Savings Bank Account

এক জন কতগুলি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন?

উত্তরটা খুবই সহজ। এখনও পর্যন্ত, কোনো ভারতীয় নাগরিক যত খুশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। একটি অথবা একাধিক ব্যাঙ্কে তা খোলা যায়। কোনো এক জন ব্যক্তির জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা সীমাবদ্ধ করার কোনো নিয়ম নেই এখনও পর্যন্ত এ দেশে নেই। তবে এর বিভিন্ন রকমের সুবিধা এবং অসুবিধাও রয়েছে।

বেশিরভাগ মানুষেরই একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বিভিন্ন কারণে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। যেমন, অনেক সংস্থাতেই কর্মীকে স্যালারি অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। এ ছাড়াও পরিবারের সদস্যসের সঙ্গে যৌথ অথবা বিনিয়োগ, ব্যবসা ইত্যাদির জন্য অতিরিক্ত অ্যাকাউন্টও খুলে থাকেন অনেকে। ফলে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার কারণ অনেক। কিন্তু প্রশ্ন হল, আপনার সেভিং বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা কতগুলি হওয়া উচিত?

অনেকেই মনে করেন, একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা ভালো। কারণ, একেকটা ব্যাঙ্কে এক রকমের সুবিধা মিলতে পারে। তবে লাভজনক স্কিম অথবা পরিষেবার কথা মাথায় রেখে একের বেশি সেভিংস অ্যাকাউন্ট খোলার আগে, অবশ্যই কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে।

ন্যূনতম ব্যালেন্স বজায় রাখার ঝক্কি

সেভিংস অ্যাকাউন্টে একটি ন্যূনতম ব্যালেন্স বজায় রাখতে হয়। ব্যাঙ্কগুলি এই ন্যূনতম ব্যালেন্সের পরিমাণ স্থির করে। রয়েছে পরিষেবা এবং অ্যাকাউন্ট রক্ষণাবেক্ষণের খরচ। বিবেচনা করে চার উপর ন্যূনতম ব্যালেন্স বজায় না থাকলে তারা নির্দিষ্ট জরিমানাও করা হতে পারে।

ফলে এক বা দু’টি সেভিংস অ্যাকাউন্টে হয়তো ন্যূনতম ব্যালেন্স রাখা সহজ। কিন্তু আরও বেশি অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে এই কাজটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

এটিএম থেকে বেশি টাকা তোলার সুবিধা

কিছু সেভিংস অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ডেবিট কার্ড দিয়ে এটিএম থেকে টাকা তোলার জন্য প্রতিদিনের নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে, একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকা সহায়ক হতে পারে। আপনি প্রয়োজনের সময় বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বড়ো অঙ্কের টাকা তুলতে পারবেন।

পরিষেবার জন্য ব্যাঙ্কের বিভিন্ন ধরনের ফি

ব্যাঙ্কগুলি বিনামূল্যে অনেক পরিষেবা অফার করে, কিন্তু এমন কিছু থাকে, যেগুলির জন্য ফি নেওয়া হয় গ্রাহকের কাছ থেকে। একজন গ্রাহক হিসাবে, আপনার ব্যাঙ্কের বিভিন্ন ফি এবং চার্জ সম্পর্কে স্পষ্ট ভাবে জানা উচিত।

প্রথমেই বলা হয়েছে, আপনি কতগুলি সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলবেন, সে ব্যাপারে ব্যাঙ্কের তরফেও কিছু বলার নেই। কিন্তু অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট সময় অবধি লেনদেন না হলে সেটা নিষ্ক্রিয় করা হতে পারে। অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় রাখা অবস্থায় বিভিন্ন চার্জও আরোপ করা হতে পারে। ফলে পুনরায় সক্রিয় করতে গিয়ে আপনার ব্যালেন্সেই কোপ পড়বে।

আরও পড়তে পারেন: ঋণ পরিশোধের আগেই আচমকা মৃত্যু, বাকি টাকা কে মেটাবে

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন