Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

এখনই কেন্দ্রকে বকেয়া টাকা দেবে না এয়ারটেল, ভোডাফোন

vodafoneairtel

ওয়েবডেস্ক: অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউয়ের (এজিআর) বকেয়া হিসাবে ৯২,০০০ কোটি টাকা ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমিউনিকেশন (ডট)কে মিটিয়ে দিতে বলেছিল শীর্ষ আদালত। সংশ্লিষ্ট টেলিকম সংস্থাগুলিকে এই নির্দেশের পর তারা ফের পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তবে এর আগে আদালত বকেয়া মেটানোর সময়সীমা বেঁধে দিলেও তার মধ্যে টাকা মেটানো হবে না বলে সাফ জানাল ভারতী এয়ারটেল।

সূত্রের খবর, ডট-কে লিখিত ভাবে এয়ারটেল জানিয়েছে, এ দিনই ছিল টাকা জমা করার শেষ দিন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের আগামী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত সেই বকেয়া মেটাবে না সংস্থা।

গত ২৪ অক্টোবর আদালত নির্দেশ দেয়, আগামী ২৩ জানুয়ারির মধ্যে ওই বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পর শুনানি চলছে। আগামী সপ্তাহেও ওই আবেদনের শুনানি করবে শীর্ষ আদালত।

এয়ারটেলের মতোই ভোডাফোনও একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ডট-কে। কর্তৃপক্ষ আগেই জানিয়েছেন, ভারতী এয়ারটেলের প্রায় ২৩,০০০ কোটি টাকা, ভোডাফোন আইডিয়ার ১৯,৮২৩.৭১ কোটি এবং রিলায়েন্স কমিউনিকেশনের কাছে ১৬,৪৫৬.৪৭ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে।

আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে বিরাট ধাক্কা খেল ভোডাফোন, এয়ারটেল, রিলায়েন্স

অন্য দিকে গত বুধবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে দুই সংস্থা জানায়, বকেয়া টাকার পরিমাণ নিয়ে তারা ডট-এর সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী। শীর্ষ আদালত সম্মতি দিলে তারা ডট-এর সঙ্গে আলোচনা করে টাকার পরিমাণ নিয়ে সমঝোতা চায়।

শিল্প-বাণিজ্য

সহজ হল পিপিএফ অ্যাকাউন্টের মেয়াদ বাড়ানোর নিয়ম

ম্যাচিউরিটির পরেও যে সমস্ত গ্রাহক নিজের অ্যাকাউন্টের মেয়াদ বাড়াতে চান, তাঁদের জন্য নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।

PPF

ওয়েবডেস্ক: করোনাভাইরাস লকডাউনের (Coronavirus lockdown) বিধিনিষেধের পরিপ্রেক্ষিতে পিপিএফ (PPF) বিনিয়োগকারীদের জন্যে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে ডাক বিভাগ (Postal Department)।

ম্যাচিউরিটির পরেও যে সমস্ত গ্রাহক নিজের অ্যাকাউন্টের মেয়াদ বাড়াতে চান, তাঁদের জন্য নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। গ্রাহকরা পিপিএফ অ্যাকাউন্টের ম্যাচিউরিটির (Maturity) পরেও সেটির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য এক বছরের বাড়তি সময় চেয়ে নিতে পারেন। এর জন্য এক্সটেনশন ফর্ম জমা দেওয়ার তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে রেজিস্টার্ড ইমেল আইডির মাধ্যমে মেয়াদ বাড়ানোর নির্ধারিত ফর্ম জমা দিতে পারবেন আগ্রহী গ্রাহক।

একই সঙ্গে বলা হয়েছে, লকডাউন পুরোপুরি উঠে যাওয়ার পরে পিপিএফ এক্সটেনশন ফর্মের মূল কপিটি সংশ্লিষ্ট অপারেটিং এজেন্সিতে জমা দেওয়া যেতে পারে।

পিপিএফ বা পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Public Provident Fund) মেয়াদ সম্পূর্ণ হয় ১৫ বছরে। পরে তা পাঁচ বছরের ধাপে বাড়ানো যায়। বর্ধিত মেয়াদে গ্রাহক নতুন করে বিনিয়োগ না করতেও পারেন। কিন্তু অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সুদ পেয়ে যান।

সুদ পাওয়ার জন্য করণীয়

পিপিএফ অ্যাকাউন্টধারীরা যদি ম্যাচিউরিটির পরেও বিনিয়োগে আগ্রহী থাকনে, তা হলে তাঁকে অ্যাকাউন্টের ম্যাচিউরিটির দিন থেকে এক বছরের মধ্যে ফর্ম এইচ (Form H) জমা দিতে হয়। অন্যথায়, পিপিএফ অ্যাকাউন্টে নতুন করে টাকা জমা হলে কোনো সুদ পাওয়া যায় না। তা ছাড়া, সে ক্ষেত্রে পিপিএফ অ্যাকাউন্টে নতুন আমানত আয়কর আইনের (Income Tax Act) ৮০ সি ধারার অধীনে ছাড়ের যোগ্যও হয় না।

জেনে রাখা ভালো, পিপিএফ অ্যাকাউন্টধারী যদি অ্যাকাউন্টটি বন্ধ না করেন বা অ্যাকাউন্টের মেয়াদ পরিপূর্ণ হওয়ার পরে ফর্মটি জমা না দেন, তা হলে নতুন আমানতের অনুমতি দেওয়া হয় না, কিন্তু ম্যাচিউরিটির আগে গচ্ছিত টাকার উপর সুদ পাওয়া যায়।

অন্য দিকে, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের জন্য আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত সরকার পিপিএফ গ্রাহকদের শর্ত সাপেক্ষে সর্বাধিক ১.৫ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। যা আয়কর আইনে করমুক্ত হিসাবে বিবেচিত হতে পারে।

পিপিএফে স্বস্তি!

চলতি বছরের এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিক ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে সুদের হার কমায় কেন্দ্র। ৭০-১৪০ বিপিএস (১০০ বিপিএমস= ১ শতাংশ) পর্যন্ত সুদ ছাঁটাই করা হয়। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সুদের হার ফের কমানোর কথা শোনা গিয়েছিল। তা করা হলে পিপিএফে সুদের হার ৭ শতাংশের নীচে নেমে যেতে পারত। যা বিগত ৪৬ বছরের নীচে নামাত এই ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হারকে। কিন্তু আপাতত রক্ষে!

চলতি ২০২০-২১ আর্থিক বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পিপিএফে সুদের হার একই রয়েছে, ৭.১০ শতাংশ। এই সুদের হার ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

Continue Reading

শিল্প-বাণিজ্য

আক্রান্ত আড়াইশো! অস্থায়ী ভাবে বাজাজের একটি প্রকল্প বন্ধের দাবি কর্মী সংগঠনের

ওয়েবডেস্ক: বাজাজ অটোর (Bajaj Auto) একটি প্রকল্পেই প্রায় আড়াইশো জনের করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার পর অস্থায়ী ভাবে কাজ বন্ধের দাবি তুলল কর্মী সংগঠন।

কোভিড-১৯ মহামারির (Covid-19 pandemic) জেরে লকডাউনের কারণে দীর্ঘ বন্ধ ছিল সংস্থার পশ্চিম মহারাষ্ট্রের প্লান্টটি। কিন্তু লকডাউনের কড়াকড়ি শিথিল হতে ফের উৎপাদন চালু হওয়ার পর একে একে কর্মীরা করোনা আক্রান্ত হতে শুরু করেন।

বাজাজ অটোর মুখ্য মানবসম্পদ আধিকারিক রবি রামস্বামী গত ২৬ জুন একটি অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানান, “বলুজ প্লান্টে সংস্থার কর্মী এবং ঠিকাকর্মী মিলিয়ে সংখ্যাটা প্রায় ৮,১০০। এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১৪০ জন। যা মোট কর্মী সংখ্যার ২ শতাংশেরও কম। উচ্চরক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত দুই কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন”।

তিনি আরও জানান, “আক্রান্ত কর্মীদের সমস্ত রকমের সহযোগিতা করছে সংস্থা। চিকিৎসা সংক্রান্ত সহযোগিতাও করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোভিড-১৯ সুরক্ষাবিধি মেনে কাজও চালু রয়েছে। এখন যদি ‘নো ওয়ার্ক নো পে’ নীতি নিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তা হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আমাদের কর্মীদের উপর। অন্য দিকে সরবরাহেও ঘাটতি দেখা দেবে”।

কী বলছে কর্মী সংগঠন?

তবে তার পর থেকে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি বলেই দাবি করছে কর্মী সংগঠন। তাদের দাবি, আক্রান্তের সংখ্যা আড়াইশোয় পৌঁছে গিয়েছে। বাজাজ অটো ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট থেঙ্গাদ বাজিরাও (Thengade Bajirao) জানান, “মানুষ আতঙ্কের মধ্যে কাজে আসছেন। কিছু কর্মী এখনও আসছেন, তবে অনেকেই ছুটিতে রয়েছেন”।

তিনি আরও বলেন, “আমরা সংক্রমণের চক্রটি ভেঙে দেওয়ার জন্য সংস্থাকে ১০-১৫ দিনের জন্য অস্থায়ী ভাবে প্রকল্পটি বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেছি। তবে তারা জানিয়েছে, কাজ বন্ধ থাকলেও কর্মীরা হয়তো বিভিন্ন সামাজিক কাজে বাইরেই থাকবেন, ফলে কোনো লাভ নেই।”

এক কর্মী জানিয়েছেন, “একাধিক কর্মী একটি মেশিন স্পর্শ করেন। আমরা স্বাস্থ্যসুরক্ষার ব্যবস্থা হিসাবে মাস্ক অথবা গ্লাভস ব্যবহার করছি। তা সত্ত্বেও আক্রান্ত হতে হচ্ছে”।

বাজাজের বার্তা

কর্মীরা কাজে যোগ না দিলে কী হতে পারে, তা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে সংস্থা। বলা হয়েছে, “কোনো কর্মচারী যদি কোম্পানির কাছে গরহাজিরার সঠিক কারণ না জানাতে পারেন … তা হলে ওই সময়কালে তাঁর বেতনের ১০০% কেটে নেওয়া হবে”।

Continue Reading

শিল্প-বাণিজ্য

কয়েক হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করেছে কগনিজ্যান্ট, অভিযোগ ইউনিয়নের

কগনিজ্যান্ট বলেছে, তৃতীয় পক্ষ থেকে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সঠিক নয়, তথ্যভিত্তিক নয় এবং কগনিজ্যান্ট এই ঘোষণা করেনি।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ক্লায়েন্টদের প্রকল্পের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয়, এমন কয়েক হাজার ‘বেঞ্চ এমপ্লয়ি’কে ছাঁটাই করেছে (lay off) তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে অন্যতম অগ্রণী সংস্থা কগনিজ্যান্ট (Cognizant)। এই অভিযোগ কর্মী ইউনিয়নগুলির।

কর্নাটক ও চেন্নাইয়ের তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী ইউনিয়নগুলি অভিযোগ করেছে, সারা ভারত জুড়ে প্রায় ১৮ হাজার কর্মীকে বেঞ্চে রেখে শেষ পর্যন্ত ছাঁটাই করেছে কগনিজ্যান্ট টেকনোলজি সল্যুশনস্‌ (Cognizant Technology Solutions)।

কগনিজ্যান্ট-এর পরিচালন কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার “তীব্র নিন্দা করেছে” কর্নাটক স্টেট আইটি/আইটিইএস এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (কিটু, KITU)  

‘বেঞ্চ এমপ্লয়ি’ কারা

ক্লায়েন্টদের প্রকল্পের সঙ্গে যাঁরা সরাসরি জড়িত থাকেন না, তাঁদের বলা হয় ‘বেঞ্চ এমপ্লয়ি’ (Bench Employee)। এঁরা হচ্ছেন কোম্পানির ‘নন-বিলেবল’ সম্পদ। অর্থাৎ এঁদের জন্য যে খরচা হয় তার বিল কোনো ক্লায়েন্টের খাতে ধরা হয় না।

প্রশ্ন হল, এই ‘বেঞ্চ এমপ্লয়ি’দের কেন রাখা হয়? তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলি তাদের মোট কর্মীসম্পদের একটা ক্ষুদ্র অংশকে ‘বেঞ্চ এমপ্লয়ি’ হিসাবে রেখে দেয় যাতে তাঁরা কিছু প্রকল্পের কাজ দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করে দিতে পারেন।      

ইউনয়ন কী বলেছে

এক বিবৃতিতে কিটু বলেছে, “‘কর্মীসম্পদের ব্যবহার কার্যকর ভাবে পরিচালনার’ নামে বিশাল সংখ্যক কর্মীকে লে অফ করার খবর আসছে কগনিজ্যান্ট থেকে। সারা ভারত জুড়ে কয়েক হাজার কর্মী এর শিকার হচ্ছেন। এ রকম বেশ কিছু কর্মী কিটু-র দ্বারস্থ হয়েছে। এই অবৈধ কাজের জন্য কগনিজ্যান্ট পরিচালন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি যুদ্ধ শুরু করেছে ইউনিয়ন।”

দ্য নিউ ডেমোক্র্যাটিক লেবার ফ্রন্ট (এনডিএলএফ, NDLF) নামে চেন্নাইয়ের তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের একটি ইউনিয়নও অভিযোগ করে বলেছে, কগনিজ্যান্ট তার চেন্নাই অফিসের কর্মীদের বেঞ্চে পাঠাচ্ছে এবং ৪১ দিন পরে তাদের ইস্তফা দিতে বাধ্য করছে।

কগনিজ্যান্ট কী বলছে

টাটা কনসালট্যান্সির পরেই কগনিজ্যান্ট হল তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ সংস্থা। সারা বিশ্বে প্রায় ২ লক্ষ ৯০ হাজার কর্মী কাজ করে এই সংস্থায়। এর মধ্যে ভারতেই ২ লক্ষের বেশি, যার অধিকাংশই চেন্নাই অফিসে।

কগনিজ্যান্টের এক জন মুখপাত্র অবশ্য ঠারেঠোরে বলেছেন, কোনো লে অফ হয়ে থাকলে তা শুধুমাত্র পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে কগনিজ্যান্ট-সহ সব কোম্পানিতেই পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।”

মুখপাত্র বলেন, “বাজারে কী গুজব ছড়াচ্ছে বা আলোচনা চলছে তা নিয়ে কগনিজ্যান্ট কোনো মন্তব্য করে না। আমরা এটুকু ব্যাখ্যা দিতে পারি যে, কার্য ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কিছু সংখ্যা নিয়ে তৃতীয় পক্ষ থেকে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সঠিক নয়, তথ্যভিত্তিক নয় এবং কগনিজ্যান্ট এই ঘোষণা করেনি।”

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 day ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা6 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

কেনাকাটা1 week ago

১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

খবর অনলাইন ডেস্ক : বাইরে বেরোচ্ছেন। মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্ক...

নজরে