Connect with us

দেশ

করোনায় স্থবির শেওলা-সূতারকান্দি স্থলবন্দরের অর্থনীতির চাকা

শেওলার অপর প্রান্তে উত্তরপূর্ব ভারতের অসম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার সুতারকান্দি স্থলবন্দর।

Published

on

শেওলা কাস্টমস হাউজ।

ঋদি হক (শেওলা স্থলবন্দর থেকে ফিরে)

বাংলাদেশের (Bangladesh) সিলেটের (Sylhet) বিয়ানীবাজারের (Beanibazar) শেষ প্রান্তে শেওলা স্থলবন্দর (Sheola land port)। বেশ চওড়া পিচঢালা পথ। চারিদিকে দিগন্ত প্রসারিত সবুজ ফসলের মাঠ। মাথার ওপরে উদার আকাশ। জকিগঞ্জ সীমান্ত থেকে দু’ দফা অটো পালটে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পথ  পেরিয়ে শেওলা। বিয়ানীবাজার থেকে আরও কম। শেওলার অপর প্রান্তে উত্তরপূর্ব ভারতের অসম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার সুতারকান্দি স্থলবন্দর (Sutarkandi land port)। কিন্তু ব্যস্ততম এই স্থলবন্দর এখন প্রায় স্থবির। করোনাভাইরাস অতিমারি (coronavirus pandemic) কেড়ে নিয়েছে শেওলা-সুতারকান্দির কর্মচাঞ্চল্য। থামিয়ে দিয়েছে অর্থনীতির চাকা। 

Loading videos...

উত্তরপূর্ব ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসাবাণিজ্যের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে সাত রাজ্যকে ঘিরে যে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে, তার প্রসার ঘটাতে উভয় দেশ উদ্যোগী হয়েছে। জলপথের পাশাপাশি স্থলপথেও পণ্যপরিবহন অত্যাবশ্যক হয়ে উঠেছে। সময় বাঁচিয়ে নিরাপদ ও অর্থসাশ্রয়ী পণ্যপরিবহনে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নির্মাণের কাজে হাত লাগানো হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে সব চেয়ে এগিয়ে। এশিয়ায় অর্থনৈতিক ভাবে যে মজবুত অবস্থানে বাংলাদেশ রয়েছে, তার কৃতিত্বের দাবিদার তিনিই।

জকিগঞ্জ-করিমগঞ্জ জলপথ, শেওলা-সুতারকান্দি স্থলবন্দর এবং কালীবাড়ি-মহিষাশন রেলপথ নিয়ে সরেজমিন প্রতিবেদন তুলে আনতে মাঠে নামা।

জকিগঞ্জ থেকে অটোয় দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে সিলেটের বিয়ানীবাজার সীমান্তে বাংলাদেশের স্থলবন্দর শেওলায় প্রবেশের আগেই দেখা গেল মাঝবয়সি তামাটে বর্ণের এক ব্যক্তিকে। তিনি এক তরুণকে সঙ্গে নিয়ে মাপজোখে ব্যস্ত। মাথার ওপরে জ্বলন্ত সূর্য। পাশেই উড়ছে বাঁশের কষ্ণিতে বাধা লাল নিশান। তার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি জানালেন, এলাকাটি স্থলবন্দরের জন্য বরাদ্দ। মাটি ভরাটে কী পরিমাণ পাইপ লাগবে তারই কাজ চলছে। পাশেই দেখা গেল কিছু অংশে মাটি ফেলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম আগেই ‘খবর অনলাইনকে’ জানিয়েছেন, শেওলায় একটি আধুনিক স্থলবন্দর গড়ে তুলবেন তাঁরা। পরিকাঠামো নির্মাণে জায়গা পেয়েছেন। শিগগিরই এখানে সেই কাজ শুরু করার প্রক্রিয়া চলছে। খুব দ্রুতই তাঁরা পরিকাঠামো নির্মাণে হাত লাগাবেন। সরেজমিন ঘুরে তাই দেখা গেল।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতায় মোট ২৪টি স্থলবন্দর রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টিতে কার্যক্রম চালু রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টিই ভারতের সঙ্গে এবং একটি মায়ানমারের সঙ্গে।

শেওলা বিজিবি (Border Guards Bangladesh, BGB) চৌকির দায়িত্বরত এক জওয়ান জানালেন, করোনার কারণে ব্যস্ততম স্থলবন্দরটি প্রায় অচল। দিনে দু’-এক গাড়ি পণ্য আসে। তার মধ্যে থাকে আদা ও পাথর। তবে এই সীমান্তে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানির তালিকাটা বেশ লম্বা। তিনি জানালেন, প্লাস্টিকের জলের ট্যাংক, প্লাস্টিকের নানা সামগ্রী, খাদ্যসামগ্রী বেশ যায় এ পথে। বিশেষ করে প্যাকেটজাত খাদ্যের চাহিদাই বেশি।

স্থলবন্দরের জন্য নির্ধারিত জায়গা।

স্থলবন্দরের জন্য জেলাপ্রশাসনের বুঝিয়ে দেওয়া জায়গাটার কথা বলতেই উঠে দাঁড়ালেন এই বিজিবি জওয়ান। বললেন, এই চৌকির পেছন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার জায়গা স্থলবন্দরের জন্য বরাদ্দ। বিজিবির চৌকির পেছনে দাঁড়াতেই দেখা গেল লালনিশান গেড়ে স্থলবন্দরের জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। সামনের দিকে পা বাড়াতেই বিনীত আবেদন, “ও দিকে যাবেন না। ওটা ভারত।” দৃষ্টির সীমানায় ‘স্বাগত ভারত’ লেখাটি চোখে পড়ে।

শেওলা-সুতারকান্দি সীমান্ত দিয়েই বাংলাদেশের বহু মানুষ অসমের করিমগঞ্জ ও শিলচরে যাতায়াত করেন। নানা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া ছাড়াও তাঁদের অনেকেই ছুটে যান স্বজনদের কাছে। উভয় পাশের মানুষের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন যে বহু পুরোনো। চারিদিকে দিগন্ত প্রসারিত সবুজ ফসলভরতি মাঠের বুক চিরে চওড়া রাস্তা পৌঁছে গিয়েছে সূতারকান্দি।

সকাল থেকে সূর্যডোবা পর্যন্ত উভয় পাশের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রচণ্ড ব্যস্ত সময় পার করতেন। কোনো কোনো সময় খাবারের সময় পর্যন্ত মিলত না। কিন্তু সর্বনাশা করোনা উভয় দিকের দায়িত্বরত মানুষদের ব্যস্ততা কেড়ে নিয়েছে। তাঁরা এখন পার করছেন অলস সময়। অথচ কতই না ব্যস্ত স্থলবন্দর ছিল শেওলা। উভয় দিকে থাকা পণ্যবাহী যানের দীর্ঘ সারি এখন অতীত।

ভাঙা হৃদয় নিয়ে ফিরে আসার পথে দেখা গেল কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন অফিস। কয়লা আমদানিকারী ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকদের সংগঠনের সাইনবোর্ড। কয়েক কদম এগিয়ে আসতেই ডান পাশে বেশ কয়েকটি ট্রাক। হোটেল বন্ধ। চা-দোকানির মুখ ভার। গল্পগুজবে সময় পার করছেন সবাই। এই অঞ্চলে রাতে শীতের প্রকোপ বাড়লেও দিনের সূর্য বেশ চড়া। এ অবস্থায় শেওলা ও সুতারকান্দিকে গুডবাই জানিয়ে অটোয় চেপে বসলাম।

এ বারের যাত্রা বাংলাদেশের কালিকাবাড়ি ও অসমের মহিষাশন সীমান্ত। যেখান দিয়ে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর থেকে পণ্যবাহী ট্রেন সরাসরি চলে যাবে অসম-সহ সাত রাজ্যে।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

দুই যুগে প্রথম নারী সভাপতি, বাংলাদেশে ইআরএফ-এর ঝান্ডা শারমীন রিনভীর হাতে

দেশ

Sputnik V: আগামী সপ্তাহেই ভারতের বাজারে তৃতীয় কোভিড ভ্যাকসিন, জানাল কেন্দ্র

কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিনের পর এ বার ভারতের বাজারে রাশিয়ার টিকা স্পুটনিক ভি!

Published

on

sputnik v vaccine

খবর অনলাইন ডেস্ক: আগামী সপ্তাহ থেকেই বাণিজ্যিক ভাবে বাজারজাত হতে চলেছে রাশিয়ার কোভিড টিকা (Covid vaccine) স্পুটনিক ভি (Sputnik V)। পর্যাপ্ত টিকার অভাবে অনেক রাজ্যে টিকাকরণ কর্মসূচিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার কেন্দ্র জানায়, আগামী সপ্তাহ থেকেই স্পুটনিক ভি বাজারজাত করা হবে।

নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ভিকে পল জানান, “আমরা আশাবাদী ‘স্পুটনিক ভি’ আগামী সপ্তাহে বাজারে পাওয়া যাবে। রাশিয়া থেকে যে সীমিত সংখ্যক টিকা ভারতে এসেছে, তার বিক্রি আগামী সপ্তাহে শুরু হবে”।

Loading videos...

তিনি আরও বলেন, “এই টিকার সরবরাহ অব্যাহত রাখার জন্য জুলাই থেকে ভারতেই শুরু হবে উৎপাদন। আনুমানিক ১৫.৬ কোটির মতো স্পুটনিক ভি তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে”।

প্রাথমিক ভাবে রাশিয়া থেকে দেড় লক্ষ ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছিল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর গত রবিবার টুইট করে জানান, রাশিয়া থেকে স্পুটনিক ভি ভারতে এসে গিয়েছে। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আরডিআইএফ স্থানীয় ভারতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তি করেছে”।

তবে ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, ফ্রান্স এবং রাশিয়ার একদল বিজ্ঞানী এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের গবেষণার ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। বিশেষত তথ্যের বৈসাদৃশ্য, ট্রায়াল প্রোটোকল এবং তথ্যের যথার্থতা এবং গুণমান সম্পর্কে যে উপসংহারে পৌঁছানো হয়েছে, সে সব নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা।

সমালোচনার মধ্যেই বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন হিসেবে স্পুটনিক ভি-কে অনুমোদন দেয় রাশিয়া। সে দেশের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, তাঁর মেয়েও নিয়েছিলেন এই ভ্যাকসিন। এরপর ভারতের ডক্টর রেড্ডি’জ ল্যাবের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এ দেশে স্পুটনিক ভি-র উৎপাদন করার পরিকল্পনা নেয় রাশিয়া।

প্রসঙ্গত, ভারতে এখন সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিনে টিকাকরণ চলছে। এই দু’টিই ভারতীয় সংস্থার তৈরি কোভিড ভ্যাকসিন। সে দিক থেকে কোনো বিদেশি সংস্থার প্রথম এবং ভারতের বাজারে তৃতীয় টিকা হিসেবে ব্যবহৃত হবে স্পুটনিক ভি।

আরও পড়তে পারেন: কোভিড থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার অন্তত ৬ মাস পর আক্রান্তদের টিকা দেওয়ার প্রস্তাব সরকারি প্যানেলের

Continue Reading

দেশ

অমিত শাহকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না? দিল্লি পুলিশে ‘নিখোঁজ ডায়েরি’

দাবি করা হয়েছে, শেষবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছিল।

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক: কোথায় অমিত শাহ (Amit Shah)? দিল্লি পুলিশে ‘মিসিং পারসন রিপোর্ট’ দাখিল করেছেন কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই-এর নাগেশ কারিয়াপ্পা।

নাগেশের দাবি, খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। বুধবার এই মর্মেই দিল্লি পুলিশে ‘নিখোঁজ ডায়েরি’ দাখিল করেন এনএসইউআই-এর সাধারণ সম্পাদক নাগেশ। তাঁর যুক্তি, দেশের এই কঠিন সময়ে রাজনীতিকদের উচিত জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, মোটেই পালিয়ে যাওয়া নয়।

Loading videos...

দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ক্রমশ জাঁকিয়ে বসায় বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা তীব্র করেছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলার সদিচ্ছা নিয়ে বার বার তাঁরা কড়া ভাষায় আক্রমণ শানাচ্ছেন। হাসপাতালের প্রয়োজনীয় বেড, অক্সিজেন এবং অন্য চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারকেই কাঠগড়ায় তুলছেন।

এ বার এনএসইউআইয়ের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে সরকারি ভাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ‘নিখোঁজ রিপোর্ট’ নথিভুক্ত করেছেন। বুধবার তিনি টুইটারে এই অভিযোগপত্রের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন। পুলিশ যে তাঁর অভিযোগটি গ্রহণ করেছে, সেটাও স্পষ্ট হচ্ছে ওই টুইট থেকে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তিনি শেষবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে দেখেছিলেন।

তবে এ ব্যাপারে দিল্লি পুলিশও দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। ‘দ্য হিন্দু’র একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশ আধিকারিকরা করিয়াপ্পাকে প্রশ্ন করতে এনএসইউআইয়ের কার্যালয়ে পৌঁছান।

শেষ কয়েক ঘণ্টায় অমিত শাহকে নিয়ে অগুন্তি টুইট হয়েছে। টুইতারিয়েতরা “অমিত শাহ মিসিং” (Amit Shah Missing) হ্যাশট্যাগটি ব্যবহৃার করে রীতিমতো ব্যাপারটাকে ট্রেন্ডে পরিণত করে ফেলেছেন। কোনো এক জন লিখেছেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের বাড়িতেই সীমাবদ্ধ। ভারতও সেই অর্থে আত্মনির্ভর”!

আরও পড়তে পারেন: Coronavirus Second Wave: সংক্রমণের হার ১৪ শতাংশে, সংক্রমণ নামল ১০ হাজারে, অভাবী রাজ্যগুলিকে অক্সিজেন দিয়ে সাহায্য করতে চায় দিল্লি

Continue Reading

দেশ

Coronavirus Second Wave: সংক্রমণের হার ১৪ শতাংশে, সংক্রমণ নামল ১০ হাজারে, অভাবী রাজ্যগুলিকে অক্সিজেন দিয়ে সাহায্য করতে চায় দিল্লি

পরিস্থিতির ক্রমে উন্নতি হচ্ছে দিল্লিতে।

Published

on

Coronavirus Delhi

খবরঅনলাইন ডেস্ক: যে দ্রুতগতিতে দিল্লিতে সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছিল, ঠিক ওই রকম দ্রুতগতিতেই সংক্রমণ কমছে। পরিসংখ্যান দেখে বুঝতে হয় যে রাজধানীতে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ এখন পুরোপুরি নিম্নমুখী। এই সুবাদে ফাঁকা শয্যার সংখ্যাও যেমন বাড়ছে, তেমনই কমছে অক্সিজেনের চাহিদাও। তাই উদ্বৃত্ত অক্সিজেন অভাবী রাজ্যগুলিকে সাহায্য করতে চায় দিল্লি। এমনই জানিয়েছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসৌদিয়া।

বৃহস্পতিবার বিকেলে দিল্লির স্বাস্থ্য দফতরের তরফে প্রকাশির রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে যে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৯ জন। এই সংখ্যাটি গত ১০ এপ্রিলের পর সব থেকে কম। বুধবার এই সংখ্যাটি ছিল ১৩ হাজারের ওপরে।

Loading videos...

পাশাপাশি সংক্রমণের হার নেমে এসেছে ১৪.২৪ শতাংশ। বুধবার এটাই ছিল ১৭.০৭ শতাংশ। গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীতে সংক্রমণের হার উঠে গিয়েছিল ৩৫ শতাংশে। তার পর যে ভাবে রাতারাতি সংক্রমণের হার দিল্লিতে কমছে, এটা যথেষ্ট উৎসাহব্যঞ্জক। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ১৮৯ জন। এর ফলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমে এসেছে ৭৭ হাজার ৭১৭-এ।

তবে তুলনামূলক ভাবে মৃত্যুহার দিল্লিতে এখনও বেশি রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০৩ জন মারা গিয়েছেন রাজধানীতে। এর ফলে দিল্লিতে এখন মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ৬১৮। মৃত্যুহার ১.৫ শতাংশ।

তবে ভালো খবর হল, সক্রিয় রোগীর সংখ্যা হুহু করে কমতে থাকায় অক্সিজেনের চাহিদাও কমছে রাজধানীতে। একই সঙ্গে, অক্সিজেনের জোগান চালু থাকায় জমেছে কিছু উদ্বৃত্তও। সেই অক্সিজেন অভাবী রাজ্যগুলিকে দিয়ে সাহায্য করতে চায় দিল্লি।

দিল্লির করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এ দিন একটি সাংবাদিক বৈঠকে মণীশ বলেন, ‘‘অক্সিজেনের চাহিদা এখন অনেকটাই কমে গিয়েছে। হাসপাতালের শয্যাও ফাঁকা হচ্ছে ক্রমশ। ১৫ দিন আগেও দিনে ৭০০ মেট্রিক টন অক্সিজেনের দরকার পড়ছিল আমাদের। এখন চাহিদা কমে দাঁড়িয়েছে দৈনিক ৫৮২ মেট্রিক টনে।’’

কেন্দ্রকে বিষয়টি একটি চিঠি দিয়ে জানিয়েছে দিল্লি প্রশাসন। একইসঙ্গে অনুরোধ করেছে, দিল্লির জন্য বরাদ্দ অক্সিজেনের উদ্বৃত্ত যেন সেই সব রাজ্যকে দিয়ে সাহায্য করা হয়, যেখানে এখনও ঘাটতি রয়েছে।

আরও পড়তে পারেন পরিবেশগত ভাবে সব থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্বের ২০ শহরের মধ্যে ১৩টি ভারতে

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞান1 hour ago

প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজে ২টো আলাদা ভ্যাকসিন নিলে কী ঘটবে, জানাল গবেষণা

রাজ্য2 hours ago

Bengal Corona Update: রাজ্যে আরও বাড়ল সংক্রমণ, তবে কলকাতা-সহ ১০ জেলায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যায় পতন

দঃ ২৪ পরগনা2 hours ago

কোভিডরোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করল জয়নগর মজিলপুর পুরসভা

sputnik v vaccine
দেশ3 hours ago

Sputnik V: আগামী সপ্তাহেই ভারতের বাজারে তৃতীয় কোভিড ভ্যাকসিন, জানাল কেন্দ্র

দেশ3 hours ago

অমিত শাহকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না? দিল্লি পুলিশে ‘নিখোঁজ ডায়েরি’

ক্রিকেট4 hours ago

ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে হার কেন? অদ্ভুত যুক্তি দিলেন টিম পেইন

মুর্শিদাবাদ5 hours ago

অনাস্থার আগেই মুর্শিদাবাদের জেলা সভাধিপতির পদ থেকে পদত্যাগ শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠর

রাজ্য5 hours ago

কোভিডে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত মরণোত্তর দেহ ও অঙ্গদান আন্দোলনের পথিকৃৎ ব্রজ রায়

Madhyamik examination west bengal
শিক্ষা ও কেরিয়ার2 days ago

Madhyamik 2021: আপাতত সম্ভব নয় মাধ্যমিক পরীক্ষা, সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পর্ষদ

বিজ্ঞান2 days ago

জানেন কি, কোভিড থেকে সুস্থ হওয়ার পর অ্যান্টিবডিগুলি কত দিন পর্যন্ত রক্তে থেকে যায়

দেশ3 days ago

Covid Crisis: সংক্রমণের ধার কমাতে একটি বিশেষ ওষুধে ছাড়পত্র দিল গোয়া, খেতে হবে সবাইকে

শরীরস্বাস্থ্য1 day ago

করোনার এই দুঃসহ সময়ে অক্সিজেন বিপর্যয়ের সহজ সমাধান দিলেন বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল

বিজ্ঞান2 days ago

রক্তের গ্রুপের উপর কি কোভিড আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, গবেষণায় জানাল সিএসআইআর

প্রযুক্তি2 days ago

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোভিড অ্যাপ, সহজে জানা যাবে যাবতীয় তথ্য

দেশ2 days ago

Corona Update: দৈনিক সংক্রমণকে ছাপিয়ে গেল সুস্থতা, দু’মাস ধরে টানা বৃদ্ধির পর অবশেষে কমল সক্রিয় রোগী

সম্পর্ক1 day ago

Corona Crisis: এই কঠিন সময়ে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই সম্পর্ক অটুট থাকবে

ভিডিও

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 months ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা3 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা3 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা4 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা4 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা4 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা4 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা4 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা4 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা4 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে