জ্বালানি বাঁচানোর লক্ষ্যে ছোটোদের কাঁধে গুরু দায়িত্ব দিলেন রাজ্যপাল ধানখড়

0
dhankhar
সক্ষম ২০২০

স্মিতা দাস

সায়েন্স সিটি মিনি থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘সক্ষম ২০২০’-র উদ্বোধন। জ্বালানি ও পরিবেশ বাঁচানোর উদ্দেশে এটি সারা দেশে আয়োজিত এক মাস ব্যাপী একটি উদ্যোগ। এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের অধীনস্ত সংস্থা পেট্রোলিয়াম কনজার্ভেশন রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন। এই বছর ট্যাগ লাইন ছিল ‘জ্বালানি খরচ কমান, পরিবেশ বাঁচান’।

ভূগর্ভে সঞ্চিত খনিজ তেল, কয়লা ইত্যাদি যে পৃথিবীতে সীমিত এবং তা বুঝে খরচ করা উচিত। সেই সচেতনতা গড়ে তুলতেই এই ধরনের অনুষ্ঠান এবং কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এটি প্রথম শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সালে। প্রথম দফায় এটি ছিল সপ্তাহ ব্যাপী সচেতনতা অনুষ্ঠান। ১৯৯৪ সাল থেকে তা ১৫ দিনের কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছিল। তার পর ২০১৭ সাল থেকে এই কর্মসূচি এক মাস ব্যাপী অনুষ্ঠানে পরিণত হয়।  

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধানখড়। তিনি বলেন, এই সঞ্চয়ের ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। প্রত্যেকের অন্তত পক্ষে ১০ জন মানুষকে সচেতন করা উচিত। এই বিষয়ে ছোটোরা খুব ভালো ভূমিকা নিতে পারে। এই উপলক্ষ্যে একটি মোবাইল ভ্যান উদ্বোধন করেন রাজ্যপাল।

অতুল গুপ্তা

এই কর্মসূচি উপলক্ষ্যে ওপিএস-এর চিফ জেনারেল ম্যানেজার অতুল গুপ্তা খবর অনলাইনকে বলেন, ভারতের প্রায় ৭০% জ্বালানিই মাটির নিচে থেকে তুলে আনা হয়। তাতে যেমন আছে কয়লা, তেমনই আছে গ্যাস, তেল ইত্যাদি। তা আগামী কিছু দিনের মধ্যে নিঃশেষ হয়ে যাবে। তাই তা বাঁচাতে হবে। তবেই আগামী প্রজন্মের জন্যে জ্বালানি সঞ্চয় করতে পারা যাবে। তার উপায় হল বিকল্প কিছু ব্যবহার করা। তার মধ্যে রয়েছে সৌর শক্তি, বায়ুশক্তি, পরমাণু শক্তি ইত্যাদি।  এই সবের ব্যবহার করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে জ্বালানির খরচ কমাতে হবে যতটা বেশি করে সম্ভব। তাই জন্যই সচেতনতা বাড়াতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক এই পিসিআরএ গঠন করেছে।

অনুষ্ঠানে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বার্তা পাঠ করেন আইওসিএল-এর পুর্বাঞ্চলের চিফ জেনারেল ম্যানেজার অতীশচন্দ্র ঘোষ।

এই অনুষ্ঠানে জ্বালানি বাঁচানোর জন্য সচেতনতা গড়ে তুলতে ইংরাজি ও হিন্দিতে শপথ বাক্যও পাঠ করানো হয়।

এই বছরের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, ১। জৈব জ্বালানি ব্যবহারের খারাপ দিক সম্বন্ধে সচেতন করা হবে। প্রাকৃতিক জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হবে। ২। ধোঁয়াহীন শহর ও গ্রাম গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হবে। ৩। বাণিজ্যিক যানবাহনের চালকদের জ্বালানি বাঁচানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাতে করে গ্রিন হাউস গ্যাসের উৎপাদন খানিকটা কমানো যাবে। ৪। ছোটোদের এই বিশেষ কাজে উৎসাহিত করা হবে। এই উপলক্ষ্যেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল প্রায় ৪০০ পড়ুয়া।

‘বেস্ট ডিপো ইন স্টেট লেভেল’ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয় কসবা ডিপো ও রাজাবাজার ডিপোর মালিকদের।

অনুষ্ঠান শেষ হয় জাতীয় সংগীত দিয়ে।

পড়ুন – সিএএ/এনআরসি আতঙ্কে নিজের পেটে ২৮ বার কোপ যুবকের!

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.