নয়াদিল্লি: ছোটো সংস্থাগুলির বোঝা লাঘবের উদ্যোগ। মূলধন এবং টার্নওভারের সীমা সংশোধন করল কেন্দ্রীয় সরকার।

কোম্পানি আইনে (companies law) ছোটো সংস্থার সংজ্ঞা সংশোধন করেছে কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক। আশা করা হচ্ছে, এর ফলে ব্যবসায়িক কাজকর্ম আরও সহজ এবং উন্নত হবে।

দুই অন্যতম পরিবর্তন

আগের নিয়মে ছোটো সংস্থাগুলির গৃহীত মূলধনের (paid-up capital) ঊর্ধ্বসীমা ছিল ২ কোটি টাকা। সেই সংজ্ঞা বদল করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ছোটো সংস্থা বলতে সেই সংস্থাগুলিকেই বোঝায়, যেগুলির গৃহীত মূলধন “৪ কোটি চাকারর বেশি নয়”।

একই ভাবে, টার্নওভার ঊর্ধ্বসীমা আগে যেখানে ছিল “২০ কোটির বেশি নয়”, সেটাই এখন করা হয়েছে “৪০ কোটি টাকার বেশি নয়”। এই সংশোধনের ফলে আরও বেশি প্রতিষ্ঠান ছোটো কোম্পানির ক্যাটেগরিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে।

কী সুবিধা মিলবে

মন্ত্রকের মতে, ছোটো সংস্থাকে আর্থিক বিবৃতির (financial statement) অংশ হিসাবে নগদ প্রবাহ বিবৃতি প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সেগুলি একটি সংক্ষিপ্ত বার্ষিক রিটার্ন ফাইল করতে পারে। এ ক্ষেত্রে অডিটরের হস্তক্ষেপও বাধ্যতামূলক ভাবে প্রয়োজন হবে না।

মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ আর্থিক নিয়ন্ত্রণের পর্যাপ্ততা এবং নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে এর অপারেটিং কার্যকারিতা সম্পর্কে রিপোর্ট করার প্রয়োজন নেই কোনো ছোটো সংস্থার অডিটরের। এই ধরনের সংস্থাকে বছরে মাত্র দু’টি বোর্ড সভা করতে হবে।

অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে, ছোটো সংস্থার জন্য জরিমানা হ্রাস। সংস্থাগুলির বার্ষিক রিটার্নে ওই সংস্থার সচিবই স্বাক্ষর করতে পারেন। যে ক্ষেত্রে সংস্থারর সচিব নেই, সেখানে ডিরেক্টর এই কাজটি করতে পারেন।

কেন্দ্রের লক্ষ্য

মন্ত্রকের মতে, লক্ষ লক্ষ নাগরিককে পরিষেবা দিয়ে আসছে ছোটো সংস্থাগুলি। কর্মসংস্থানে অবদান রাখে সেগুলি। আইন মেনে চলা সংস্থাগুলির কাজকর্ম চালানোর জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যাতে এই ধরনের সংস্থাগুলির উপর আইনি বোঝা হ্রাস করা যায়।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে,দেশে ব্যবসায়িক কাজকর্ম আরও সহজ ও উন্নত করার জন্য কোম্পানি আইনের অধীনে বিভিন্ন বিধানের সংশোধনের পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন