নয়াদিল্লি: উৎসবের মাঝে দেশের ৬ কোটির বেশি প্রভিডেন্ট ফান্ড গ্রাহকের জন্য সুখবর। সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, দীপাবলির আগেই তাঁরা ৮.৫ শতাংশ সুদ পেতে চলেছেন। চলতি মাসের শেষের দিকেই এই সুদ পেতে পারেন পিএফ গ্রাহকরা।

এমনিতে ২০২০-২১ আর্থিক বছরের জন্য ভবিষ্য তহবিলে সুদের হার ৮.৫০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে ইপিএফও (EPFO)। কোভিড মহামারির জেরে একটা বড়ো অংশ সঞ্চয় তুলে নিয়েছেন গ্রাহকরা। উলটো দিকে, তহবিলে তাঁদের অবদানের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে।

এর আগে ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে এই সুদের হার ছিল ৮.৬৫ শতাংশ। কিন্তু পরের বছর (২০১৭-১৮) তা কমে হয় ৮.৫৫ শতাংশ। কিন্তু ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে তা বেড়ে হয় ৮.৬৫ শতাংশ। তার পরের বছর সাত বছরের সর্বনিম্ন সুদের হার ৮.৫০ শতাংশ। চলতি আর্থিক বছরে সামগ্রিক অর্থনীতিতে করোনার ব্যাপক প্রভাব পড়ায় সুদের হার আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছিল।

এ ব্যাপারে ইকোনমিক টাইমস-এর কাছে শ্রমমন্ত্রকের এক শীর্ষকর্তা বলেন, গত অর্থবছরের ঘোষিত সুদের হার নিয়ে অর্থমন্ত্রকের কিছু সমস্যা সমাধানের জন্য সম্প্রতি দুই মন্ত্রকের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রকের অনুমোদনের কথা উল্লেখ করে এই শীর্ষকর্তা বলেন, “সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে শীঘ্রই সুদ ঘোষণা হওয়া উচিত”।

তবে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (PPF) বা অন্য সরকারি ক্ষুদ্রসঞ্চয় প্রকল্পের থেকে সুদের হার বেশি পিএফে। স্বাভাবিক ভাবে অন্য সরকারি প্রকল্পগুলোর থেকে পিএফে সুদের হার বেশি হওয়ার বিষয়ে প্রশ্নও উঠেছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রীর গরিব কল্যাণ যোজনার (PMGKY) অধীনে একটি নতুন নিয়ম চালু করেছিল কেন্দ্র। বলা হয়েছিল, কোভিড মহামারির কারণে সংকটে পড়া ইপিএফও সদস্যরা নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে তিন মাসের মূল বেতন এবং মহার্ঘ ভাতা বা নিজের পিএফের ৭৫ শতাংশ টাকা তুলে নিতে পারবেন।

আরও পড়তে পারেন

কলকাতায় ১৮০, তবুও পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক সংক্রমণে উদ্বেগের কোনো বৃদ্ধি নেই

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন