khaleda zia

ওয়েবডেস্ক: সরকারি টাকা আত্মসাতের অপরাধে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাবাসের আদেশ দিল ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। খালেদা-সহ মোট ছয় জনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন ওই আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান। এর মধ্যে রয়েছেন খালেদার পুত্র তারেক রহমানও।

রায়ে বলা হয়েছে, খালেদাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং দু’কোটি ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়। বাকি অভিযুক্তদের ১০ বছরের কারাবাসের আদেশ দেন বিচারক। ঠিক কী অপরাধে এই রায়?

জানা গিয়েছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকাকালীন তিনি এবং তাঁর ওই পাঁচ ঘনিষ্ঠ অসৎ উদ্দেশ্যে, অন্যায় ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। সরকারি ‘এতিম’ তহবিলের আর্থিক নয়ছয়ে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছেন। বিশেষ করে তিনি যখন ওই তহবিল পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন তখন ওই দু’কোটি ১০ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। এই অভিযোগে বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ৪০৯ এবং ১০৯ ধারায় তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছিল, সৌদি কমার্শিয়াল ব্যাঙ্ক থেকে ১২.৫৫ লক্ষ মার্কিন ডলার প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিলে এসেছিল। কিন্তু তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ১৯৯১ সালের ৯ জুন থেকে ১৯৯৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই অর্থ বাংলাদেশের কোনো এতিমখানায় না দিয়ে অস্তিত্বহীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট গঠন করা হয়। এই ট্রাস্ট গঠন ছিল প্রতারণার উদ্দেশ্যেই। যে কারণে এতিম তহবিল থেকে ওই পরিমাণ অর্থ ট্রাস্টে চালান করে দেওয়া হয়। পরে সেই টাকা তিনি আত্মসাত করেন।

এই মামলায় আর এক অভিযুক্ত খালেদার বড়ো ছেলে তারেক রহমান। যিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ওই অস্তিত্ববিহীন ট্রাস্ট গঠন করেন মায়ের ষড়ষন্ত্রে শামিল হয়ে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here