দুঃসংবাদ! পুরনো গাড়ির রেজিস্ট্রেশন পুনর্নবীকরণে খরচ বেড়ে ৮ গুণ!

0
cars

শুধু যাত্রীবাহী ছোটো গাড়ি নয়, বাস-ট্রাকের মতো বড়ো বাণিজ্যিক গাড়ির ক্ষেত্রেও সমান ভাবে প্রযোজ্য হবে এই নিয়ম।

নয়াদিল্লি: ১৫ বছরের পুরনো গাড়ির মালিকদের কাছে দুঃসংবাদ তো বটেই। আগামী বছরের এপ্রিল থেকে এ ধরনের গাড়ির রেজিস্ট্রেশন পুনর্নবীকরণ করাতে এখনকার চেয়ে আটগুণ বেশি খরচ পড়বে!

শুধু যাত্রীবাহী ছোটো গাড়ি নয়, অন্যান্য বাণিজ্যিক বড়ো গাড়ির ক্ষেত্রেও এই একই খরচ পড়বে। অর্থাৎ, ১৫ বছরের পুরনো বাস অথবা ট্রাকের ক্ষেত্রেও ফিটনেস সার্টিফিকেট রিনিউ করার জন্য আটগুণ বেশি খরচ করতে হবে মালিককে।

নতুন নিয়মের ব্যাপারে গত সোমবার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কেন্দ্রের সড়ক পরিবহণ এবং জাতীয় সড়ক মন্ত্রক। আগামী ২০২২ সালের এপ্রিল মাস থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

Shyamsundar

তবে নতুন এই নিয়মের প্রভাব পড়বে না দিল্লি এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায়। কারণ সেখানে ইতিমধ্যেই ডিজেল-চালিত ১০ বছরের পুরনো এবং পেট্রোল-চালিত ১৫ বছরের গাড়ি নিষিদ্ধ হয়েছে। দেশের যে অংশে এখনও পর্যন্ত ১৫ বছরের গাড়ি নিষিদ্ধ হয়নি, সেখানে এই বাড়তি গচ্চা গুনতে হবে গাড়ি মালিককে।

কোন ক্ষেত্রে কত বাড়ছে?

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১৫ বছরের যাত্রীবাহী ছোটো গাড়ির রেজিস্ট্রেশন পুনর্নবীকরণে এখন যেখানে খরচ হয় প্রায় ৬০০ টাকা, আগামী বছরের এপ্রিলে সেটাই বেড়ে হবে প্রায় ৫,০০০ টাকা।

১৫ বছরের পুরনো বাণিজ্যিক বাস-ট্রাকের ক্ষেত্রে এখন খরচ হয় ১,৫০০ টাকা, সেটা বেড়ে হবে ১২,৫০০ টাকা।

এ ধরনের মোটর বাইকের ক্ষেত্রে এখন যেখানে খরচ হয় ৩০০ টাকা, সেটা বেড়ে হবে এক হাজার টাকা।

সরকারের লক্ষ্যই হল, ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি-বাইক বাতিল করে নতুন করে কেনার জন্য উৎসাহিত জোগানো। এ ক্ষেত্রে গাড়ি মালিককে ১৫ বছর পর প্রতি পাঁচ বছর অন্তর গাড়ির রেজিস্ট্রেশন রিনিউ করতে হবে। অন্য দিকে আট বছর পার হলেই কোনো বাণিজ্যিক গাড়ির ক্ষেত্রে ফিটনেস সার্টিফিকেট পুনর্নবীকরণ বাধ্যতামূলক।

গাড়ি বাতিল নীতি

মোটর ভেহিকল আইন অনুযায়ী, একটি যাত্রীবাহী গাড়ির আয়ু ১৫ বছর এবং বাণিজ্যিক যানবাহনগুলির ১০ বছর পর্যন্ত চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়।

এই সময়সীমার বাইরে রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনগুলি নতুন গাড়ির তুলনায় পরিবেশকে আরও বেশি গতিতে দূষিত করে। তারা পুরানো প্রযুক্তি সম্বলিত হতে পারে, যেগুলিকে রাস্তায় চালানো নিরাপদ নয়।

পুরনো গাড়ি নতুনের তুলনায় বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এই নীতি পুরনো গাড়িগুলোকে পরিকল্পিত ভাবে বাতিল করতে সাহায্য করবে।

সুযোগ-সুবিধা

গাড়ি বাতিলের পর মিলবে শংসাপত্র। যা দেখিয়ে নতুন গাড়ি কেনার সময় বিশেষ ছাড় পাওয়া যাবে। নতুন গাড়ির দাম এবং করের উপর ছাড় পাবেন ক্রেতা। স্বাভাবিক ভাবেই পুরনো গাড়ি বাতিল হওয়ার পর নতুন গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে স্বস্তি মিলবে ক্রেতার।

সরকারের দাবি, এই নীতিতে যেমন গাড়ি শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা, তেমনই পুরনো গাড়ি বাতিল হলে কমবে পরিবেশ দূষণ।

আরও পড়তে পারেন: 

পথ দুর্ঘটনায় আহতকে হাসপাতালে পৌঁছে দিলে মিলবে বিপুল অঙ্কের পুরস্কার, বড়ো ঘোষণা কেন্দ্রের

৫০ হাজারের কম দামে ইলেকট্রিক স্কুটার খুঁজছেন? তা হলে এখানে দেখে নিন

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন