মূল্যবৃদ্ধির আঁচ এ বার দুধে, নতুন বছরে বাড়তে চলেছে দাম

গত ২০১৭ সালে শেষ বার লিটার প্রতি দুধ এবং দুগ্ধজাত দ্রব্যের দাম বেড়েছিল ২ টাকা। গত ২০১৮ সালে স্কিমড মিল্ক পাওডারের মজুতের পরিমাণ ছিল পর্যাপ্ত। যে কারণে, মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েনি।

0
Amul Milk
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই মূল্যবৃদ্ধির থাবা বসতে চলেছে দুধের দামে। দুগ্ধ সরবরাহকারী সমবায় ডেয়ারিগুলির তরফে জানানো হয়েছে, চাহিদা মাফিক জোগান না থাকার কারণে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি হয়েছে। যার জেরে বাড়তে চলেছে দুধের দাম।

সমবায়গুলির দাবি, শীতের সময়েই দুধের জোগান বেশি থাকে। কিন্তু এ বছর দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের বেশ কিছু সমস্যার কারণে সেই সরবরাহে ভাটা পড়েছে।

milk

আমুল ব্র্য়ান্ডের প্রস্তুতকারক সংস্থা গুজরাত কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এর এস সোধি সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, দুধের দাম যে বাড়তে চলেছে, সে বিষয়ে এক প্রকার নিশ্চিত। এর জন্য দায়ী মূলত দু-টি কারণ। প্রথমত, স্কিমড মিল্ক পাওডারের মজুত কমে যাওয়া। দ্বিতীয়ত, চাহিদা অনুযায়ী দুধের জোগান না থাকা।

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, কতকগুলি সমবায় বাদে বিভিন্ন ডেয়ারিগুলি দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের ভালো মূল্য দেয় না। যে কারণে দুগ্ধ উৎপাদনকারীরাও নতুন করে গোরু কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, অন্যান্য বছর শীতের সময় দুধের উৎপাদন বাড়ে প্রায় ১৫ শতাংশ, এ বছর যা দাঁড়িয়ে রয়েছে মাত্র ২ শতাংশে।

[ আরও পড়ুন: টাকার কারবারিদের জন্য রোমাঞ্চকর হয়ে উঠতে চলেছে ২০১৯ ]

বিভিন্ন দুগ্ধ প্রস্তুতকারকদের তরফে এমনটাও জানানো হয়েছে, গত ২০১৭ সালে শেষ বার লিটার প্রতি দুধ এবং দুগ্ধজাত দ্রব্যের দাম বেড়েছিল ২ টাকা। গত ২০১৮ সালে স্কিমড মিল্ক পাওডারের মজুতের পরিমাণ ছিল পর্যাপ্ত। যে কারণে, মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েনি। কিন্তু এ বার আর সম্ভব হচ্ছে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.