sensex bse

ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণ থেকে শুরু করে এফআরডিআই  নিয়ে জোর আলোড়ন পড়ে গিয়েছে গত মাসখানেক ধরেই । স্বাভাবিক ভাবে যে কোনো ব্যাঙ্কের স্টকে হাত দিতে গেলে সেই ছবিটাই চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তাই বলে কি ব্যাঙ্কের স্টকে বিনিয়োগ থেমে আছে। মোটেই না, পুরো দমে চলছে কেনা-বেচা। আদতে সেই একই কথা-বাজার চলে নিজের মতোই। জোর করে কোনো মত তার ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হলে সে যে বয়ে নিয়ে যাবে, তার যেমন কোনো গ্যারান্টি নেই, তেমনই বাজার যদি মনে করে কোনো এক অতি তুচ্ছ ঘটনাকে আঁকড়ে ধরবে, তবে কারও সাধ্যি নেই তাকে বিরত করবে।

গত সপ্তাহে ব্যাঙ্ক নিফটির আহামরি কোনো উত্থান-পতন চোখে পড়েনি। সিন্ডিকেট ব্যাঙ্কের শেষ ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ ছিল ৮৪ টাকা ৪০ পয়সা। গত শনিবারও সে এর নীচেই বন্ধ হয়েছে। তবে উপরের দিকে ওঠার অদম্য ইচ্ছাশক্তি কাজ করছে।

গত নভেম্বরে ব্যাঙ্কগুলির সুসময়ে সিন্ডিকেট ছুঁয়ে ফেলেছিল ৯৫ টাকা ৯০ পয়সার ঘাট। তার পর থেকে একাধিক বার ঊর্ধ্বগামিতার লক্ষণ দেখা গেলেও সফল হতে পারেনি। এর ধীরগতিতে বৃদ্ধি পাওয়া ভলিউম সুদিনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আজ কেনা যেতেই পারে ৭৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮০ টাকার ভিতর। হাতে রাখুন এই সপ্তাহটা। ফেলে আসা জায়গায় না যেতে পারলেও এক সপ্তাহে প্রতি স্টকে ১০ টাকা লক্ষ্মীলাভ হলেও হতে পারে।

পুনশ্চ-শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ একান্ত ভাবে আপনার নিজস্ব সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন