Connect with us

বাংলাদেশ

Mujibnagar Day: ঠিক ৫০ বছর আগের ১৭ এপ্রিল যিনি গার্ড অব অনার দিয়েছিলেন সেই মাহবুব উদ্দিন বীর বিক্রমের স্মৃতিচারণ

মাহবুব উদ্দিন বলেন, “একাত্তরে সাধারণ মানুষ, আদিবাসী-সহ সকলে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ ভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। আর সেই যুদ্ধ ছিল বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার যুদ্ধ।”

Published

on

বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার দেন মাহবুব উদ্দিন।

ঋদি হক: ঢাকা

আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন মেহেরপুর বৈদ্যনাথতলায় বাংলাদেশের স্বাধীন সরকার গঠিত হয়। সে দিন কলকাতা থেকে গাড়ি-বহর নিয়ে এসে বৈদ্যনাথতলায় শপথ নেন অস্থায়ী সরকারের সদস্যরা। আর এই শপথগ্রহণের মধ্য দিয়েই বিশ্ব জানতে পারে বাংলাদেশের নাম।

Loading videos...

করোনা মহামারিতেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে পালন করা হবে আজকের দিনটি। সকালে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হোসেন।

১৭ এপ্রিল ১৯৭১

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক পুলিশ অফিসার। ২৩-২৪ বছরের টগবগে যুবক। তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশ প্রশাসক (এসডিপিও)। অস্থায়ী সরকারকে প্রথম গার্ড অব অনার দেন তিনিই।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি। সে দিন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। মাথার ওপরে পত পত করে উড়ছে লালসবুজে খচিত বাংলাদেশের পতাকা। সেই পতাকায় সেই টগবগে যুবক দেখতে পান বঙ্গবন্ধুর মুখ। এর পর গার্ড অব অনার দেন তিনি। গর্জে ওঠে তাঁর কন্ঠ। খালি গলার কমান্ডে কেঁপে ওঠে বৈদ্যনাথতলার আকাশ-বাতাস। তিনি, মাহবুব উদ্দিন আহমেদ।

এক ঐশ্বরিক শক্তি ভর করে তাঁর মাঝে। বুটজুতোয় মাটি কাঁপিয়ে চলে গার্ড অব অনার। হাজারো মানুষের ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে বৈদ্যনাথতলার চতুর্দিক প্রকম্পিত। তার মধ্যেই মাহবুব উদ্দিনের কমান্ড আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। বিনা মাইকে এমনই কমান্ডের শক্তি কোথা থেকে এল তা আজও তাঁর অজানা। আসলে কারণ তখন তাঁর মনে, তাঁর প্রাণে একটাই ছবি – বঙ্গবন্ধুর মুখ।

মুজিবনগর সরকার-প্রধানের সালাম গ্রহণের ভাস্কর্য।

স্মৃতির পথ বেয়ে চলে গেলেন পঞ্চাশ বছর আগের মেহেরপুরে। এক যুবক পুলিশ অফিসার। নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন, কী ভাবে সম্ভব হয়েছিল ‘সে দিনের কমান্ড’? কোথায় যেন হারিয়ে গেলেন তিনি।

তাঁর গুলশান অফিসে বসে কথা হচ্ছিল।

তার পর? বলুন।

ফের স্মৃতির জানলা খুলে ধরেন প্রায় ৭৪ বছর বয়সি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বললেন, “তোমাকে আরও একটি কথা বলা হয়নি। তা হচ্ছে, ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরে বাংলাদেশ সরকার গঠিত হবার পর দিন ১৮ এপ্রিল কলকাতার পার্ক সার্কাসে সার্কাস অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন হাইকমিশন অফিসে প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।”

সেটাই ছিল বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন। যার উদ্যোগ নিয়েছিলেন হাইকমিশনের অন্যতম কর্মকর্তা হোসেন আলী। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু তাঁকে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত করেন। বাংলাদেশের সেই পতাকা উত্তোলনকালেও গার্ড অব অনার-এর দায়িত্ব পালন করেন মাহবুব উদ্দিন। বললেন, “জানো, এই দু’টো ঐতিহাসিক ঘটনা আজও আমার স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে। মনে হচ্ছে, সে দিনের ঘটনা।”

১৭ এপ্রিল কলকাতার থিয়েটার রোড থেকে সে দিন গাড়ি-বহর নিয়ে প্রথম বাংলাদেশ সরকারের সদস্য হিসাবে শপথ নিতে বৈদ্যানাথতলায় এসেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহম্মদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং কামরুজ্জামান-সহ অন্যরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন দেশি-বিদেশি বেশ কিছু সাংবাদিকও।

নদিয়ার কৃষ্ণনগর দিয়ে এসে বাংলাদেশ সীমান্ত। সেখান থেকে বর্তমান মুজিবনগরের দূরত্ব খুব একটা বেশি নয়। এই ধরো সর্বোচ্চ মাইল দু’য়েক বা তার কম হতে পারে, বললেন মাহবুব উদ্দিন।

মাহবুব উদ্দিন বললেন, “এ বারে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২৬-২৭ মার্চ বাংলাদেশ সফর করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদী মুজিবনগর-কৃষ্ণনগরের মধ্যে স্বাধীনতা সড়কটির উদ্বোধন করেন। করোনার কারণে সেখানে যাওয়া হয়ে ওঠেনি। নতুবা আমি তো অবশ্যই যেতাম।”

স্বাধীনতা সড়কের বাংলাদেশ অংশটি এখন ডাবল লেন করা হয়েছে। নদিয়া ও আশেপাশের মানুষ এখন খুব সহজেই মুজিবনগর আসতে পারবেন এবং জাদুঘর থেকে শুরু করে পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করতে পারবেন।

আচ্ছা, মুজিবনগর সরকার বা বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে, আগে থেকে এমন কোনো তথ্য আপনি জানতেন?

মাহবুবউদ্দিনের কথায়, “তোমাকে তো আগেই জানিয়েছি, আমি তখন তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমায় পুলিশ প্রশাসক (এসডিপিও)। ১৭ এপ্রিল সকালবেলায় খবর পেলাম আমাকে বৈদ্যনাথতলায় যেতে হবে। কারণ সেখানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ নেবে।

“নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে পৌঁছুলাম বৈদ্যনাথতলায়। তাতে খুব একটা সময় লাগেনি। মুক্তাঞ্চল বৈদ্যনাথতলা। সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম একটি ছোটো আকারের মঞ্চ। তার উপরে কয়েকটি পুরোনো চেয়ার ও একটি ছোটো টেবিল।

“মঞ্চের এক কোনায় একটা সরু বাশ পোঁতা। মঞ্চ ঘিরে স্থানীয় মানুষের ভিড়। মঞ্চের পাশে প্রহরায় ভারতীয় কমান্ডো বাহিনীর ক’ জন সদস্য। একটু দূরে একটা হারমোনিয়ামে চলছিল জাতীয় সংগীতের রিহার্সেল। হারমোনিয়াম থেকে শুরু করে সব কিছুই সংগ্রহ করা। বেলা তখন ১১টা হবে। গাড়িবহর নিয়ে কলকাতা থেকে নেতৃবৃন্দ বৈদ্যনাথতলায় উপস্থিত হলেন।

“কিছুক্ষণের মধ্যে মঞ্চে আসন নিলেন তাঁরা। এর পর ঘোষণা দেওয়া হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপরাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী, এম কামরুজ্জামান স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং কর্নেল আতাউল গণি ওসমানী প্রধান সেনাপতি।

“অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন টাঙাইলের জননেতা আব্দুল মান্নান, এমএনএ। পরিচয়পর্বের পর শপথবাক্য পাঠ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী, এমএনএ।”

এর পর, এর পর কী হলো বলুন?

স্মৃতির অতলে ডুব দিলেন মাহবুব উদ্দিন। তিনি মাঝে মাঝে কেঁপে উঠছিলেন। বোঝা যাচ্ছিল তার মধ্যে একটা উত্তেজনা কাজ করছে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার, বঙ্গন্ধুর মুখ, গণহত্যা ইত্যাদি তাঁর চোখের সামনে ভেসে উঠছে। এ বারে সোজা হয়ে বসলেন বীরযোদ্ধা।

“জানো এর পরই আমার পালা। এটিকে জীবনের মাহেন্দ্রক্ষণই বলব। একটা জাতির ইতিহাসের অংশ হতে যাচ্ছি। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার-প্রধানকে আমার নেতৃত্বে গার্ড অব অনার প্রদান করা হল। আমি তৃপ্ত হলাম।

“জীবনে আর কোনো দিন এমন করে গর্জে ওঠে কমান্ড দেওয়ার সুযোগও পাব কিনা সন্দেহ। যখন গার্ড অব অনার দিচ্ছিলাম, তখন ক্যামেরার অসংখ্য ফ্লাশ জ্বলে উঠছিল। সেই সঙ্গে হাজারো মানুষের ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস কেঁপে উঠছিল।

“গার্ড অব অনার বিষয়ে তোমাকে একটা কথা বলা হয়নি। গার্ড অব অনার-এর দায়িত্ব পালনের কথা ছিল তৎকালীন ইপিআর (বর্তমান বিজিবি) সেক্টর কমান্ডার মেজর আবু ওসমান চৌধুরীর। অজ্ঞাত কারণে তিনি সেখানে উপস্থিত হতে পারেননি। এ সময় হন্তদন্ত হয়ে বন্ধু তৌফিক-ই-এলাহী (বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা) এসে বলল, ‘ওসমান ভাই তো আসার কথা ছিল। কিন্তু উনি তো এলেন না। এখন কী করি? গার্ড অব অনার কী করে দেওয়া যায় চিন্তা করো’।

“আমি তাঁকে আশ্বস্ত করে বললাম, তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে বহু গার্ড অব অনার দিয়েছি এবং নিয়েছি। সব ঠিক করে নেবো। এর পর আমি তৎক্ষণিক গার্ড অব অনার-এর ব্যবস্থা করি।”

সেটা কী ভাবে সম্ভব হল?

মাহবুব উদ্দিন বলে চলেন, “আমার সঙ্গে তিন-চারজন পুলিশ কনস্টেবল ছিল। আর আশপাশ থেকে কয়েক জন আনসার এনে কয়েক মিনিটের প্রশিক্ষণ দিলাম। তার পর বলাম আমি প্রস্তুত। এর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মঞ্চে এসে দাঁড়ালেন। পেছনে প্রধান সেনাপতি কর্নেল আতাউল গণি ওসমানী। মঞ্চের বাঁ দিকে মাটিতে দাঁড়িয়ে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহম্মদ। অন্য সবাই মঞ্চের পাশে অপেক্ষা করছেন।

“এ অবস্থায় আমার নেতৃত্বে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে সামরিক কায়দায় গার্ড অব অনার প্রদান করলাম। প্রেজেন্ট আর্মস করে সৈনিকেরা যখন তাদের রাইফেল ঊর্ধ্বমুখী করে দাঁড়াল তখন আমি হাত তুলে তাঁকে স্যালুট দিলাম। তিনি স্যালুট গ্রহণ করলেন।

“আর সঙ্গে সঙ্গে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ গানটি বেজে উঠল। এর পর মঞ্চের পাশে সরু বাঁশটিতে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

“বাতাসে পতাকাটা পতপত করে উড়ছে। সেই পতাকায় দেখতে পেলাম বঙ্গবন্ধুর মুখ। পতাকা উত্তোলনের পর মঞ্চে দাঁড়ালেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। জাতীয় সংগীত শেষে কমান্ড দিয়ে সালাম শেষ হল। রাইফেলধারীদের অস্ত্র নেমে এল ঘাড়ে। আমিও হাত নামালাম। কুইক মার্চ করে সামনে এগিয়ে গেলাম দু’ কদম। তার পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানিয়ে বললাম, ‘স্যার, আমাদের দল আপনার পরিদর্শনের অপেক্ষায়।’

“তিনি ধীর পদক্ষেপে মঞ্চ থেকে নেমে এলেন। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে গার্ড অব অনার পরিদর্শন করলাম। অবশেষে তিনি আবার মঞ্চে ফিরে গেলেন। আমি সৈনিকদের সামনে দাঁড়িয়ে আবার তাঁকে সালাম জানিয়ে বললাম, ‘আমি এখন সৈনিকদের নিয়ে বেরিয়ে যেতে চাই।’ তিনি অনুমতি দিলেন।

“এর পর আমি মার্চপাস্ট করে মঞ্চের সামনে থেকে সরে গেলাম। এ সময় উপস্থিত হাজারো মানুষের কণ্ঠ এক সঙ্গে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে বৈদ্যনাথতলার আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। সে এক অভূতপূর্ব মুর্হূত। অনুধাবন করা যায়। ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

“পরবর্তীতে মঞ্চে আসেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ। তিনি কয়েক জনকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ঘোষণা দিলেন, আজ থেকে বৈদ্যনাথতলার নাম হবে ‘মুজিবনগর’। আর এ মুজিবনগরই হবে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী। এখান থেকেই সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

“তাজউদ্দিন আহমদের ঐতিহাসিক ঘোষণায়ই বৈদ্যনাথতলা ‘মুজিবনগর’ নামে স্বীকৃতি পেল। আর এই মুজিবনগর সরকার গঠনের মধ্য দিয়েই গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে স্বাধীন বাংলার অস্তিত্বের কথা।”

মাহবুব উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম

১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করেন। এর পর ১৯৬৭ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে সারদা পুলিশ একাডেমিতে যোগদান করেন। তৎকালীন যশোর জেলার অধীনে ঝিনাইদহ ছিল একটি মহকুমা। ১৯৭১ সালে ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশ প্রশাসক (এসডিপিও) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পূর্বেই তিনি অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন কুষ্টিয়া এবং ঝিনাইদহের জনযুদ্ধে স্থানীয় জনতাকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পরাভূত করেন এবং তাদের সমস্ত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র সংগ্রহ করেন। এ ছাড়া ১০ ও ১২ এপ্রিল মান্দারতলায় পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন। এর পর ১৩ এপ্রিল বারোবাজারে পাকবাহিনীকে প্রতিরোধে অংশ নেন।

২০ সেপ্টেম্বর পাকবাহিনীর বৈকারী ঘাঁটির উপর আক্রমণ চালাতে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ব্যারাকপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হন। আহত এক যোদ্ধা রণাঙ্গনের পরিবর্তে হাসপাতালে, কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না। তিনি যে মাতৃভূমিকে মুক্ত করার এক লড়াকু সৈনিক। হাসপাতালের বিছানা তাঁকে মানায় না। বিছানায় ছটপট করতে থাকেন। অসামান্য দৃঢ় মনোবলের এই যোদ্ধা কখন ফিরে যাবেন রণাঙ্গনে! যেখানে মায়ের আঁচল তাঁকে আটকে রাখতে পারেনি, সেখানে হাসপাতালের বিছানায় আটকা পড়ে মাঝে মাঝেই খেপে উঠছিলেন মাহবুব উদ্দিন।

এর পর ২৬ দিনের মাথায় অর্থাৎ ১৬ অক্টোবর ফের রণাঙ্গনে ফিরে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য কৃতিত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করে।

উপসংহারে যে কথা বললেন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উক্তি টেনে বলেন, “বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমি বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতার একটা বীজ পুঁতে রেখে গেলাম। এই বীজ যে দিন উৎপাটন করা হবে, সে দিন বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যাবে’। আমাদের সেই স্বপ্নের পথে এগোতে হবে। একাত্তরে সাধারণ মানুষ, আদিবাসী-সহ সকলে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ ভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। আর সেই যুদ্ধ ছিল বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার যুদ্ধ।”

কথা শেষ

এ বার বিদায়ের পালা। উঠে দাঁড়ালাম। তিনিও আশীর্বাদ করলেন, বললেন, “ভালো থেকো আর দেশের জন্য কাজ করো”। তাঁর উপদেশ মাথায় নিয়ে মনে মনে তাঁকে গার্ড অব অনার দিয়ে বেরিয়ে আসতে আসতে বললাম, “বিদায় বীর যোদ্ধা এবং ইতিহাসের সাক্ষী মাহবুব উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম”।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দেশ

টিকা পেতে ভারতকে চিঠি, সীমান্তে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশ

জরুরি প্রয়োজনে ভারতকে ৩০ লক্ষ ডোজ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

Published

on

মার্কিন দূতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী।

ঋদি হক: ঢাকা

জরুরি প্রয়োজনে টিকা পেতে ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তাতে তিনি বলেছেন, পুরোটা না দিতে পারলেও সেকেন্ড ডোজ দেওয়ার জন্য যা লাগবে সেটা যেন সরবরাহ করা হয়। জরুরি প্রয়োজনে ৩০ লক্ষ ডোজ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ড. মোমেন আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে দুশ্চিন্তায় সময় পার করছে বাংলাদেশ। ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারের সঙ্গে বিদেশমন্ত্রকে বৃহস্পতিবার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা জানালেন ড. মোমেন।

Loading videos...

ড. মোমেন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২ কোটি টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কত ডোজ টিকা দরকার তা জানতে চান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। অবিলম্বে যে ৪০ লাখ ডোজ টিকার প্রয়োজন তা জানানো হয় তাঁকে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে যুক্তরাষ্ট্র মিশন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

টিকা চেয়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে। তাতেও প্রাথমিক ভাবে ৪০ লাখ ডোজ টিকা চাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে যাঁরা প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রাখার জন্য এটি ন্যূনতম প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাঙালিদেরও উদ্যোগ নিতে বলেছেন ড. মোমেন। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত টিকা নিয়ে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। 

রাশিয়া থেকে টিকা আসার বিষয়টি কতটা নিশ্চিত জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী বলেন, এই বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রক নির্ধারণ করে থাকে। রাশিয়া একটি প্রস্তাব দিয়েছে এবং তার ওপর ভিত্তি করে তারা টিকা দেবে বা যৌথ উৎপাদনে যাবে। এটি স্বাস্থ্যমন্ত্রক দেখছে।

ভারত থেকে টিকা আনার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, “আমরা ভারতকে চিঠি দিয়েছি। আমি নিজে ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে বলেছি, পুরোটা দেওয়া সম্ভব না হলেও অবিলম্বে ৩০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করা হোক। আমরা এখনও উত্তর পাইনি।”

আরও পড়ুন: মমতাকে অভিনন্দন জানালেন শেখ হাসিনা

Continue Reading

দেশ

মমতাকে অভিনন্দন জানালেন শেখ হাসিনা

Published

on

ফাইল ছবি।

ঋদি হক: ঢাকা

টানা তিন বার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (West Bengal CM) হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Bandyopadhyay) অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (Bangladesh PM) শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

Loading videos...

চিঠিতে শেখ হাসিনা লিখেছেন, “প্রিয় মমতাজি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে টানা তৃতীয় বারের মতো শপথগ্রহণ উপলক্ষ্যে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বিপুল বিজয় আপনার ওপর পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সুগভীর আস্থার প্রতিফলন। ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। বিশেষ ভাবে, পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়, হৃদয়ের এবং আবহমানকালের।

“২০২১-এর এই বিশেষ সময়ে যখন আমরা মুজিববর্ষ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করছি, সেই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে পশ্চিমবঙ্গের জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের অবদান এবং সেই সঙ্গে আমাদের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও জীবনচর্চা। বৈশ্বিক করোনাভাইরাস মহামারির এই ক্রান্তিকালে বন্ধুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সংকট উত্তরণের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করে যেতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

“আপনার সুযোগ্য নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সর্বাঙ্গীন উন্নতি ও উত্তরোত্তর মঙ্গল কামনা করছি। দুই বাংলার জনগণের অধিকতর সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আগামী দিনগুলোতে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ থেকে ঘনিষ্ঠতর হবে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও অব্যাহত সাফল্য প্রত্যাশা করছি।”

Continue Reading

পরিবেশ

২০ বছরে বাংলাদেশের সুন্দরবনে ২৫ বার আগুন, পুড়ে গেছে প্রায় ৮১ একর বনভূমি

ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৩৩ টাকা।

Published

on

ঋদি হক: ঢাকা

বাংলাদেশের সুরক্ষা দেওয়াল সুন্দরবনে কেন বার বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে!  নেপথ্যের রহস্যই বা কী? বিগত ২০ বছরে ২৫ বার আগুন লেগেছে সেখানে। আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে গেছে প্রায় ৮১ একর বনভূমি। তাতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৩৩ টাকা। কিন্তু আগুন লাগার কারণ অজ্ঞাত। সুন্দরবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

Loading videos...

তবে বন বিভাগের খবর, ২০০২ থেকে ২০২১ সনের ৩ মে পর্যন্ত বিশ বছরে আগুনে পুড়েছে সুন্দরবনের প্রায় ৭২ একর বনাঞ্চল।

সর্বনাশা আগুনের লেলিহান শিখা যেন ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের পিছু ধাওয়া করে ফিরছে। সুযোগ পেলেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে এই জঙ্গলে। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই বলতে গেলে একই এলাকায় বারংবার আগুন লাগে। একের পর এক আগুনে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ রক্ষার দেওয়াল সুন্দরবন। বেড়েই চলেছে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি। 

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ সূত্রের খবর, ২০০২ সালে সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের কটকায় আগুন লাগে একবার। একই রেঞ্জের নাংলি ও মান্দারবাড়িয়ায় দু’ বার। ২০০৫ সালে পচাকোড়ালিয়া, ঘুটাবাড়িয়ার সুতার খাল এলাকায় দু’ বার। ২০০৬ সালে তেড়াবেকা, আমুরবুনিয়া, খুরাবাড়িয়া, পচাকোড়ালিয়া ও ধানসাগর এলাকায় পাঁচ বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

২০০৭ সালে পচাকোড়ালিয়া, নাংলি ও ডুমুরিয়ায় তিন বার, ২০১০ সালে গুলিশাখালিতে এক বার। ২০১১ সালে নাংলিতে দু’ বার। ২০১৪ সালে গুলিশাখালিতে এক বার। ২০১৬ সালে নাংলি, পচাকোড়ালিয়া ও তুলাতলায় তিন বার। ২০১৭ সালে মাদ্রাসারছিলায় এক বার এবং চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ধানসাগর এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সর্বশেষ সুন্দরবনের দাসের ভারানি এলাকায় আগুন লাগে গত সোমবার অর্থাৎ ৩ মে সকাল ১১টায়। ৩০ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার বিকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার কথা জানায় বন বিভাগ ও ফায়ার সাভির্স। পরে সন্ধ্যায় সুন্দরবন ছেড়ে চলে যায় ফায়ার সাভির্সের ৩টি ইঞ্জিন। 

সর্বশেষ বুধবার ভোর থেকে একই স্থানে ফায়ার লাইনের মধ্যেই ফের আগুন লাগে। তাতে গাছপালা ও লতাগুল্ম দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে। আগুনের খবর পেয়ে সকালে বন বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের শরণখোলা থেকে একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে মোরেলগঞ্জ ও বাগেরহাটের ফায়ার সার্ভিসের আরও দু’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজে যুক্ত হয়। স্থানটি লোকালয় থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার বনের গহীনে দাসের ভারানি এলাকায়।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা ও তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) জয়নাল আবেদিন তৃতীয় দিনের মতো শরণখোলা রেঞ্জের দাসের ভারানি এলাকায় আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শরনখোলা, মোরেলগঞ্জ ও বাগেরহাটের ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইঞ্জিন-সহ বন বিভাগ ও সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়োজিত ভিটিআরসি টিমের সদস্যরা আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ওই আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন বিভাগ। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে (ডিএফও) প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রথম বার ভারত থেকে রেলপথে বাংলাদেশ আমদানি করছে ৫০ হাজার টন চাল

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
রাজ্য3 days ago

কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুনর্গণনার দাবিতে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর

sourav ganguly
ক্রিকেট2 days ago

Covid Crisis in IPL: জৈব সুরক্ষা বলয়ে কোনো ফাঁক ছিল বলে মনে করেন না সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

দেশ2 days ago

Corona Update: দু’তিনটে রাজ্যে সংক্রমণবৃদ্ধির জের, ভারতের দৈনিক সংক্রমণ ভেঙে দিল অতীতের রেকর্ড

রাজ্য2 days ago

Post-Poll Violence: ইন্ডিয়া টুডে-র সাংবাদিকের ছবি পোস্ট করে হিংসায় মৃত হিসেবে বর্ণনা বিজেপির

রাজ্য3 days ago

Bengal Corona Update: দৈনিক সংক্রমণ ১৮ হাজারের গণ্ডি পেরোলেও কমল সংক্রমণের হার, পর পর ৪ দিন সুস্থতার হারে বৃদ্ধি

রাজ্য2 days ago

সুখবর! রাজ্য সরকারি কর্মীরা পাচ্ছেন অ্যাড-হক বোনাস

রাজ্য1 day ago

‘যা বলার পরে ডেকে বলব’, জল্পনা বাড়ালেন মুকুল রায়

পরিবেশ3 days ago

২০ বছরে বাংলাদেশের সুন্দরবনে ২৫ বার আগুন, পুড়ে গেছে প্রায় ৮১ একর বনভূমি

ভিডিও

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 months ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা3 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা3 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা3 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা4 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা4 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা4 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা4 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা4 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা4 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে