Connect with us

বাংলাদেশ

ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করার পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাঁধুনিকে কী বলেছিলেন?

Sheikh Hasina

ওয়েবডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রান্নাঘরে ভারতের পেঁয়াজ রফতানি নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছে বলে মনে হতেই পারে।

চার দিনের ভারত সফরে রয়েছে হাসিনা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎও করেছেন। তাঁদের আলোচনায় উঠে এসেছিল এনআরসি প্রসঙ্গ। তবে শুক্রবার তাঁর পেঁয়াজ সম্পর্কিত মন্তব্যই সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছে। বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করা নিয়ে ভারতের আকস্মিক সিদ্ধান্ত তাঁর দেশবাসীর জন্য কিছুটা অসুবিধা তৈরি করেছে। যা প্রভাব ফেলেছে তাঁর রান্নাঘরেও। ফলে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাংলাদেশকে আগাম অবহিত করার কথাও বলেন হাসিনা।

তিনি হালকা চালেই বলেন, “আপনারা কেন পেঁয়াজ (রফতানি) বন্ধ করেছেন তা আমি জানি না। আমি যা করেছি তা হল, আমি আমার রাঁধুনিকে বলেছি, খাবারে যেন পেঁয়াজ ব্যবহার না করা হয় …”। কিছুটা থেমে হাসিনা ফের বলেন, “ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে, আপনারা যদি এমন সিদ্ধান্ত নিতে যান, তা হলে সেটা আগাম জানিয়ে প্রতিবেশী দেশকে সাহায্য করবেন”।

এ দিন তিনি ভারত-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের ‘ইন্ডিয়া ইকনমিক সামিট’-এ ভাষণ দিচ্ছিলেন। এই সভা সিআইআই এবং অ্যাসোচেম-সহ শিল্প সংগঠনগুলি আয়োজন করেছিল। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল উপস্থিত ছিলেন।

[ আরও পড়ুন: রাবিশ! ইমরান খানকে তুলোধনা সৌরভের ]

উল্লেখ্য, দেশীয় বাজারে পেঁয়াজের জোগান অব্যাহত রাখতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে পেঁয়াজের রফতানি বন্ধ রেখেছ ভারত।

বাংলাদেশ

গুলশানে জঙ্গি হামলার ৪ বছর, অনলাইন প্রচারণায় সক্রিয় জঙ্গি গোষ্ঠী

ঋদি হক: ঢাকা

বহুল আলোচিত গুলশন (Gulshan) জঙ্গি হামলার চার বছর পূর্ণ হল। দুনিয়া জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা এই হামলা হয়েছিল ২০১৬ সালের ১ জুলাই।

সে দিন আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর একদল অস্ত্রধারী জঙ্গি গুলশনের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় (Holey Artisan Bakery) হামলা চালায়। জঙ্গিরা অবস্থানরত দেশি-বিদেশি নাগরিকদের পণবন্দি করে। এর পর একে একে হত্যা করা হয় জাপানি, ইতালিয়ান ও ভারতীয়-সহ দেশ-বিদেশের ২০ অতিথিকে। এঁদের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি, ৭ জন জাপানি, ৯ জন ইতালিয়ান এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। পরে সেনা অভিযানে আইএস-এর পোশাক পরা ৫ জঙ্গি নিহত হয় এবং ১২ ঘণ্টা পর ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অবসান ঘটে।

নিহতদের শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার চিন, জাপান ও আমেরিকার রাষ্ট্রদূত, ঢাকা মহানগর পুলিশ কশিমনার, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ানের (র‌্যাব) ডিজি-সহ বহু বিশিষ্ট বাংলাদেশি ঘটনাস্থলে হাজির হন। তাঁরা জঙ্গি-হামলায় নিহতদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি, DMP) কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (Md. Shafiqul Islam) বলেন, বিশ্বজোড়া করোনা মহামারি পরিস্থিতিতেও জঙ্গি সংগঠনগুলো বসে নেই। তারা অনলাইনে সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছে, নানাবিধ প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ ঘরেই বেশি সময় কাটাচ্ছেন। এ সময় তাঁরা ধর্মীয় সাইটগুলোতে বেশি ভিজিট করছেন। এর সুযোগ নিচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলো। তাদের সদস্যরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট পুলিশের সদস্যরা।

কমিশনার আরও বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সব চেয়ে বড়ো যে জঙ্গি হামলার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ (Bangladesh), সেটি হচ্ছে হলি আর্টিজানের জঙ্গি হামলা। হলি আর্টিজান হামলার পর থেকে একের পর এক জঙ্গি-আস্তানা গুঁড়িয়ে  দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিদের যে সক্ষমতা ছিল, সেটি এখন নেই বললেই চলে। এখন তারা যে সব ইম্প্রভাইজড বোমা বানায়, তার আসল সব এক্সপার্ট পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। তারা জেলে রয়েছে। অনেকে বিভিন্ন অভিযানে নিহত হয়েছে। তাই এখন সে ধরনের সক্ষমতা জঙ্গি সংগঠনগুলোর নেই। হলি আর্টিজান হামলার পরে বাংলাদেশ পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেমন ঢেলে সাজা হয়েছে, একই ভাবে জঙ্গিবাদে যারা জড়িত তাদের সক্ষমতা, ক্ষমতা সম্পর্কেও পুলিশের একটা সুস্পষ্ট ধারণা হয়েছে বলেও দাবি করেন শফিকুল ইসলাম।

২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাস-বিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান হলি আর্টিজান হামলা সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মামলার ৮ আসামির মধ্যে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হল, জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশ, আব্দুস সবুর খান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাদিসুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ এবং মামুনুর রশিদ রিপন। মিজানুর রহমান ওরফে বড়ো মিজান নামের একজনকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, বাংলাদেশে তথাকথিত জিহাদ কায়েমের লক্ষ্যে এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে জেএমবির একাংশ নিয়ে গঠিত হয় নব্য জেএমবি। তারাই গুলশন হলি আর্টিজান বেকারিতে নারকীয় ও দানবীয় হত্যাকাণ্ড ঘটায়। হলি আর্টিজান হামলার মধ্য দিয়ে জঙ্গিবাদের উন্মত্ততা, নিষ্ঠুরতা ও নৃশংসতার জঘন্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এই কলঙ্কজনক হামলার মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চরিত্র হরণের চেষ্টা করা হয়, যাতে বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য পরিচিত বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি এই হামলায় কিছুটা ক্ষুন্ন হয়।

Continue Reading

বাংলাদেশ

বুধবার চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে শুরু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য

ঋদি হক: ঢাকা

প্রায় সাড়ে তিন মাস বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর (Changrabandha Land Port) দিয়ে শুরু হতে চলেছে বৈদেশিক বাণিজ্য। 

করোনার (coronavirus) কারণে বৈদেশিক বাণিজ্য বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রায় সাড়ে তিনশো ব্যবসায়ী চরম ক্ষতির মুখে পড়েন। ব্যাঙ্কের ব্যাকের ঋণ-সহ নানা সমস্যা পড়ে ভোগান্তির শিকার হন তাঁরা। অবশেষে দীর্ঘদিন পর হলেও আশার আলো উঁকি দিয়েছে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মাঝে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ২৬০০ পণ্যবাহী ট্রাক দীর্ঘ দিন আটেকে আছে চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে। ভারতের ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কাছে ধরনা দিয়ে আসছিলেন বৈদেশিক বাণিজ্য চালুর দাবিতে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এই দাবির কোনো সুরাহা না হওয়ায় অবশেষে যৌথ সংগ্রাম কমিটি গঠন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেন ব্যবসায়ীরা।

পশ্চিমবঙ্গের একাধিক মন্ত্রী, স্থানীয় বিধায়ক, জেলাপ্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু তাতে আশ্বাসবাণী ছাড়া কিছু মেলেনি, ব্যবসায়ীদের কাঙ্ক্ষিত বাণিজ্য চালু হয়নি। অবশেষে মঙ্গলবার নবান্ন থেকে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন বুধবার থেকে চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্য চালু করার কথা।

আরও পড়ুন: গোমতীর বুক চিরে আবার পণ্য পরিবাহিত হবে ত্রিপুরায়

চ্যাংরাবান্ধার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাঁরা চান যে সব মন্ত্রী, বিধায়ক, স্থানীয় রাজনীতিক এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বাণিজ্য চালু নিয়ে বৈঠক করেছেন, সাহায্য চেয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে চ্যাংরাবান্ধায় আনুষ্ঠানিক ভাবে বৈদেশিক বাণিজ্য চালুর দ্বার উদ্ঘাটন হোক। এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার রাতে ব্যবসায়ীরা বৈঠকে বসেছেন। সকলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাঁদের সম্মতি নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বাংলাদেশের বুড়িমারি স্থলবন্দর (Burimari Land Port) আমদানি-রফতানি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আমিন জানিয়েছেন, চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে বাণিজ্য চালুর কোনো পত্র তাঁরা এখনও পাননি। পত্র পাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা  বৈঠকে বসবেন। করোনা পরিস্থিতিতে কী ভাবে পণ্যবাহী ট্রাক আসবে ও খালাস হবে, সেই বিষয়টি রয়েছে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবস্থা নিতে হবে। এগুলো নিয়ে অবশ্যই তাঁরা বসবেন। তবে আনুষ্ঠানিক পত্র পাওয়ার পর।

অপর দিকে পণ্যবোঝাই অবস্থায় দীর্ঘ দিন ট্রাক আটকে থাকার কারণে অনেক পণ্যের ক্ষতি এবং অনেক পণ্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার বিষয় রয়েছে। সে সব বিষয় নিয়েও ভাবার আছে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

Continue Reading

বাংলাদেশ

টানা অভিযানে ২৬ ঘণ্টা পর ডুবে যাওয়া লঞ্চ উদ্ধার

ঋদি হক: ঢাকা

টানা অভিযানে ২৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার হল ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি। মঙ্গলবার বেলা ১১টা নাগাদ লঞ্চটিকে এয়ার লিফ্টিং ব্যাগ দিয়ে জলের ওপরে ভাসিয়ে তোলা হয়।

সোমবার লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাশের সদরঘাট ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযানে নামে। সঙ্গে যোগ দেন কোস্টগার্ড, নৌবাহিনীর সদস্যরা।

ডুবে যাওয়া ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি উদ্ধারে করতে আসার পথে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘প্রত্যয়’-এর ধাক্কায় বুড়িগঙ্গার ওপরে পোস্তগোলা ব্রিজে আটকে যায়। এতে ব্রিজটির ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে ব্রিজটির এক পাশ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে বিকেল পর্যন্ত ৩২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের ৩১ জনের পরিচয় মিলেছে। সোমবার সন্ধ্যায় স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহ সৎকারে বিআইডব্লিটিএর তরফে জনপ্রতি তাৎক্ষণিক ১০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।

লঞ্চডুবির ১৩ ঘন্টা পর রাত সাড়ে ১০টায় সুমন বেপারি নামে একজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দল। তাঁর বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। তিনি সরদঘাটে ফলের ব্যবসা করতেন। তিনি মিডফোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন: বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: ১৩ ঘণ্টা পর এক জনকে জীবিত উদ্ধার

এ দুর্ঘটনায় যাঁরা মারা গেছেন তাঁরা সবাই মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা। সেখানকার গ্রামে গ্রামে এখন শোকের ছায়া। চারদিকে হৃদয় বিদারক দৃশ্য। বুকফাটা আর্তনাদে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। যেখানে শান্তর বানী অচল।

লঞ্চডুবিতে মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকগ্রস্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নৌপরিবহণ মন্ত্রী বলেছেন, “অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এটি পরিকল্পিত দুর্ঘটনা। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কাউ ছাড় দেওয়া হবে না।”

এর আগে ২০১৫ সালে মানিকগঞ্জের পদ্মানদীতে নৌদুর্ঘটনা ঘটে যাতে ৩৭ জন প্রাণ হারান। তার ৬ বছরের মাথায় সোমবার বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ ডুবিতে ৩২ জন প্রাণ হারালেন।

এ দিকে গত ২০ বছরে সাতশো লঞ্চডুবির ঘটনায় কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। এ সব দুর্ঘটনায় শত শত প্রাণহানি হলেও লঞ্চডুবি রোধে নেওয়া হয়নি তেমন কার্যকর ব্যবস্থা। ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করা-সহ কোনো ঘটনাতেই বিচার না হওয়ায় পুনরাবৃত্তি ঘটছে এমন অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনার।

২০১৪ সালে ৪ আগস্ট। স্মরণকালের ভয়াবহ লঞ্চডুবি ঘটে পদ্মার বুকে। ঈদের পর লঞ্চে ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী। ভরা বর্ষার উত্তাল পদ্মায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় ‘পিনাক ৬’। ওই দুর্ঘটনার পর পেরিয়েছে ৬ বছর। কিন্তু বিচার-কাজ এখনও চলছে। ‘পিনাক’ ডুবির মাস তিনেক আগে মেঘনা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনায় প্রাণ হারান শতাধিক মানুষ।

Continue Reading
Advertisement
দেশ3 days ago

কোভিড ১৯ আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ১৮,৫২২, সুস্থ ১৩,০৯৯

ক্রিকেট1 day ago

আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর, এ বার কি সৌরভ?

ক্রিকেট2 days ago

বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে আসন্ন টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে থাকছে ‘ব্ল্যাক লাইভ্‌স ম্যাটার’

kiran rao, aamir khan and azaad khan
বিনোদন2 days ago

আমির খানের বেশ কয়েকজন সহযোগী করোনা পজিটিভ

ক্রিকেট2 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল: গড়াপেটার অভিযোগে ফৌজদারি তদন্তের নির্দেশ

DIY
ঘরদোর2 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

বিজ্ঞান1 day ago

কোভাক্সিন কী? জেনে নিন বিস্তারিত

বিদেশ2 days ago

ভারত ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করতেই চিনের জোরালো প্রতিক্রিয়া

নজরে