এই কয়েন কাছে থাকলে হতে পারে ১০ বছরের জেল অথবা ২৫ কোটি টাকা জরিমানা!

বিটকয়েন অথবা রিপেল কয়েনে সাবধান!

0
BitCoin

ওয়েবডেস্ক: গত সপ্তাহেই জমা পড়েছে ‘ব্যানিং অব ক্রিপ্টোকারন্সি অ্যান্ড রেজুলেশন অব অফিসিয়াল ডিজিটাল কারেন্সি বিল ২০১৯’-এর খসড়া প্রস্তাব। ওই বিলে বিটকয়েন অথবা রিপেল কয়েনের মতো সরকার অনিয়ন্ত্রিত ভার্চুয়াল কারেন্সি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। ওই বিলে  একটি উচ্চ-স্তরের সরকারী প্যানেল সমস্ত ভার্চুয়াল ক্রিপ্টোকারেন্সি ভারতে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি রয়েছে তা ব্য়বহার রুখতে কঠোর শাস্তির প্রস্তাবও।

তবে এটা মোটেই কোনো বিস্ময়কর বিষয় নয়। গত বছরের এপ্রিল মাস থেকেই ভারতে ক্রিপ্টোকারেন্সির ভাগ্যলিখন দেওয়ালে পড়া যাচ্ছিল।  সে সময় ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক সংস্থাগুলিকে সতর্ক করে দিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই)। ব্যাঙ্ক বা অন্য কোনো আর্থিক সংস্থা যাতে এই ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেন না করে সে বিষয়েও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আরবিআই

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সেটা ছিল একটা ট্রেলার। এ বার পুরো ছবিটা স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। খসড়া বিলে প্রস্তাবিত নির্দেশগুলি যদি লাগু হয়ে যায়, তা হলে পৃথিবীতে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিষিদ্ধ করা দেশের তালিকায় যুক্ত হবে ভারতেরও নাম।

ওই উচ্চপর্যায়ের কমিটি অবশ্য অফিসিয়াল ডিজিটাল মুদ্রা চালু করার পক্ষে মত দিয়েছে। ভার্চুয়াল মুদ্রা সম্পর্কিত প্রযুক্তিটি এখনও এ দেশে বিকশিত হতে শুরু করেছে, ফলে এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সরকারি ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ে আসার প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করে ওই কমিটি। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা বিষয়গুলি পুনর্বিবেচনার জন্য একটি স্থায়ী কমিটি গঠন করার প্রস্তাব রয়েছে বলে জানা গিয়েছে সূত্রের খবরে।

কী শাস্তি হতে পারে?

খসড়া প্রস্তাবে যে শাস্তির উল্লেখ রয়েছে তা যথেষ্ট কঠোর। সূত্রের খবর, ভার্চুয়াল কারেন্সির সঙ্গে সম্পর্ক প্রমাণিত হলে ২৫ কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক জরিমানা হতে পারে। অন্য দিকে ১০ বছরের কারাবাসের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে খসড়ায়। ফলে নিজের অ্যাকাউন্টে যদি এখনও কিছু পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি পড়ে থাকে, শাস্তি এড়াত অবিলম্বে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলাই ভালো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here