Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ফর্ম জমা দেওয়ার সময় বাড়াল আয়কর বিভাগ

Income Tax

বেঙ্গালুরু: করশূন্য আয়করদাতাদের জন্য ১৫জি এবং ১৫এইচ ফর্ম জমা করার সময়সীমা বাড়াল সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্ট ট্যাক্সেস বা সিবিডিটি।

বিভাগ জানিয়েছে, কোভিড-১৯ মহামারীর জেরে সমস্ত ক্ষেত্রের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয়েছে। ব্যাঙ্ক-সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও এর জোরালো প্রভাব পড়েছে। যে কারণে অনেকেই এই ফর্মগুলি নির্দিষ্ট সময়ে জমা করতে গিয়ে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন।

সিবিডিটি জানিয়েছেন, “যদি কোনো ব্যক্তি ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ব্যাঙ্ক ও অন্যান্য সংস্থাগুলিতে ১৫জি এবং ১৫এইচ-এর বৈধ ফর্ম জমা দেন, তবে এই ফর্মগুলি ৩০ জুন, ২০২০ পর্যন্ত বৈধ হিসাবে বিবেচিত হবে”।

সিবিডিটি জানিয়েছে, যে সমস্ত আয়কর দাখিলকারী ফ্রম ১৫জি এবং ১৫এইচের ভিত্তিতে ট্যাক্স কাটেননি, তাঁদের আয়কর আইন, ১৯৬২-র ৩১এ(৪) (ছয়) ধারা অনুযায়ী ৩০ জুন, ২০২০-র ত্রৈমাসিকের টিডিএস বিবৃতিতে এই জাতীয় টাকার পেমেন্ট বা ক্রেডিটের বিবরণ জানাতে হবে।

আরও পড়ুন: তিন মাসের ইএমআই স্থগিতের শর্তসাপেক্ষ সুযোগ দিচ্ছে এসবিআই

মূলত সুদের আয় থেকে ব্যাঙ্কে উৎসে কর কাটা (টিডিএস) আটকাতে এই ১৫জি বা ১৫ এইচ ফর্ম দু’টি জমা দিতে হয়। যাঁরা কর এড়াতে এই ফর্মগুলি জমা দিয়ে থাকেন, তাঁদের এপ্রিলেই তা দাখিল করতে হয়। পুরো অর্থবর্ষের আয় করশূন্য হলে এই ফর্ম জমা দেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে প্রবীণরা ১৫এইচ আর বাকিরা ১৫জি ফর্ম জমা করেন।

শিল্প-বাণিজ্য

ফের সেভিংসে সুদের হার কমাল এসবিআই

SBI

ওয়েবডেস্ক: দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (SBI) ফের সেভিংস অ্যাকাউন্টের আমানতের উপর সুদের হার হ্রাস করল। ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, নতুন সুদের হার ৩১ মে, ২০২০ থেকে কার্যকর হয়েছে।

এসবিআইয়ের সেভিংস ডিপোজিট অ্যাকাউন্টে (saving deposits accounts) এর আগে সুদের হার কমিয়ে বার্ষিক ২.৭৫ শতাংশ করা হয়েছিল। সে বার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়। ফের তা থেকে ৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে করা হল ২.৭ শতাংশ। ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সেভিংসের জন্য জন্য এই সুদের হার কার্যকর করা হয়েছে।

সম্প্রতি সমস্ত আকারের সেভিংসের জন্য সমান সুদের হার ধার্য্য করেছে এসবিআই। ফলে এক লক্ষ টাকার বেশি সেভিংসের জন্যও সুদের হার করা হয়েছে বার্ষিক ২.৭ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, এই নিয়ে মে মাসে দু’বার সুদের হার কমালো এসবিআই। গত সপ্তাহেই স্থায়ী আমানত বা ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার কমায় ব্যাঙ্ক।

পড়তে থাকুন

শিল্প-বাণিজ্য

বিমার দাবি নিষ্পত্তির জন্য ৩০ জুন পর্যন্ত অনলাইনে এলআইসির নথি জমার সুবিধা

LIC

ওয়েবডেস্ক: করোনাভাইরাস মহামারি (Coronavirus pandemic) এবং লকডাউনের (Lockdown) জেরে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে গ্রাহকের বিমা নিষ্পত্তির দাবি জানাতে অনলাইন পরিষেবা দিচ্ছে এলআইসি (LIC)।

রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থা এলআইসি জানিয়েছে, গ্রাহক নিজের বিমার নিষ্পত্তি দাবি জানানোর জন্য পলিসি, কেওয়াইসি তথ্য, ডিসচার্জ ফর্ম এবং আনুষঙ্গিক নথিগুলি স্ক্যান করে ই-মেল করতে পারেন। একই ভাবে সারভাইভাল বেনেফিটের ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি অনুসরণ করা যাবে।

এলআইসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত নিজের সার্ভিসিং শাখায় নথিগুলি ই-মেল করা যাবে।

কী ভাবে অনলাইনে আবেদন জানানো যাবে?

এলআইসির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, পলিসিধারী ই-মেলের মাধ্যমে দাবি নিষ্পত্তির আবেদন জানাতে পারবেন। ই-মেলটি পাঠাতে হবে [email protected] ঠিকানায়। অর্থাৎ, নিজের সার্ভিসিং ব্রাঞ্চের কোড Branch code-এর জায়গায় বসাতে হবে। কারও সার্ভিসিং ব্রাঞ্চের কোড যদি ৮৮৩ (আনুমানিক) হয়, তা হলে তিনি ই-মেলটি পাঠাবেন claims.bo<883>@licindia.com ঠিকানায়।

অন্যতম কয়েকটি শর্ত

১. আবেদনের নিষ্পত্তি করা হবে সংশ্লিষ্ট শাখার মাধ্যমে।

২. যেগুলিতে ডুপ্লিকেট পলিসি জারি করা হয়নি।

৩. সারভাইভাল বেনেফিট ক্লেমের ক্ষেত্রে গ্রস এসবি অ্যামাউন্ট ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে হবে।

৪. দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে পলিসির সাম অ্যাসিউরড ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে হবে।

বিস্তারিত দেখে নিন এখানে: licindia.in

পড়তে থাকুন

গাড়ি ও বাইক

অনলাইনে মোটর বাইক বিক্রি শুরু করল সুজুকি

নয়াদিল্লি: অনলাইনে বিক্রি এবং সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম চালু করল সুজুকি মোটরসাইকেল ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড (Suzuki Motorcycle India Pvt Ltd)। ক্রেতার দোরগড়ায় বাইক এবং একই সঙ্গে আনুষঙ্গিক পরিষেবা পৌঁছে দিতে মঙ্গলবার এই নতুন উদ্যোগের উদ্বোধন করে সংস্থা।

সংস্থার সরকারি ওয়েবসাইট থেকে ক্রেতা এই সুবিধা নিতে পারবেন। সেখানে নতুন বাইক কেনা, টেস্ট-রাইড এবং কেনার পরে সার্ভিস সমস্ত কিছুই একটি ক্লিকেই মিলবে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে সংস্থা।

একই সঙ্গে টোল-ফ্রি নম্বরে ফোন করে ক্রেতা নিজের নিকটবর্তী ডিলারের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। ডিলারের সঙ্গে কথা বলে ক্রেতা চাইলে তাঁর সঙ্গে দেখা করতেও পারবেন।

সংস্থা জানিয়েছে, ক্রেতা এবং কর্মীদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করেই অনলাইন বুকিং, হোম ডেলিভারি এবং সার্ভিসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্রেতার চাহিদা পূরণে যাতে কোনো রকমের খামতি না থাকে, সে দিকে তাকিয়েই এই নতুন পরিকল্পনা। আপনার শহরে পাওয়া যাচ্ছে কিনা, দেখতে পারেন এখানে ক্লিক করে suzukimotorcycle.co.in

পড়তে থাকুন

নজরে