামগ্রী যদি নাগালের মধ্যে এসে যায় তা হলে তো কোনো কথাই নেই। তেমনই বেশ কিছু...

নজরে