benefits

বিশেষ প্রতিনিধি: ১৪ মাসে রেকর্ড পতন হল ডলারের তুলনায় টাকার দরে। ৫২ পয়সা পড়ে ডলারের তুলনায় টাকার দাম দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৯০ পয়সায়। ও দিকে এ দেশের শেয়ার বাজারেও তার যথেষ্ট ছোঁয়া লেগেছে। গত বুধবার দেড়শো পয়েন্টের বেশি পতনের সাক্ষী থেকে ঘুমোতে গিয়েছে শেয়ার সূচক সেনসেক্স। বৃহস্পতিবারের তেমন কোনো অঘটন না ঘটলে বাজার মিশ্র ফলাফলের দিকেই এগোতে চাইবে। অনন্ত স্টক ভ্যালুর মধ্যেই ঘুরবে যে কোনো শেয়ারের দাম। কী এই স্টক ভ্যালু?

স্টক ভ্যালু হল এমন একটি মান যা দিয়ে ভবিষ্যতের প্রত্যাশা মতো লভ্য়াংশের কথা অনুমান করা যায়। যখন একটা ইক্যুইটি শেয়ারে দাম তার আনুমানিক দামের থেকে কম বা তার সমান হয় তখন এটাকে স্টক ভ্যালু বলা হয়। অর্থাৎ কোনো শেয়ারের নিরাপত্তা মূল্য হিসাবে দেখা যেতে পারে এই স্টক ভ্যালুকে। এটা একটা পদ্ধতিগত জটিল অঙ্ক। যা কোনো সংস্থা এবং তার শেয়ারের ভবিষ্যৎ দামকে নির্দেশিত করে। এবং সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভরশীল অনুমানের উপর।

কিন্তু তার বাইরে একজন সাধারণ বিনিয়োগকারী হিসাবে নিজের কেনা শেয়ারের স্টক ভ্যালু নির্ণয় নিজেকেই করতে হবে। যার উপরে উঠলেই বিনিয়োগকারী লাভবান হবেন নিশ্চিন্তে।

কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, বেশির ভাগ সময়েই বিনিয়োগকারী স্থির করার কথা ভাবেনই না যে, তাঁর কেনা শেয়ারের স্টক ভ্যালু কত? যে দরে কেনা হল, তার থেকে উপরে ওঠাকেই লাভের মাপকাঠি ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু স্টক ভ্যালু বলতে কেনা দরকে বোঝায় না, তা আগেই বলা হয়েছে। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ মানেই ঝুঁকির বিষয়। তা হলে ঝুঁকিহীন বিনিয়োগ ক্ষেত্রে ওই পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে নির্দিষ্ট সময়ে যে লাভ পাওয়া সম্ভব, তার নিরিখেই নিজের মতো করে কেনা শেয়ারের স্টক ভ্যালু নির্ণয় করে নেওয়া যায়। এর সঙ্গে কিন্তু ওই সংস্থার তৈরি করা স্টক ভ্যালুয়েশনের মিল না থাকতেও পারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here