indian currency

ওয়েবডেস্ক: আর্থিক উপার্জন শুরু হলেই সামনে চলে আসে একটার পর একটা স্বপ্নপূরণের সিঁড়ি। একটা তাক লাগানো বাড়ি বা একটা হাল-মডেলের গাড়ি অথবা মনোরম কোনো প্রাকৃতিক পরিবেশে ক’দিনের ছুটি কাটানো ইত্যাদি। কিন্তু এ সবের বাইরে সম্পদশালী হয়ে ওঠার স্বপ্নও নিছক ফেলনা নয়। তবে সবার পক্ষে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে প্রতিষ্ঠা দেওয়া অসম্ভব মনে হতে পারে। কিন্তু চেষ্টা করতে ক্ষতি কী?

তাৎক্ষণিক আনন্দ-উত্তেজনা

আপনার মধ্যে কি আছে সময়োচিত চাহিদা পূরণের মাপকাঠি। প্রয়োজন থাকে ্অনেক কিছুরই। কিন্তু ঠিক সময়ে ঠিক চাহিদা পূরণ বাদে বাকি তাৎক্ষণিক আনন্দ-উত্তেজনা রুখে দেওয়ার প্রবণতা যাঁদের মধ্যে থাকে তাঁরা ভবিষ্যৎকে নিজের হাতের মুঠোয় বন্দি করতে পারে। তাৎক্ষণিক পরিতৃপ্তির একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। তার পরই সব শূন্য। ফলে অর্থোপার্জনের পাশাপাশি যদি তাৎক্ষণিক পরিতৃপ্তি প্রশমনের সদিচ্ছা কারও মধ্যে থাকে, তার তো কোটিপতি হওয়া অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

নিরলস পরিশ্রমের মানসিকতা

এক নাগাড়ে কাজ করতে কার-ইবা ভালো লাগে। কিন্তু নিরলস পরিশ্রম করার মানসিকতা একবার মগজে ঢুকে গেলে তাকে থামানো মুশকিল। ব্যক্তিগত আবেগ-অনুভূতি বজায় রেখেই নিরলস ভাবে পরিশ্রম করলে হাতেনাতে ফল মেলার অজস্র উদাহরণ রয়েছে। ফলে সেই উদাহরণের তালিকায় নিজের নামটাও তুলতে গেলে নিরলস পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। স্বপ্ন দেখা যায় অনেক সহজ ভাবে, কিন্তু পূরণ করতে হলে পরিশ্রমই এক মাত্র পথ।

জীবনযাপনের ভারসাম্য

এমনও কিছু অনুষঙ্গ রয়েছে, যা হস্তগত না করেও জীবননির্বাহ করা সম্ভব। কিন্তু চাহিদা এমনই বিষম আবেগ, যা চাহিদা আর চাহিদা পূরণের সীমারেখাটিকে অনেক সময়ই মুছে দিতে পারে। শুধু আর্থিক ভাবে সমৃদ্ধশালী হলেই চলে না, মানসিক ভাবে সম্পদের অধিকারী হতে হয়। স্বাভাবিক ভাবেই মিতব্যয়িতা নিয়ে কোনো মানুষকে যতই সমালোচিত হতে হোক না কেন তা  সম্পদশালী হয়ে ওঠার মোক্ষম অস্ত্র, সে বিষয়ে কোনো দ্বিধা নেই।


আরও পড়ুন: পিপিএফ, এনএসসি-সহ একাধিক ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হার বাড়াল কেন্দ্র

খরচের বাজেট তৈরি

কতটা অর্থ উপার্জন করছি আর খরচই বা করছি কতটা, সে বিষয়ে বাজেট তৈরির মানসিকতা যাঁদের মধ্যে রয়েছে, তাঁদের প্রতিদিনের জীবনে বাড়তি সংযোজিত হয়ে যায় সঞ্চয়। উপার্জনের সঙ্গে যদি ব্যয় সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় তবেই তো সঞ্চয় হবে। কিন্তু সঞ্চয়ের পরিমাণ কতটা? যে জন বোঝেন, সে জনই সুফল লাভ করেন। খরচ যত কম হবে, সঞ্চয়ও যে ততই বাড়বে, সে কথা বলা যায় নি:সন্দেহে।

বিনিয়োগে জোর

বিশ্বস্ত জায়গায় নিজের সঞ্চিত অর্থের সঠিক বিনিয়োগ। সেটা হতে পারে কোনো ব্যবসা, আবার হতে পারে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা মাধ্যমে। সঞ্চয়ের টাকা ঘরে ফেলে রাখলে পচবে না ঠিকই, কিন্তু সেই টাকাকে বাইরে না বের করলে সম্পদবৃদ্ধি গতি হারাবে। ব্যাঙ্ক-পোস্ট অফিসের ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্প হোক বা মিউচুয়াল ফান্ড আবার এগিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে শেয়ার বাজারে সেই টাকার সঠিক বিনিয়োগে কোটিপতি হওয়া থেকে কে ঠেকাবে কাকে?

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন