অ্যারে কলোনীতে গাছ কাটায় স্থগিতাদেশ, সাফাই জমিতে নির্মাণে স্থগিতাদেশ নয়

Aarey Colony movement

ওয়েবডেস্ক : অ্যারে কলোনীতে গাছ কাটার উপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো গাছ কাটা যাবে না বলে শীর্ষ আদালত মহারাষ্ট্র সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২১ অক্টোবর।

আদালত জানিয়েছে, গাছ কাটার বিষয়টি কতটা আইনসম্মত তা খতিয়ে দেখছে। এর পাশাপাশি গ্রেফতার হওয়া আন্দোলনকারীদের অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। আদালত মহা-সরকারকে বলে, ‘অবিলম্বে সমস্ত আন্দোনকারীকে মুক্তি দিতে হবে। যদি না দেওয়া হয়ে থাকে ব্যক্তিগত বন্ডে তাদের মুক্তি দিতে হবে।’’

মহারাষ্ট্র সরকারের আইনজীবী নিশীকান্ত কাটনেশ্বকর এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, ‘‘গাছ কাটায় স্থগিতাদেশ দিলেও ইতিমধ্যে যে ৩৩ হেক্টর জমি সাফাই হয়ে গিয়েছে সেখানে নির্মাণে স্থগিতাদেশ দেয়নি আদালত।’’

বিচারপতি অরুণ মিশ্র এবং অশোক ভুষণের বেঞ্চে এই গাছ কাটা মামলার শুনানি হয়। সিলসিটর জেনারেল তুষার মেহাতা মহারাষ্ট্র সরকারের হয়ে সওয়াল করেন। তিনি আদালতকে জানান,‘‘ মেট্রো কার সেডের জন্য যা গাছ কাটার হয়ে গিয়েছে আর গাছ কাটার প্রয়োজন নেই।’’

অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী, সঞ্জয় হেগড়ে এবং গোপাল শঙ্করনারায়ণ।

আদলত জানতে চায়, নোটিফিকেশনে কোথাও উল্লেখ অ্যারে ‘পরিবেশ-সংবেদনশীল অঞ্চল’। শঙ্করনারাষণ ২০১২ সালের নোটিফিকেশন উল্লেখ করে দেখান অ্যারে অশ্রেণিবদ্ধ বনাঞ্চল।

প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে লেখা এক চিঠির প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত ৬ অক্টোবর স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে এই মামলা গ্রহণ করে। রিষভ রঞ্জন সহ একদল আইনের ছাত্র কয়েক চিঠি লিখে অ্যারে কলোনীতে গাছ কাটার উপর স্থগিতাদেশ চায়।

আরও পড়ুন : হাতিয়ার হাইকোর্টের রায়, মধ্যরাতে পরিবেশপ্রেমীদের আটক করে নির্বিচারে বৃক্ষনিধন

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.