সোনার গয়নায় হলমার্ক বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র, আপনার কেনাবেচায় কী ধরনের প্রভাব পড়বে

    আরও পড়ুন

    খবর অনলাইন ডেস্ক: গ্রাহকদের জন্য সোনার বিশুদ্ধতা এবং মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বুধবার থেকে সোনার গহনায় হলমার্কিং বাধ্যতামূলক হল। সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে, প্রথম দিকে দেশের ২৫৬টি জেলায় এই নীতি কার্যকর হবে, পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমিক ভাবে তা দেশের সর্বত্র চালু করা হবে।

    ক্রেতার কী লাভ?

    সোনার হলমার্কিং একটি বিশুদ্ধতা শংসাপত্র। তবে এটা এখন স্বেচ্ছাভিত্তিক। অর্থাৎ, কোনো বিক্রিতা চাইলে সোনার গয়নায় হলমার্কিং করাতে পারেন। তবে এ বার থেকে তা বাধ্যতামূলক হতে চলেছে। সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্রেতারা খাঁটি সোনা হাতে পাবেন। ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমবে।

    Loading videos...

    সোনার গয়নায় হলমার্ক থাকার অর্থ, ক্রেতা প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবেন এবং বিশুদ্ধতা নিয়েও আশ্বস্ত হতে পারবেন। উলটো দিকে কোনো ক্রেতা বিক্রি করার সময় সঠিক হারে সোনার দাম পাবেন।

    - Advertisement -

    এ দিন (১৬ জুন) থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা শুধুমাত্র ১৪, ১৮ এবং ২২ ক্যারেট সোনার গয়না বিক্রি করার অনুমতি পাবেন। ২০, ২৩ এবং ২৪ ক্যারেটের সোনাকেও হলমার্কিংয়ের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে। তবে যে সব ব্যবসায়ী বা সংস্থার বার্ষিক ব্যবসা ৪০ লক্ষের কম, তাঁদের ক্ষেত্রে হলমার্ক বাধ্যতামূলক নয় বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।

    পুরনো সোনা বিক্রি করতে সমস্যায় পড়তে হবে কি?

    কিন্তু পুরনো সোনায় তো হলমার্ক নেই! তবে তাতে আশঙ্কারও কোনো কারণ নেই। কারণ হলমার্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে সোনা বিক্রেতাদের জন্য। কোনো ক্রেতা যদি পুরনো সোনা বিক্রি করতে চান, তাঁর ক্ষেত্রে হলমার্কের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

    তা ছাড়া সরকার বলছে, ঘড়ি, কলম এবং কুন্দনে মতো সোনার সামগ্রীগুলোর জন্য হলমার্কিং বাধ্যতামূলক হবে না। ফলে সে সব ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হবে না ক্রেতাকে।

    হল মার্ক কী?

    ২০০০ সাল থেকে সোনার গয়নার জন্য হলমার্কিং উদ্যোগ চালিয়ে আসছে বিআইএস (ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস)। ভারতে প্রায় ৪ লক্ষ জুয়েলার্স রয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ৩৫,৮৭৯টি বিআইএস শংসাপত্র নিয়েছে।

    সোনার গয়নার বিশুদ্ধতা বিচার করার জন্য সাংকেতিক সংখ্যা উল্লেখ করা হয়। যেমন ২২ ক্যারেটের জন্য ৯১৬, ২৩ ক্যারেটের জন্য ৯৫৮ ইত্যাদি স্ট্যাম্প লাগানো হয়। যা দেখে ক্রেতা সহজেই বুঝে নিতে পারেন, কোনটা কী ধরনের পণ্য। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, ভারত বছরে ৭০০-৮০০ টন সোনা আমদানি করে।

    আরও পড়তে পারেন: সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস কোম্পানির নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলেন স্প্রিন্টার দ্যুতি চন্দ

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

    - Advertisement -

    আপডেট খবর