e-waste in India

ওয়েবডেস্ক: আধুনিক যুগে বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দবন্ধ ই-ওয়েস্ট বা বৈদ্যুতিন বর্জ্য। নিত্য জীবনে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম থেকেই উৎপন্ন হয় এই বর্জ্য। গত ২০১৬-য় ভারতে এ ধরনের মোট বর্জ্যের পরিমাণ ২,০০০,০০০,০০০ কেজি। এই পরিমাণ স্বাভাবিক ভাবে বছরের পর বছর ধরে বেড়েই চলেছে।

অ-কেজো বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের সঙ্গেই জঞ্জালের স্তূপে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয় বহুমুল্যের ধাতু। যার মধ্যে দস্তা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কেডিয়াম বা লোহা। কিন্তু সোনা-রূপা? শুনলে অবাক হতেই হয়। তবে বিদ্যুতিন সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করা অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা মাত্রই জানেন বেশ কিছু সরজ্ঞামে এই দুই মূল্যবান ধাতুর আকরিকও থাকে। গবেষকরা পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, গত ২০১৬-য় ৭১ টন রূপো এবং ২২ টন সোনা ওই সব বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের সঙ্গেই আবর্জনার স্তূপে চলে গিয়েছে।

গবেষণাকারীরা যে হিসেব পেশ করেছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২০১৬ সালে ভারতে ওই ভাবেই নষ্ট হয়েছে ৭২৮ কেজি লোহা, ৯৬.৮ কেজি তামা, ১১০.৬ কেজি অ্যালুমিনিয়াম, ৯ টন প্যালাডিয়াম বর্জ্য বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের সঙ্গেই জঞ্জালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হিসাব কষে দেখিয়েছেন, ২২ টন সোনা বাবদ ৬,৩৪৭ কোটি এবং  ৭১ টন রূপো বাবদ ৩০০ কোটি টাকা বর্জ্যে পরিণত হয়েছে।

উল্লেখ্য এই ভাবে নষ্ট হওয়া তামা, অ্যালুমিনিয়ামের মূল্য যথাক্রমে ৩,২৬২ কোটি এবং ১,২২৮ কোটি টাকা। সব থেকে বিস্ময়কর, বর্জ্য হিসাবে পরিত্যক্ত ৪৪৭ কোটি টন প্লাস্টিকের মূল্য ৫,১৫২ কোটি টাকা।

অ্যাসোচেমের অন্য একটি রিপোর্ট বলছে, শুধু মাত্র রাজধানী দিল্লিতেই প্রতিদিন ১০,০০০ মেট্রিক টন বৈদ্যুতিন বর্জ্য সৃষ্টি হয়।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন