পিপিএফের ৯টি নিয়ম, যা জেনে রাখা ভালো

0
currency
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিপিএফ (PPF) সাধ্যমতো নির্দিষ্ট মেয়াদে সঞ্চয়ের একটি সহজ মাধ্যম। ব্যাঙ্ক (Bank), পোস্ট অফিস (Post Office) বা অন্য কোনো আর্থিক সংস্থায় পিপিএফ অ্য়াকাউন্টে টাকা রেখে নির্দিষ্ট হারে সুদ পাওয়া সম্ভব। জেনে নেওয়া যাক, এই অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে খুঁটিনাটি কয়েকটি তথ্য-

* ১৫ বছরের মেয়াদ পরিপূর্ণ হওয়ার পরেও পিপিএফ অ্যাকাউন্ট চালু রাখা যেতে পারে, কোনো রকমের টাকা জমা না-দিয়েও।

Loading videos...

*. ১৫ বছরের পর অ্যাকাউন্ট চালু রাখলে নির্দিষ্ট হারের সুদের টাকা গ্রাহকের খাতায় জমা হবে।

* তবে একটা কথা মনে রাখা দরকার, কোনো গ্রাহক যদি মনে করেন, ১৫ বছরের পরেও চালু রাখা অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করবেন, তা হলে ন্যূনতম পাঁচ বছর মেয়াদ পর্যন্ত তা চালু রাখতে হবে। অন্যথায় যে কোনো সময় টাকা তুলে নেওয়া যায়। সুবিধা নেওয়ার জন্য ফর্ম-এইচ জমা করতে হবে।

* পিপিএফ অ্যাকাউন্টের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বাঁধা নেই। অর্থাৎ, গ্রাহক যতবার চাইবেন, ততবার মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবেন।

* পিপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে আংশিক সঞ্চয় তুলে নেওয়া সম্ভব, এমনকী মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নির্দিষ্ট কারণ ব্যতিরেকে চাইলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেও দিতে পারেন গ্রাহক।

* অ্যাকাউন্ট খোলার পর তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ আর্থিক বছর পর্যন্ত আংশিক টাকা তোলা সম্ভব। তবে বছরে মাত্র একবারই টাকা তোলা যায়।

* আংশিক টাকা তোলা বা পিপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া ঋণের মেয়াদ ৩৬ মাস। আংশিক তোলা টাকা সম্পূর্ণ ভাবে করমুক্ত।

* অন্য দিকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে হলে দেখাতে হবে নির্দিষ্ট কয়েকটি কারণ। যদি গ্রাহকের সন্তান, স্ত্রী বা অন্য কোনো নির্ভরশীল সদস্যের রোগের চিকিৎসার জন্য টাকার দরকার পড়ে।

* সন্তানের দেশে বা বিদেশে গিয়ে পড়াশোনার জন্য অর্থের প্রয়োজন হলেও গ্রাহক মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারেন। তবে সমস্ত ক্ষেত্রেই উপযুক্ত নথি তথ্যপ্রমাণ হিসাবে জমা করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.