BSE Share Market

ওয়েবডেস্ক: এক দিকে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে টানাপোড়েন অন্য দিকে ডলারের তুলনায় টাকার দামে রেকর্ড পতন, দুইয়ের সাঁড়াশি চাপে বুধবারের শেয়ার বাজার সাক্ষী থাকল গত তিন মাস সময়কালের মধ্যে সর্বোচ্চ পতনের। এখন প্রশ্ন এই অবনতি কি চলতেই থাকবে?

বুধবারই প্রকাশিত হয়েছে বিএসই তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির ওই দিনে লোকসানের পরিমাণ। জানা গিয়েছে, ওই এক দিনে সেখান থেকে উবে গিয়েছে ১.৭৯ লক্ষ কোটি টাকা। বাজার খোলার শুরুতে যেখানে বিএসই তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির সম্পদের পরিমাণ ছিল ১৪৫.৬৪ লক্ষ টাকা, সেখানে বাজার বন্ধের সময় দেখা যায় ভাঁড়ারে পড়ে রয়েছে ১৪৩.৬৪ লক্ষ কোটি টাকা।  অর্থাৎ, ক্ষত যে কতটা গভীর, তা সহজেই বোঝা যাচ্ছে।

একই ভাবে গত ৩১ আগস্টের পর থেকে এ ধরনের একটার পর একটা ক্ষতের সষ্টি হয়ে চলেছে এ দেশের শেয়ার বাজারে। বিএসই তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মোট সম্পদ থেকে ১৫.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে মাত্র ১ মাস এবং কয়েকটা দিনেই। যে নজির খুব কমই রয়েছে।

৩০ স্টকের সেনসেক্স গত বুধবার পড়েছে ৫৫০.৫১ পয়েন্ট (১.৫১ শতাংশ)। বন্ধ হয়েছে ৩৫,৯৭৫.৬৩ পয়েন্টে। অন্য দিকে ৫০ স্টকের নিফটি এ দিন সম্মুখীন হয় ১৫০.০৫ পয়েন্টের, বন্ধ হয়েছে ১০৮৫৮.২৫ পয়েন্টে। এই বড়োসড়ো পতনের মূল কারণ উপরোক্ত দু’টি ঘটনা। বুধবার ডলারের তুলনায় টাকার দাম দাঁড়িয়েছে ৭৩-এর উপর। যা অতীতের যে কোনো রেকর্ডের থেকে কয়েক কদম আগে। আবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ব্যারেলপিছু ৮৫ ডলার।

৩ সংস্থার আইপিও অনুমোদন করল সেবি

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি ভাবে ডলারের তুলনায় টাকার দাম নিয়ন্ত্রণের কোনো সদর্থক উদ্যোগ না নেওয়া হলে এমন পরিস্থিতি জারি থাকাটাই স্বাভাবিক।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন