bike

অটোডেস্ক: গত ২০১৭ সালে বাংলাদেশে মোট বাইক বিক্রি হয়েছে প্রায় ৩.৬ লক্ষ। এই বৃদ্ধির হার আগের বছরের (২০১৬) তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ। বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশীয় বাইক শিল্প নির্মাণে একটি খসড়া নীতি তৈরি করা হয়েছে। যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাজারের চাহিদা মতো ক্রেতার হাতে সাধ্য মতো দরে বাইক তুলে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার জন্য সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২১ সাল পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে দেশে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বাইক প্রস্তুত করা যায়, সে দিকেই দৃষ্টি নিক্ষেপ করা হয়েছে ওই খসড়া নীতিতে।

গ্রামীণ এবং শহরাঞ্চলে ব্যক্তিগত পরিবহণের সহজ মাধ্যম দু-চাকার এই মোটর যান। কিন্তু বিদেশ থেকে আমদানি করতে গিয়ে দেখা যায় উৎপাদন খরচের থেকে অনেক গুণ বেশি দাম পড়ে যাচ্ছে।

খসড়ায় বলা হয়েছে, দেশে এখন মো‌ট রেজিস্ট্রিকৃত বাইকের সংখ্যা ১৪ লক্ষ। প্রস্তুতকারক এবং যন্ত্রাংশ সংস্থাপকরা সরকারের কাছে দাবি করেছে, এই শিল্পে বড়ো সড়ো বিনিয়োগের আগে সরকারের নীতি স্পষ্ট করতে হবে। কারণ, বাইক প্রস্তুতের একটি পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প গড়ে তুলতে যে বিশাল পরিমাণ অর্থের বিনিয়োগ করতে হয়, আগে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে ওয়াকিবহাল হওয়া প্রয়োজন। এ ছাড়া বাইক শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়টিকেও স্পষ্ট করতে হবে। এ ব্যাপারে স্বচ্ছ নীতি না নেওয়া হলে বিদেশি বিনিযোগকারীদেরও আকৃষ্ট করা সম্ভব নয়।

bike in Bangladesh

এ বিষয়ে দেশীয় বাইক শিল্প সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, খসড়াতে যেন সরকারি কর সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার নমনীয় নীতি গ্রহণ করে। কারণ তা না হলে সস্তার বাইক নির্মাণ শিল্প কখনোই সফল হতে পারবে না।

সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে, ওই খসড়া নীতিটি সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এ বছরের মধ্যেই তা আইনি স্বীকৃত পেয়ে যাবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here