bangladesh drug war

ঢাকা: বেশ কিছু দিন ধরেই বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাদক বিরোধী অভিযানে নেমেছে বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনী। এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তাবাহিনীর সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৫। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত নতুন করে বারো জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে।

গত ১৫ মে থেকে মাদক চোরাচালানকারী এবং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব) এবং অপরাধবিরোধী এলিট বাহিনী। নিরাপত্তাবাহিনী এবং বাংলাদেশ সরকারের এই ভূমিকার বিরোধিতা করতে শোনা গিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এবং বিদেশি দূতদের তরফ থেকে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নিহতদের দেহ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। তবে নিরাপত্তাবাহিনীর দাবি, সব মৃত্যু তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে হয়নি। অনেক ক্ষেত্রেই মাদক ব্যবসায়ীদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দের ফলেও মৃত্যু হয়েছে ব্যবসায়ীদের।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুরোপুরি যুদ্ধে নেমেছে বাংলাদেশ। যতক্ষণ না মাদকের কারবার দেশে পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে, ততক্ষণ এই যুদ্ধ চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এই অভিযানে নিহতের সংখ্যা সব থেকে বেশি কুষ্টিয়া, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, রাজশাহী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ, যশোর, ফেনী, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, ঝিনাইদহ, টাঙ্গাইল, নরসিন্ধী, চুয়াডাঙ্গা, গাজীপুর, কুমিল্লা, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, জামালপুর, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, মাগুরা জেলায়।

এ দিকে এই অভিযানের তীব্র নিন্দা করেছে জাতীয় মানবাধিকার সংগঠনের চেয়ারম্যান কাজি রেজাউল হক। তিনি বলেন, “আমরা বলতে চাই যে অপরাধীদের আইনানুগ ভাবে শাস্তি হওয়া উচিত।” এই মর্মে কিছু দিনের মধ্যেই হাসিনা সরকারের কাছে চিঠিও পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন রেজাউল।

এ রকম ভাবে মানুষ মেরে মাদক কারবার সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করা যায় কি না সেই ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছে দেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমও।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here