আশঙ্কাই সত্যি! সোনায় শুল্ক বাড়ায় প্রতিবেশী দেশের পোয়াবারো

0
nirmala sitharaman
বাজেটে শুল্কবৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন

ওয়েবডেস্ক: গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় সাধারণ বাজেট ২০১৯ পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বাজেট পেশ করতে গিয়ে তিনি সোনা, রূপো অথবা প্ল্যাটিনামের মতো মূল্যবান ধাতুর আমদানি শুল্ক আড়াইগুণ বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখেন। এর পরই বিভিন্ন মহল থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল, শুল্ক বাড়লে এ দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করতে পারেন। শনিবার জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল (জিজেইপিসি)-এর চেয়ারম্যান তেমন কথাই শোনালেন।

বাজেট পেশে বলা হয়েছে, সোনা-সহ ওই সমস্ত মূল্যবান ধাতুর আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে করা হবে ১২.৫ শতাংশ। আগে এই শুল্কের পরিমাণ ছিল ১০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তে জিজেইপিসির চেয়ারম্যান প্রমোদ আগরওয়াল বলেন,
মূল্যবান ধাতুর আমদানির উপর শুল্ক বৃদ্ধি এই শিল্পকে হতাশ করেছে। ইতিমধ্যেই আমদানি কমতে শুরু করায় এই শিল্প ধুঁকতে শুরু করেছে। যার জেরে কাজ হারাতে হচ্ছে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের।

এ বিষয়ে আগরওয়াল সরকারের উদ্দেশে বলেন, গয়না শিল্পের প্রাথমিক কাঁচামালের উপর থেকে এই শুল্ক না কমালে পরিস্থিতি আর খারাপের দিকে যাবে।

তিনি একটি বিবৃতিতে জানান, সরকারের এই পদক্ষেপ প্রতিবেশী দেশগুলির ব্যবসা বৃদ্ধি পাবে। কারণ, বিদেশি পর্যটকরা এখানে থেকে গয়না কেনার বন্ধ করবেন এবং বড়ো হিরের প্রক্রিয়াকরণ-সহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর ক্রেতারা চিন, ভিয়েতনামের মতো প্রতিযোগী দেশগুলিকেই বেছে নেবেন।

একই ভাবে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সোমসুন্দরম পিআর জানিয়েছেন, সোনার আমদানিতে শুল্কবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত এই শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তার উপর সারা পৃথিবীতেই এখন সোনার দাম বাড়তে চলেছে। সেই জায়গা থেকে এ দেশের ব্যবসায়ীদের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

একটি রিপোর্টে প্রকাশিত, ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে বিদেশ থেকে ভারতে ৩২.৮ বিলিয়ন ডলারের সোনা আমদানি করা হয়েছিল। যা বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির থেকে বেশি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here