প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট আকারের দিক থেকে লন্ডন ডকল্যান্ডসের মতোই বৃহত্তর। কিন্তু মালিকানাধীন জমির ব্যবহারের দিক থেকে ডকল্যান্ডসের অর্ধেকও ব্যবহার করে না কলকাতা বন্দর। এমন পরিস্থিতিতে সংস্থার আয় বাড়ানোর জন্য অব্যবহৃত জমিটি আরও বেশি অংশ ভাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছেন কর্তৃপক্ষ।

ভারতের প্রাচীনতম বন্দর হিসাবে পরিচিত কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট নিজের ল্যান্ড ব্যাঙ্কের রেকর্ড ডিজিটালাইজ করার জন্য সম্পত্তি পরামর্শদাতা জেএলএল ইন্ডিয়াকে নিয়োগ করেছে বলে সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানান চেয়ারম্যান বিনিত কুমার।
কলকাতায় নিজের কার্যালয়ে চেয়ারম্যান বলেন, কলকাতা বন্দরটির প্রায় সাড়ে চার হাজার একর (১৮ বর্গকিলোমিটার) মালিকানাধীন জমি রয়েছে। যার থেকে সরাসরি প্রায় দু’হাজার একর ব্যবহার করা হয়। বাকিটা অনেকাংশেই অব্যবহৃত হয়ে পড়ে থাকে।

তিনি বলেন, “আমরা এই ল্যান্ড ব্যাঙ্ককে কার্যকর ভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছি”। একই সঙ্গে তিনি জানান, “আমরা আগামী অর্থবছরের আরও বেশি আয়ের প্রত্যাশা করছি। অর্থনৈতিক মন্দা আমাদের খুব বেশি প্রভাবিত করে না, আমরা এখন এগিয়ে চলেছি”।

দেড়’শ বছরের পুরনো কলকাতা বন্দর এখন কয়েক বছর ধরে মুনাফা বৃদ্ধির দিকে এগোতে শুরু করেছে। বন্দরের বিকাশের কাজ এবং পরিকল্পনাও একই সঙ্গে এগিয়ে চলেছে।

আরও পড়ুন ইলেকট্রিক স্কুটার নিয়ে আসছে হিরো?

সংস্থা সূত্রে খবর, আগামী বছর দুয়েকের মধ্যে প্রায় ৮০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হবে। বর্তমানে বন্দরের বার্ষিক কার্গো পরিচালনার ক্ষমতা ৭ কোটি টন, এই দক্ষতাকে বার্ষিক ৮ কোটি টনে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন