খবর অনলাইন ডেস্ক: শেষ সাত বছরে এলপিজি বা রান্নার গ্যাসের দাম দ্বিগুণ হয়েছে বলে লোকসভায় জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, বছরের পর বছর দাম বাড়তে থাকায় ভরতুকির পরিমাণও তলানিতে এসে ঠেকেছে।

অন্যদিকে এই সময়কালের মধ্যে পেট্রোল এবং ডিজেল থেকে কর আদায়ের পরিমাণ প্রায় সাড়ে চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। লোকসভায় লিখিত জবাবে এই তথ্যগুলি তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

Loading videos...

একগুচ্ছ প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ১ মার্চ যে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ৪১০.৫০ টাকা, তা এখন বেড়ে হয়েছে ৮১৯ টাকা (মার্চ, ২০২১)। দিল্লির বর্তমান দাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর সঙ্গে রয়েছে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের শুল্ক।

প্রসঙ্গত, শেষ ৩২ দিনে ১৪.২ কেজির ভরতুকিহীন এলপিজি সিলিন্ডারে দাম বেড়েছে ১২৫ টাকা। গত ৪ ফেব্রুয়ারি শেষ বার দাম বাড়ানো হয় রান্নার গ্যাসের।

তিনি আরও বলেন, ২০১০ সালের ২৬ জুন পেট্রোল, ডিজেলের দাম বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়। বর্তমানে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম, পরিবহণ ব্যয়, কেন্দ্র-রাজ্য শুল্ক এবং খুচরো বিক্রেতাদের লাভের অংশ-সহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি বিবেচনা করে প্রতিদিন জ্বালানির দাম সংশোধিত হয়।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, ২০১৩ সালে জ্বালানি থেকে প্রাপ্ত করের পরিমাণ ছিল ৫২,৫৩৭ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে যা দাঁড়িয়েছে ২.১৩ লক্ষ কোটি টাকায়। ২০২০-২১ আর্থিক বছরের ১১ মাসে যা হয়েছে ২.৯৪ লক্ষ কোটি টাকা।

পেট্রোল এবং ডিজেলে এখন কেন্দ্রীয় শুল্ক যথাক্রমে ৩২.৯০ টাকা এবং ৩১.৮০ টাকা প্রতি লিটার। ২০১৮ সালে যা ছিল ১৭.৯৮ টাকা এবং ১৩.৮৩ টাকা।

সোমবার মন্ত্রী বলেন, পেট্রোল, ডিজেল, বিমানের জ্বালানি, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং অপরিশোধিত তেল থেকে সংগৃহীত কেন্দ্রীয় করের পরিমাণ ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে ছিল ২.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২০-২১ আর্থিক বছরের এপ্রিল- জানুয়ারি পর্যন্ত যা হয়েছে ৩ লক্ষ কোটি টাকা।

আরও পড়তে পারেন: পেট্রোল, ডিজেলের আকাশছোঁয়া দামবৃদ্ধির মোক্ষম কারণ সামনে আনলেন রাহুল গান্ধী

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.