এই ৪ টোটকায় কাটতে পারে শেয়ার বাজারে অ্যালার্জি!

0
Stock Market

ওয়েবডেস্ক: একেক জনের কাছে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগের মানে একেক রকম। যে কারণে, বাজার চলতি বিনিয়োগ মাধ্যমগুলির মধ্যে অনেকেই এড়িয়ে চলেন স্টক মার্কেটকে। তবে আগ্রহ যদি থাকে, তা হলে এক নজরে দেখে নেওয়া যেতে পারে এই চারটি বিষয়।

১. সাধারণ বিনিয়োগকারী

Stock Market

আপনি কি এক জন সাধারণ বিনিয়োগকারী। অর্থাৎ, নিজের আয়ের বাড়তি একটা অংশ শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে চান আর পাঁচটা বিনিয়োগ প্রকল্পের মতোই? কোন স্টকে টাকা ঢালবেন, কোন স্টকটা কত দিন ধরে রাখা দরকার, আর কোন স্টক কোন মুহূর্তে ছেড়ে দিতে হবে, তেমন প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আপনার হাতে বিশেষ সময় নেই? তা হলে আপনাকে নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক রেখে চলতে হবে ব্রোকার হাউসের সঙ্গে। বর্তমানে প্রায় সমস্ত ব্রোকার হাউসের পরামর্শদাতা রয়েছেন। তাঁরা বিনামূল্যে নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু স্টক মার্কেটে কেনা-বেচা করলেও অনেকের অনীহা রয়েছে তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখায়। এই অনীহা কাটাতে হবে।

২. ভবিষ্যতের গ্যারান্টি

Stock Market

যে কোনো ব্যবসা শুরুর সময়, সেটির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করলেও সময় গড়ালে স্পষ্ট হয়, কোন দিকে যেতে চলেছে তার অভিমুখ। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগও ব্যতিক্রমী নয়। ব্যবসা দাঁড় করানোর জন্য সর্বোত্তম দক্ষতা প্রয়োগ বা সর্বাধিক পরিশ্রমের পরেও সেটা থেকে লাভের মুখে যে দেখা যাবে, তেমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। ঠিক তেমনই শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের ভবিষ্যতের গ্যারান্টি কারও পক্ষেই আগাম নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তবে অনেকের কাছেই শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ অন্য সবের থেকে একটু বেশিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ, ভীতিজনক, উত্তেজনাপূর্ণ বা রোমাঞ্চকর।

৩. গল্পে বিশ্বাস

Stock Market

অমুক ব্যক্তি তমুক শেয়ার কিনে দেদার লাভ করেছেন। ফলে সেই স্রোতে গা ভাসিয়ে তমুক স্টকটা কিনে ফেলা মোটেই সুবিবেচকের কাজ নয়। কোনো স্টকে বিনিয়োগের আগে সেটার অতীত নিয়ে যেমন বিশদ আলোকপাতের প্রয়োজন, তেমনই দরকার ওই সংস্থার ভবিষ্যৎ উদ্যোগের দিকেও তাকানো। একটা স্টক গত কয়েক বছর ধরে কী ভাবে এগিয়ে চলেছে, সেটার একটা আপাত গতিপথ অভিজ্চা বাড়ায়। ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা না মিললেও ওই অভিজ্তা বিনিয়োগকারীকে সমদ্ধ করে। কারও সাফল্যের গল্প আগ্রহ জাগালেও নিজেদের সম্পদের সুরক্ষা নিজের হাতেই।

৪. বাজার কারো মতো নয়

Stock Market

কেউ নির্দিষ্ট একটা স্টকে বিনিয়োগ করেন, লাভের আশাতেই। কিন্তু বাজার বা ওই স্টক কখনোই বিনিয়োগকারীর চাহিদা মতো চলে না। তা হলে উপায়? দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা কম। কোনো একটা স্টকে বিনিয়োগ করে সেটাকে সময় দিলে রিটার্ন পাওয়া তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি। কিন্তু ইন্ট্রা ডে বিনিয়োগে ক্ষতির সম্মুখীন হলে, ফাঁদ কেটে বেরিয়ে আসার চেষ্টা চালানোই শেষ কথা। মিথ্যে স্বপ্ন বিনিয়োগকে শূন্যে নিয়ে চলে যেতে পারে। তাই সময় থাকতেই সাবধানতা অবলম্বন করা ভালো। ঝুঁকি যেখানে আছে, সেখানে ঝুঁকিকে তাড়া করলেও অনেক সময় ফল পাওয়া যায় হাতেনাতে।


  • শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.