রাজস্ব ক্রমশ বাড়ছে ফেসবুকের মালিকানাধীন সংস্থা মেটার। তবে মেটাভার্স নিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর কৌশলের কারণে লাভের রেখচিত্রে সামান্য পতনও ঘটতে পারে। সংস্থার ত্রৈমাসিক আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট পেশের আগে এমনটাই অনুমান করা হয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে।

গত বছরের অক্টোবরে ফেসবুকের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি কার্যত ছিল মার্ক জুকারবার্গের একটি সাহসী এবং কৌশলগত পদক্ষেপ। এর মাধ্যমেই ভিআর হেডসেট, এআর চশমা এবং ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডের উপর সংস্থার ভবিষ্যৎ বাজি রেখেছিলেন তিনি। যে কারণে ভার্চুয়াল এবং অগুমেন্টেড রিয়্যালিটি কনজিউমার বিজনেসে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণের বিষয়টিও স্বাভাবিক। এখন যা মেটাভার্স নামে পরিচিত।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ভিআর এবং এআর ব্যবসার ব্রেকআউটের অংশ হিসাবে, মেটা সেগমেন্টের জন্য ঐতিহাসিক তথ্য তুলে ধরবে মেটা। বিনিয়োগকারীদের দেখানো হবে, সংস্থার ব্যবসা আগের পাঁচটি ত্রৈমাসিক এবং গত তিনটি আর্থিক বছর ধরে কী ভাবে বেড়ে চলেছে। ২০২১ সালের ছুটির কেনাকাটার মরশুমে কোম্পানির ‘কোয়েস্ট ২ ভিআর হেডসেটে’র বিক্রি কেমন হয়েছে, সেটা জানাও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের বিষয়।

গত অক্টোবরে নাম পরিবর্তনের ঘোষণা করার পর জাকারবার্গ আশাপ্রকাশ করেছিলেন, “মেটাভার্স স্কেলে পৌঁছানোর আগে বেশ কয়েক বছর ধরে কোটি কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসবে সংস্থায়”।

প্রসঙ্গত, মেটাভার্স হল ব্লকচেন সাপোর্টেড একটি ভার্চুয়াল দুনিয়া। এমন এক দুনিয়া যেখানে অগুমেন্টেড রিয়্যালিটি, ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি, হলোগ্রামের থ্রি-ডি অবতার, ভি়ডিয়ো এবং জনসংযোগের আরও নানা দিক একসঙ্গে মিশে যায়। ফেসবুক বলছে, “মেটাভার্স হল নানা রকমের ভার্চুয়াল স্পেসে একটি সেট, যেখানে আপনি শারীরিক ভাবে উপস্থিত না থেকেও বিশ্বের যে কোনো জায়গায় অন্য কারও সঙ্গে বাস্তব দুনিয়ার মতোই যোগাযোগ করতে পারেন। অর্থাৎ, আপনি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে, কাজ করতে, খেলতে, শিখতে, কেনাকাটা করতে, কিছু তৈরি করতে এবং আরও অনেক কিছুই করতে সক্ষম হবেন”।

আরও পড়তে পারেন: 

মেটাভার্স: এই নতুন ভার্চুয়াল দুনিয়ায় পাড়ি দিতে আপনাকে যা জানতেই হবে

এনএফটি কী? নতুন এই টোকেন নিয়ে কেন উন্মাদনা মেটাভার্স বিশ্বে

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন