ওয়েবডেস্ক: গত সোমবার থেকে শুক্রবার, পাঁচটি কেনাবেচার দিনে এ দেশের শেয়ার বাজারের অন্যতম সূচক সেনসেক্স প্রায় ৩,০০০ পয়েন্ট খুইয়েছে। সেনসেক্স এবং নিফটি- উভয় সূচকই এই এক সপ্তাহে ৭ শতাংশের পতনের সম্মুখীন হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, আর কতটা পিছলে যেতে পারে শেয়ার বাজার? না কি দু:স্বপ্নের ঘোর কাটিয়ে ফের চাঙ্গা হয়ে উঠবে আসছে সপ্তাহে?

শুধু ভারত নয়, গোটা বিশ্বের শক্তিশালী শেয়ার বাজারেই বড়োসড়ো ধস নেমেছে এই একই সময়ে। কারণটা অবশ্যই চিন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাব।

স্বাভাবিক ভাবেই বিনিয়োগকারীদের মূল প্রশ্ন- বাজার আরও কতটা পিছলে যেতে পারে, এর উত্তর নির্ভর করছে এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া অথবা সংকুচিত হওয়ার খবরের উপরেই। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সম্ভাবনার দিকগুলি-

নতুন বিনিয়োগ

ছোটো-মাঝারি-বড়ো, প্রায় সমস্ত স্টকের দামেই বড়ো পতন ধরা পড়েছে। বিনিয়োগকারীরা অনিশ্চয়তা পদধ্বনি শুনে শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার পথে হেঁটেছেন। ফলে এখন নতুন করে যাঁরা বিনিয়োগ করতে চান, তাঁদের কাছে একটা সুযোগ এনে দিয়েছে বর্তমান পরিস্থিতি।

সবুরে মেওয়া

বাজার এখন স্থিতিশীলতা খুঁজবে। করোনাভাইরাস এবং বিশ্ববাণিজ্যের মন্দ-হাওয়া যে এত তাড়াতাড়ি অর্থনীতির উপর থেকে পাত্তাড়ি গোটাবে, তেমনটাও নয়। ফলে রয়েসয়ে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। সবুরে মেওয়া ফলে। স্টকের দাম গত কয়েক দিন আগেও যে জায়গায় ছিল, সেখানে ফিরতে সময় তো লাগবেই। উল্টে, হাওয়া আরও গরম হলে নীচের দিকেও কেউ কেউ যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করতে পারে।

আরও পড়ুন আতঙ্কের নাম করোনা! মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে মুছে গেল ৪,০০০০০ কোটি টাকা

দীর্ঘস্থায়ী সংশোধন

২০০৮ সালে শেষবার এই ধরনের ছবি ফুটে উঠেছিল। এই পরিস্থিতি কর্পোরেটদের লাভের জন্য উপযুক্ত নয়। ঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক নীতিনির্ধারকদের উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে সুবিধা বলতে একটাই, আগামীতে শেয়ার বাজারের সংশোধন দীর্ঘস্থায়ী হবে। যেমনটা হয়েছিল ২০০৮-এর পরেও!

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন