ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: কর্মীরা যাতে বাড়তি বেতন বাড়িতে নিয়ে যেতে পারেন, সে দিকে তাকিয়েই ইপিএফে (EPF) মাসিক অবদানের পরিমাণ হ্রাস করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের (Nirmala Sitharaman) ঘোষণা মতোই এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে শ্রমমন্ত্রক।

বর্তমানে কর্মীর বেতন থেকে ১২ শতাংশ কেটে নিয়ে ইপিএফে জমা করা হয়। এ ক্ষেত্রে নিয়োগকারীও সমপরিমাণ টাকা জমা করেন। কিন্তু করোনাভাইরাস লকডাউনের (Coronavirus Lockdown) জেরে সংকটে পড়া কর্মী-নিয়োগকারীকে স্বস্তি দিতে এই অবদানের পরিমাণ হ্রাস করে ১০ শতাংশ করেছে কেন্দ্র।

শ্রমমন্ত্রক জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বেতনের অতিরিক্ত অংশ পাবেন প্রায় ৪.৩ কোটি কর্মী, অন্য দিকে উপকৃত হবে প্রায় ৬.৫ লক্ষ প্রতিষ্ঠান। চলতি মে এবং আগামী জুন-জুলাই মাসের জন্য এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

১৮ মে দিনাঙ্কিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে শ্রমমন্ত্রক জানিয়েছে, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডস অ্যান্ড মিসলেনিয়াস প্রভিসন্স অ্যাক্ট, ১৯৫২-এর ১৯৯৭ সালের ৯ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি সংখ্যা এসও. ৩২০ (ই) সংশোধনী অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত নিয়মটি কার্যকর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ (Covid-19) লকডাউনের সময়ে সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বিশ্লেষণ করে কর্মী এবং নিয়োগকারীকে সহায়তা করার জন্যই ১৯৯৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনের জন্য গন্তব্য রাজ্যের সম্মতির প্রয়োজন নেই: রেল

প্রসঙ্গত, কোভিড-১৯ আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি কর্মীদের বেতন থেকে আগামী তিন মাস ১০ শতাংশ হারে ইপিএফ কাটা হবে। অর্থাৎ, ১২ শতাংশের পরিবর্তে আগামী তিন মাস ১০ শতাংশ পিএফ কাটা হবে। এর ফলে হাতে বাড়তি বেতন পাবেন কর্মীরা। ১৫ হাজারের নীচে বেতন, এমন কর্মীদের ইপিএফের টাকা সরকার দেবে। অন্য দিকে সরকারি কর্মীদের পিএফ ১২ শতাংশ হারে কাটা হবে। এই খাতে সরকার ৬ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা দেবে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন