আতঙ্কের নাম করোনা! মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে মুছে গেল ৪,০০০০০ কোটি টাকা

0
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: মার্কিন মুলুকে আছড়ে পড়ার পর করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব দালাল স্ট্রিটেও কয়েক মিনিটের মধ্যেই বড়োসড়ো থাবা বসিয়ে দিল শুক্রবার। মার্কিন শেয়ার বাজারের সূচক ডাউ জোন্সকে রেকর্ড পয়েন্ট ডুবতে দেখার পর দেশীয় বাজারও শুক্রবার সকালে ২০০৮ সালের পর থেকে বিশ্বব্যাপী বাজারের জন্য সব থেকে খারাপ সাপ্তাহিক পতনের সাক্ষী হয়ে রইল।

এ দিন কেনাবেচা শুরু হওয়ার পর মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে, দেশীয় স্টকগুলি বিনিয়োগকারীদের সম্পদের প্রায় ৪,০০০০০ কোটি টাকা মুছে দিয়েছে। বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কারণে দ্রুত প্রসারিত ভাইরাস খুব শীঘ্রই মহামারী হিসাবে তালিকাভুক্ত হবে বলে বিএসএনএসই-র মোট বাজার মূলধনটি ১৫০,০০০০০ কোটির নিচে নেমে গিয়েছে। আশঙ্কা, ভাইরাসটি খুব শীঘ্রই মহামারী হিসাবে তালিকাভুক্ত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।

সকাল ৯.৫০টায় বিএসই সেনসেক্স ১,১৪৫.২৯ পয়েন্ট বা ২.৮৮ শতাংশ কমে ৩৮,৬০০-তে ঠেকে যায়। এনএসইর ৫০ স্টকের সূচক নিফটি ৩৪৭.৯০ পয়েন্ট বা ২.৯৯ শতাংশ কমে ১১,২৮৫.৪০ দাঁড়ায়। বিএসই-র এম-ক্যাপ কমেছে ৩.৭৭,০০০০০ লক্ষ কোটি টাকা।

ঘরোয়া স্টকগুলির জন্য এটি টানা ষষ্ঠ দিন পতনের সম্মুখীন হল। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা এখনও পর্যন্ত ১০,০০০০০ কোটি টাকা লোকসান করেছেন।

করোনাভাইরাসের থাবায় বিধ্বস্ত শেয়ার বাজারও, ১১ বছরে সব থেকে ভয়াবহ পতন শেয়ার সূচকে

তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে যে, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে ৮৩ হাজারের বেশি মানুষ। মূল উৎসস্থল চিনে ৭৮,৮২৪ জন আক্রান্তের মধ্যে ২,৭৮৮ জন মারা গেছে, বেশির ভাগই হুবেই প্রদেশের। শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ায় ২৫৬ টি নতুন করোনাভাইরাস আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে। যেখানে চিনের বাইরে বিশ্বে আক্রান্তের দিক থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যা ২,০২২ জন।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন