সুন্দরবনের ক্ষতি না করেই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে। শনিবার ঢাকায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাফ জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকার গণভবনের সাংবাদিক সম্মেলনে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি হবে অত্যাধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রটিক্যাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যে কোনও ধরনের দূষণ এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ভাবে গভীর বনভূমির দশ কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ না করার আইন আছে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তৈরি হচ্ছে সুন্দরবনের প্রান্ত থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে।

এই প্রসঙ্গে তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া এবং যে সংগঠনগুলি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বিরোধিতা করছে, সাংবাদিক সম্মেলনে তাদেরও এক হাত নেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া পাল্টা প্রশ্ন করে জানতে চেয়েছেন তাঁর দেওয়া তথ্য কোনটা ‘ভুল ছিল তা জানাতে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপণের জন্য ঋণ দিচ্ছে ভারতে অ্যাক্সিম ব্যাঙ্ক। ১৭৭ টি সংগঠন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঋণ না দেওয়ার জন্য অ্যাক্সিম ব্যাঙ্ককে অনুরোধ জানিয়েছে। এ প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, অ্যাক্সিম ব্যাঙ্ক যদি এই প্রকল্পের জন্য টাকা না দেয়, তবে সরকার নিজেই এর ব্যয় ভার বহন করবে।

তবে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেছে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। তাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী দেওয়া অনেক তথ্যই ‘ভুল’ এবং তা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রচার দ্বারা প্রভাবিত’। এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে রবিবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।      

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here