নয়াদিল্লি: তিনি নিজে তফশিলি জাতির অন্তর্গত। ছোটোবেলায় সমাজের উঁচুস্তরের মানুষের কাছে অনেক অবহেলা সহ্য করতে হয়েছে তাঁকেও। দলিত সম্প্রদায়ের মানুষদের কী রকম অবহেলা, অবজ্ঞা সহ্য করতে হয়, সেটাই তুলে ধরলেন তিনি। তিনি কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ক্ষমতায়ন দফতরের মন্ত্রী ঠাওয়ার চন্দ গেহলত।

বি আর অম্বেডকরের স্মরণে একটি অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “দলিতরা কুয়ো খোঁড়ে। কিন্তু খোঁড়ার কাজ যখন শেষ হয়ে যায়, দলিতদেরই সেই কুয়োর জল খেতে নিষেধ করা হয়। দলিতরা মূর্তি তৈরি করে, কিন্তু সেই মূর্তি তৈরি হয়ে মন্দিরে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর সেই মন্দিরেই তাদের ঢুকতে দেওয়া হয় না।”

সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই মন্তব্য করে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন তখনকার দিনে কী রকম অবহেলা সহ্য করতে হয়েছে অম্বেডকরকে। সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, এ রকম বৈষম্যমূলক আচরণ এখনকার সমাজেও জারি আছে। তাঁর কথায়, “দলিতদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা এখনও ঘটছে। আগের থেকে হয়তো অনেকটাই কমেছে, কিন্তু ঘটছে।”

ছোটোবেলায় তাঁকেও যে এ রকম অবহেলা সহ্য করতে হয়েছে সেটাও গোপন করেননি গেহলত। রাতলামে একটা হোস্টেলে থাকাকালীন তাঁকে এবং আরও ‘নিম্নবর্ণের’ মানুষদের পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হত।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here