Subarna Nadi

ওয়েবডেস্ক: গত মঙ্গলবার রাত ১০.৪৫টা নাগাদ মধ্যে নিজের বাড়ির সামনে আততায়ীদের হাতে খুন হয়েছেন বাংলাদেশের বেসরকারি সংবাদমাধ্যম আনন্দ টিভি এবং বাংলা দৈনিক জাগ্রত-র সাংবাদিক সুবর্ণা নদী। মোটর বাইকে চেপে আসা ৯-১০ জন আততায়ী তাঁকে কুপিয়ে খুন করেছেন বলেই পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। কিন্তু ঠিক কী কারণে খুন হতে হল এই এক কন্যার মা, ৩২ বছরের পাবনা জেলার এই সাংবাদিককে?

স্থানীয় সূত্রে খবর, আবুল হোসেনের ছেলে রাজীবের সঙ্গে তিন-চার বছর আগে বিয়ে হয়েছিল সুবর্ণার। বছরখানেক আগে তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এর পর রাজীবের বিরুদ্ধে  সুবর্ণা পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে একটি যৌতুক মামলা করেন।

সুবর্ণার বড় বোন চম্পা খাতুন বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘যুগান্তর’-এর কাছে দাবি করেছেন, “গত কাল ওই মামলার শুনানি ছিল। সেই মামলায় সাক্ষ্য দেন সুবর্ণা। কিন্তু ওই মামলায় ফেঁসে যাওয়ার ভয়েই আসামিরা পরিকল্পনা মাফিক সুবর্ণাকে খুন করেছে”।

Subarna Nadi

পুলিশ অবশ্য দাবি করেছে, তাৎক্ষণিকভাবে এই খুনের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে না পারলেও নির্দিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে পুলিশি তদন্ত চলছে। যযাযথ তথ্যপ্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত তদন্তের স্বার্থেই বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।

গত মঙ্গলবার রাতে পাবনা পৌর সদরের রাঁধানগর মহল্লায় আদর্শ গার্লস হাইস্কুলের সামনে ভাড়াবাড়িতে ফিরছিলেন সুবর্ণা। সে সময় বাড়ির সামনের রাস্তায়  কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। উপর্যুপরি কোপানোর ফলে রক্তে ভেসে যায় তাঁর শরীর। সঙ্গে সঙ্গে থাঁকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সুবর্ণাকে মৃত ঘোষণা করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন