apollo tyre

ছোটো যাত্রীবাহী গাড়ির টায়ার নির্মাতা সংস্থাগুলির মধ্য়ে অন্যতম নাম অ্যাপোলো টায়ার। পাশাপাশি বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহৃত বড়ো গাড়ির ক্ষেত্রেও বিশ্বস্ত নাম। তবে অ্যাপোলো টায়ার এখন বিনিয়োগকারীদের পাখির চোখ হয়ে উঠেছে নির্দিষ্ট কয়েকটি কারণে।

সংস্থা হাঙ্গেরি প্লান্ট থেকে টায়ার উৎপাদন শুরু করে দিয়েছে। মূলত যাত্রীবাহী ছোটো গাড়ির টায়ার ওই প্রকল্প থেকে জোগান দিচ্ছে।  সংস্থা সূত্রে জানানো হয়েছে, বর্তমানে প্রতিদিন তিন-চার হাজার টায়ার ওই প্রকল্পে তৈরি হচ্ছে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে এই সংখ্যাটিকে তারা দ্বিগুণ বা তারও বেশিতে নিয়ে যেতে চাইছে। অর্থাৎ বাজারের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তারা প্রতিদিন প্রায় আট হাজার ওই ধরনের টায়ার তৈরি করবে হাঙ্গেরির প্লান্ট থেকে।

সংস্থার আরও দাবি, সারা পৃথিবী মিলিয়ে আগামী এক বছরের মধ্যেই মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে প্রতিদিন ১৬ হাজারের কাছাকাছি। এখন শীতকাল চলায় কাজের গতি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। আবার জার্মানিতে বিশেষ কয়েকটি কারণে কাজে শ্লথতা দেখা দিয়েছে। সেগুলি কাটিয়ে উঠে লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলতে বদ্ধপরিকর সংস্থা।

অ্যাপোলো টায়ার নিয়ে এই দীর্ঘ ভূমিকার কারণ একটাই। ওই সংস্থার মোট লাভের ৬০ শতাংশই আসে ভারত থেকে। স্বাভাবিক ভাবে ভারতীয় ক্রেতাদের কথা তাদের সর্বাগ্রে মাথায় রাখতে হয়। সংস্থার ত্রৈমাসিক হিসাবে লাভের ঊর্ধ্বমুখিতা আর নতুন প্লান্টে উৎপাদন শুরু এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাকে কয়েকগুণ বৃদ্ধির চিন্তাভাবনা শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারীদের কি চোখ এড়াতে পারে?

বিনিয়োগে উৎসাহী হলে ২৬০ টাকায় ধরতে পারেন অ্যাপোলো টায়ার। মাত্র তিন-চার মাসের অপেক্ষা। টার্গেট থাকছে ২৮৭-২৯০টাকা। শেয়ার মার্কেট এখন এই উঠি তো এই নামি, করছে। মনে হতে পারে, ঝুঁকি যেন ক্রমশ বেড়েই চলেছে। কিন্তু ঝুঁকি নিতে না পারলে শেয়ারে বিনিয়োগ করা সম্ভব নয়-এমনটাই বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here