জিএসটি-র প্রভাব কমাতে কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর পুনর্বিন্যাস হতে পারে

0
948
gst

বিশেষ প্রতিনিধি: পণ্য ও পরিষেবা কর বা জিএসটি-তে প্রদেয় করের পরিমাণ কিছুটা হলেও লাঘব করতে কয়েকটি সংস্থা নিতে চলেছে বিশেষ একটি পরিকল্পনা। যাতে সংস্থার আর্থিক সাশ্রয় তো হবেই, পাশাপাশি ওই সংস্থায় কর্মরতদের বেতনের কাঠামোও যাবে বদলে। তবে সরাসরি হাতে পাওয়া বেতনের পরিমাণ কিছুটা বাড়লেও কর্মীদের কিন্তু এর থেকে লাভবান হওয়ার কোনো পথ খোলা থাকছে না বলেই ধারণা করে হচ্ছে

মানব সম্পদ খাতে অধিক অর্থ ব্যয় করে জিএসটির পরিমাণ কমিয়ে নেওয়ার সহজ সুবিধাটি নিয়েই কয়েক দিন আগেও চলছে জোর আলোচনা চলেছিল। এর অধীনে সরাসরি বেতন না বাড়িয়ে ঘুরপথে কর্মীর সুবিধার্থে মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে অর্থ ব্যয় করে সংস্থাগুলি বিশেষ ছাড় পেতে চেয়েছিল। এর জন্য বিশেষ কয়েকটি প্যাকেজের মাধ্যমে সংস্থার মানব সম্পদ খাত থেকে ব্যয়ের ফলে জিএসটি-র ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়া নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছিল।

এগুলির মধ্যে রয়েছে কর্মীর বাড়ির ভাড়া, টেলিফোন চার্জে, অতিরিক্ত কভারেজের জন্য মেডিকেল প্রিমিয়াম, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরিবহণ, জিম ব্যবহার, ইউনিফর্ম বা এ রকমই অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িত আরও কতকগুলি বিষয়। কিন্তু এ বার এই সব পরিষেবাও জিএসটি-র আওতায় পড়তে চলেছে। ফলে এই বিষয়গুলিতে আলাদা করে অর্থ বরাদ্দে কোনো বাড়তি সুবিধা থাকছে না সংস্থাগুলির হাতে। এখান থেকেই নতুন বেতন কাঠামো অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছে।

ট্যাক্স বিশেষজ্ঞ সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংস্থাকে এ ব্যাপারে পরামর্শ দিতে শুরু করেছে। তাদের এইচআর বা মানবসম্পদ দফতরকে খোঁজখবর নিতে বলেছে বিশদে। সম্প্রতি অ্যাডভান্সড রুলিং অথরিটি (এআরএ)-র একটি মামলায় এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, কর্মীদের ক্যান্টিন খরচ বাবদ ব্যয় হওয়া অর্থের উপর জিএসটির কোনো প্রভাব পড়ছে ন। অর্থাৎ সংস্থার কর্মীদের সেবা মূলক কাজে খরচ করা অর্থের উপরেও নিয়োগকর্তাকে জিএসটি জমা করতে হচ্ছে।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here