Connect with us

বাংলাদেশ

করোনার থাবায় বন্ধ ঢাকার ইসকন রথের শোভাযাত্রা

ঋদি হক

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন কৃষ্ণভক্তরা। শুধু বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মানুষই নন, নানা জাতি-ধর্মের মানুষ ছুটে আসেন এই প্রার্থনালয়ে। কোনো গোষ্ঠীর নয়, মানুষের জন্য দেবালয়ের দরজা সকাল-সন্ধ্যা খোলা। এটি ঢাকার (Dhaka) ঐতিহাসিক স্বামীবাগ ইসকন মন্দির (Swamibagh Iskcon Templa) নামেই খ্যাত। শত বছরের পুরোনো। বিশাল এলাকা জুড়ে এর অবস্থান।

এখানে ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণাবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ (১৮৯৬-১৯৭৭) সংক্ষেপে শ্রীল প্রভুপাদের মূর্তি রয়েছে।

মন্দিরের দক্ষিণে রয়েছে সদর দরজা। জীবাণুমুক্ত দরজা গলে ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা গেল ব্যস্ত  ভক্তের দল। এখানে দুই শতাধিক ভক্ত অথাৎ ব্রহ্মচারী রয়েছেন। তাঁরাই মন্দিরের লাইব্রেরি-সহ সকল কিছুর দেখভাল করে থাকেন।

দরজায় উঁকি দিচ্ছে রথযাত্রার (Ratha Yatra) দিন। ২৩ জুন ঐতিহাসিক বর্ণাঢ্য রথযাত্রা। এ উপলক্ষ্যে জগন্নাথদেবের (Lord Jagannath) রথ সাজাতে এবং মন্দির প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে ব্যস্ত ব্রহ্মচারীরা। সদর দরজা থেকে ব্যারিকেড দিয়ে পথ তৈরি করা হয়েছে। প্রার্থনার বিশাল জায়গায় চারিদিকে রশি টেনে তৈরি করা হয়েছে নিরাপত্তা বেষ্টনী। দৈহিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রভুর প্রার্থনায় যাতে সবাই যোগ দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এ বার দুনিয়াজোড়া অতিমারি করোনার কারণে মন্দির চত্বরেই সীমাবদ্ধ থাকছে রথযাত্রা। ধরা গলায় এমন কথাই জানালেন স্বামী ক্ষীরত্রীয় গোপীনাথ।

রথ সাজানো চলছে।

প্রতি বছর এই মন্দির থেকেই জগন্নাথদেবের রথযাত্রা বের হয়, যা প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ করে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রাটি প্রায় এক কিলোমিটার মতো দীর্ঘ হয়। পথের দু’ ধারে হাজারো ভক্ত লুটিয়ে পড়েন প্রভুর কৃপা প্রার্থনায়।

ইসকনের সাবেক সভাপতি ও মন্দির তত্ত্বাবধায়ক প্রভু কৃষ্ণকীর্তন দাস ব্রহ্মচারী জানালেন, করোনায় মন্দিরের বেশ ক’ জন ভক্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্রভু পরমেশ্বরের কৃপায় তাঁরা সম্পূর্ণ সুস্থ। ইসকনের তত্ত্বাবধানে এখানকার কালীমন্দির, শিবমন্দির-সহ বেশ কয়েকটি মন্দির পরিচালিত হয়ে আসছে। দুস্থদের সেবায় ইসকনের স্বাস্থ্যব্যবস্থা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মসভা ও প্রচারের কাজে ৯টি নিজস্ব গাড়ি রয়েছে। মানবকল্যাণে ইসকনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে।

ব্রহ্মচারী জাহ্নবী নিতাই দাস বলেন, তাঁরা দুইশতাধিক ভক্ত অর্থাৎ ব্রহ্মচারী রয়েছেন। মন্দিরের সকল কার্মকাণ্ড দেখভালের পাশাপাশি জগৎবাসীর কল্যাণে জগন্নাথদেবের প্রার্থনায় নিমগ্ন থাকেন।

তিনি জানালেন, ইসকনের ভক্তি বেদান্ত বুক ট্রাস্ট নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ১৩৫টির অধিক ভাষায় শ্রীমৎ ভগবত গীতা, শ্রী ভাগবতম ও চৈতন্যচরিতামৃত ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে আসছে। স্বামীবাগ আশ্রমে বড়ো আকারের একটি লাইব্রেরিও রয়েছে। সেখানে সব সময় কৃষ্ণ-অনুসারীরা ছুটে আসেন বিভিন্ন প্রকার গ্রন্থ সংগ্রহের জন্য।

দেশ

এক মাসে ভারত-বাংলাদেশ পণ্যবাহী শতাধিক ট্রেন চলেছে

ঋদি হক: ঢাকা

করোনা-প্রার্দুভাব ও লকডাউনের কারণে ভারত-বাংলাদেশ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। ইদানীং সেই বাণিজ্য অবশ্য চালু হয়েছে। তবে এরই মধ্যে রেলপথে পণ্য পরিবহনের প্রস্তাব দেয় ভারত। ভারতের সেই প্রস্তাবকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশ।

এর পর জুন মাসের গোড়া থেকেই দু’ দেশের মধ্যে রেলপথে পণ্য পরিবহণ শুরু হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ে ও ভারতীয় রেলের ব্যবস্থাপনায় পণ্যবাহী ট্রেনগুলো চলাচল করেছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন সূত্র জানায়, এক মাসে ভারতীয় রেলের  ১০৩টি পণ্যবাহী ট্রেন পেঁয়াজ, আদা, মরিচ, ভুট্টা, হলুদ, ধানের বীজ, চিনি ইত্যাদি নিত্যপণ্য বাংলাদেশে সরবরাহ করেছে। করোনা মহামারিজনিত পরিস্থিতিতে লকডাউনের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে ট্রেনে পণ্য আনা-নেওয়া বেড়েছে। দুই দেশের রেলপথে এক মাসে শতাধিক পণ্যবাহী ট্রেন চলা একটা রেকর্ড।

ট্রেনে পণ্য সরবরাহের সাফল্য দেখে বাংলাদেশ রেলওয়ে দু’ দেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেন অর্থাৎ পার্সেল ট্রেন সেবা চালুর অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে মালগাড়িপ্রতি ২৩৮ মেট্রিক টন পণ্য পরিবাহিত হবে।

আরও পড়ুন: চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে শুরু হল ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য

সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ একাধিক ভিডিও কনফারেন্সে বাংলাদেশের রেল মন্ত্রক, এনবিআর (ন্যাশনাল বোর্ড অব রেভেনিউ) ও বাণিজ্য মন্ত্রককে দুই দেশের মধ্যে ট্রেনে পণ্য আনা-নেওয়া সহজীকরণের ব্যাপারে অনুরোধ জানান। আলোচনার পরে এখন এনবিআর ও বাংলাদেশ রেলওয়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে কনটেনার ট্রেন সেবা সহজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

Continue Reading

দেশ

চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে শুরু হল ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য

ঋদি হক: ঢাকা

প্রায় সাড়ে তিন মাস পর ভারতের (India) চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর (Changrabandha Land Port) দিয়ে শুরু হল বৈদেশিক বাণিজ্য। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে স্বয়ং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্য চালু করার কথা ঘোষণা করতেই আশা ছিল হয়তো বুধবার থেকেই চালু হয়ে যাবে বাণিজ্য। তা অবশ্য হয়নি। এক দিন দেরিতে, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য।

করোনার বিস্তার রুখতে চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছিল এই বাণিজ্য। বৃহস্পতিবার বিকালে স্থলবন্দরে উপস্থিত হন পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন, এমএলএ ড. সৌরভ চক্রবর্তী, এমএলএ অর্ঘ রায় প্রধান, চ্যাংরাবান্ধা উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান পরেশ অধিকারী এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মন্ত্রী-এমএলএ’র হাত ধরেই বৈদেশিক বাণিজ্যের দুয়ার খোলে। একের পর এক পণ্যবোঝাই ট্রাক ঢুকতে থাকে বাংলাদেশে (Bangladesh)।

চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য (Indo-Bangla Trade) শুরু হওয়ায় দু’ দেশের ব্যবসায়ীদেরই স্বস্তি ফিরেছে। বুড়িমারি (Burimari) স্থলবন্দরে ফের দেখা দিয়েছে কর্মচাঞ্চল্য।

আরও পড়ুন: বুধবার চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে শুরু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য

এখানকার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দু’ দেশের বাণিজ্য এত দিন বন্ধ থাকায় তাঁদের অনেক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। সময়মতো পণ্য ডেলিভারি করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে বহু বিলও আটকে রয়েছে। সবাই ঋণী। ও দিকে ব্যাঙ্কের তরফেও তাগাদা আসছে। তবু এত দিন পরে বাণিজ্য শুরু হওয়ায় তাঁরা খুশি। 

বৈদেশিক বাণিজ্য বন্ধ থাকায় ক্ষতির মুখে পড়েন বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে তিনশো ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান জানান, আমদানিকৃত বিভিন্ন পণ্য দীর্ঘদিন ট্রাকে ছিল। ফলে তার কিছুটা তো নষ্ট হয়েছে। আবার কোনো কোনো পণ্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।

তবে দীর্ঘ দিন পরও যে বন্দর চালু হয়েছে, তাতেই একটা আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য পুনরায় চালু হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ডুয়ার্স ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক এবং যৌথ ব্যবসায়ী কমিটির অন্যতম নেতা উৎপল কুমার রায়। পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্য চালু করার ব্যাপারে স্থানীয় রাজনীতিক, মন্ত্রী, সকলেরই আন্তরিক প্রচেষ্টার উল্লেখ করেন তিনি।

উৎপলবাবু জানালেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও ব্যবসায়ীরা একটা স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ফিরেছেন।

Continue Reading

বাংলাদেশ

গুলশানে জঙ্গি হামলার ৪ বছর, অনলাইন প্রচারণায় সক্রিয় জঙ্গি গোষ্ঠী

ঋদি হক: ঢাকা

বহুল আলোচিত গুলশন (Gulshan) জঙ্গি হামলার চার বছর পূর্ণ হল। দুনিয়া জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা এই হামলা হয়েছিল ২০১৬ সালের ১ জুলাই।

সে দিন আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর একদল অস্ত্রধারী জঙ্গি গুলশনের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় (Holey Artisan Bakery) হামলা চালায়। জঙ্গিরা অবস্থানরত দেশি-বিদেশি নাগরিকদের পণবন্দি করে। এর পর একে একে হত্যা করা হয় জাপানি, ইতালিয়ান ও ভারতীয়-সহ দেশ-বিদেশের ২০ অতিথিকে। এঁদের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি, ৭ জন জাপানি, ৯ জন ইতালিয়ান এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। পরে সেনা অভিযানে আইএস-এর পোশাক পরা ৫ জঙ্গি নিহত হয় এবং ১২ ঘণ্টা পর ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অবসান ঘটে।

নিহতদের শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার চিন, জাপান ও আমেরিকার রাষ্ট্রদূত, ঢাকা মহানগর পুলিশ কশিমনার, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ানের (র‌্যাব) ডিজি-সহ বহু বিশিষ্ট বাংলাদেশি ঘটনাস্থলে হাজির হন। তাঁরা জঙ্গি-হামলায় নিহতদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি, DMP) কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (Md. Shafiqul Islam) বলেন, বিশ্বজোড়া করোনা মহামারি পরিস্থিতিতেও জঙ্গি সংগঠনগুলো বসে নেই। তারা অনলাইনে সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছে, নানাবিধ প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ ঘরেই বেশি সময় কাটাচ্ছেন। এ সময় তাঁরা ধর্মীয় সাইটগুলোতে বেশি ভিজিট করছেন। এর সুযোগ নিচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলো। তাদের সদস্যরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট পুলিশের সদস্যরা।

কমিশনার আরও বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সব চেয়ে বড়ো যে জঙ্গি হামলার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ (Bangladesh), সেটি হচ্ছে হলি আর্টিজানের জঙ্গি হামলা। হলি আর্টিজান হামলার পর থেকে একের পর এক জঙ্গি-আস্তানা গুঁড়িয়ে  দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিদের যে সক্ষমতা ছিল, সেটি এখন নেই বললেই চলে। এখন তারা যে সব ইম্প্রভাইজড বোমা বানায়, তার আসল সব এক্সপার্ট পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। তারা জেলে রয়েছে। অনেকে বিভিন্ন অভিযানে নিহত হয়েছে। তাই এখন সে ধরনের সক্ষমতা জঙ্গি সংগঠনগুলোর নেই। হলি আর্টিজান হামলার পরে বাংলাদেশ পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেমন ঢেলে সাজা হয়েছে, একই ভাবে জঙ্গিবাদে যারা জড়িত তাদের সক্ষমতা, ক্ষমতা সম্পর্কেও পুলিশের একটা সুস্পষ্ট ধারণা হয়েছে বলেও দাবি করেন শফিকুল ইসলাম।

২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাস-বিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান হলি আর্টিজান হামলা সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মামলার ৮ আসামির মধ্যে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হল, জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশ, আব্দুস সবুর খান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাদিসুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ এবং মামুনুর রশিদ রিপন। মিজানুর রহমান ওরফে বড়ো মিজান নামের একজনকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, বাংলাদেশে তথাকথিত জিহাদ কায়েমের লক্ষ্যে এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে জেএমবির একাংশ নিয়ে গঠিত হয় নব্য জেএমবি। তারাই গুলশন হলি আর্টিজান বেকারিতে নারকীয় ও দানবীয় হত্যাকাণ্ড ঘটায়। হলি আর্টিজান হামলার মধ্য দিয়ে জঙ্গিবাদের উন্মত্ততা, নিষ্ঠুরতা ও নৃশংসতার জঘন্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এই কলঙ্কজনক হামলার মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চরিত্র হরণের চেষ্টা করা হয়, যাতে বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য পরিচিত বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি এই হামলায় কিছুটা ক্ষুন্ন হয়।

Continue Reading
Advertisement
রাজ্য10 seconds ago

এ বার মাস্ক না পরলে শাস্তি‍! নতুন নির্দেশিকা রাজ্য়ের

ক্রিকেট6 mins ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: ম্যাচ গড়াপেটার তদন্ত বন্ধ করল শ্রীলঙ্কা

দেশ36 mins ago

নাগাল্যান্ডে নিষিদ্ধ হল কুকুরের মাংস

দেশ44 mins ago

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, রেল বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে ট্রেড ইউনিয়নগুলি

দেশ2 hours ago

‘বিস্তারবাদ’ অতীত, বিশ্বে এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক, লাদাখে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

gst
শিল্প-বাণিজ্য3 hours ago

জিএসটি-তে বড়োসড়ো স্বস্তি, কমল জরিমানা

দেশ3 hours ago

এক মাসে ভারত-বাংলাদেশ পণ্যবাহী শতাধিক ট্রেন চলেছে

thunderstorm
রাজ্য3 hours ago

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

নজরে